জটিল অস্ত্রোপচারে ফুসফুস থেকে এলইডি বাল্‌ব বের করে ৯ মাসের শিশুকে নতুন জীবন দিলেন চিকি‍ৎসকরা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরেক অনন্য সাফল্যের সাক্ষী থাকল পুনে। মাত্র ৯ মাস বয়সী এক শিশুর ফুসফুসের গভীরে আটকে থাকা এলইডি বাল্‌ব সফলভাবে বের করে শিশুটির প্রাণ বাঁচালেন চিকিৎসকেরা। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পন্ন করেছে পুনের আর্মি ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিও-থোরাসিক সায়েন্সেস (AICTS)-এর বিশেষজ্ঞ দল।   

জানা গিয়েছে, খেলতে খেলতে শিশুটি ভুলবশত একটি ছোট এলইডি বাল্‌ব মুখে নিয়ে ফেলে এবং সেটি শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসের ভেতরে আটকে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষা করলে দেখা যায়, বাল্‌বটি বাম ফুসফুসের শ্বাসনালীর গভীরে আটকে রয়েছে এবং এর সঙ্গে থাকা ক্ষয়কারী তারের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। চিকিৎসকদের মতে, ওই তার শ্বাসনালীর ভেতরে গুরুতর ক্ষত তৈরি করতে পারত। পাশাপাশি ফুসফুসে সংক্রমণ, শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা কিংবা স্থায়ী ক্ষতির আশঙ্কাও ছিল প্রবল। তবে সময়মতো চিকিৎসা শুরু হওয়ায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আপনার সন্তান সমকামী হলে কী করবেন?’ ইনফ্লুয়েন্সারের প্রশ্ন শুনে যা বললেন পুলিশকর্মী…

AICTS-এর বিশেষজ্ঞরা কোনো বড় অস্ত্রোপচার ছাড়াই অত্যন্ত সূক্ষ্ম ব্রঙ্কোস্কোপিক পদ্ধতির মাধ্যমে বাল্‌বটি বের করে আনেন। পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ। চিকিৎসকেরা বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে শ্বাসনালীর গভীরে পৌঁছে নিরাপদে বস্তুটি বের করেন। সফল অস্ত্রোপচারের পর শিশুটির শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং বর্তমানে সে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ছোট শিশুদের মধ্যে খেলনা, কয়েন, ব্যাটারি, পুঁতি, পিন বা এলইডি বাল্‌বের মতো ক্ষুদ্র বস্তু মুখে নেওয়ার প্রবণতা খুবই সাধারণ। বিশেষ করে তিন বছরের কম বয়সী শিশুরা কৌতূহলবশত বিভিন্ন জিনিস মুখে দিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়ে। তাদের মতে, কোনো বস্তু যদি শ্বাসনালীতে আটকে যায়, তাহলে তা খুব দ্রুত প্রাণঘাতী পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এতে শ্বাসকষ্ট, তীব্র কাশি, ফুসফুসে সংক্রমণ বা অক্সিজেন সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না পেলে স্থায়ী ফুসফুসের ক্ষতিও হতে পারে। চিকিৎসকেরা আরও সতর্ক করেছেন, ব্যাটারি, রাসায়নিক উপাদান বা ধারালো অংশযুক্ত ছোট বস্তু শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ এসব বস্তু শরীরের ভেতরে প্রবেশ করলে অল্প সময়ের মধ্যেই টিস্যুর মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

স্মারক হিসেবে রাখার সুযোগ বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যুর ঘাস, কত কড়ি গুনতে হবে?

আর জি কর কাণ্ডে ভিসেরা নমুনা ও রিপোর্ট বিকৃতির অভিযোগ, CBI-কে তদন্তের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে ফের শোকের ছায়া, প্রয়াত জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক আর. চেঝিয়ান

ঠোঁট কাটার অস্ত্রপচারে অ্যানাস্থেশিয়া! একরত্তির মর্মান্তিক মৃত্যুতে কাঠগড়ায় হাসপাতাল

একেই বলে মাতৃত্ব! খাঁচায় মধ্যে উড়ে আসা পাখির ছানাকে বুকে আগলে রাখল বানর

শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বরে পুণ্যার্থীদের ভিড় সামলাতে একগুচ্ছ ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের

সোনাঝুরির হাট ‘অবৈধ’ তকমা মানতে নারাজ, জীবিকা বাঁচাতে পরিবেশ আদালতের দ্বারস্থ হস্তশিল্পীরা

দোকান থেকে কেনা জলে চুমুক দিতেই গলগল করে বেরোতে শুরু করল রক্ত…

রবির সকালে হাওড়া ময়দান থেকে বন্ধ মেট্রো, দুর্ভোগে পড়বেন যাত্রীরা

আগস্টেই কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর সম্ভাবনা

‘ইন্দ্রজিতের খুনের পিছনে যুক্ত থাকতে পারে মৌলবাদীরা’, আশঙ্কা মুখ্যমন্ত্রীর

ভিয়েতনামের ফু-কুওক দ্বীপের কাছে উল্টে গেল ভারতীয় পর্যটক বোঝাই নৌকা, নিহত ১৫

দমদম বিমানবন্দর থেকে সরছে মসজিদ, বন্ধ নমাজ পড়া

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়ল ৪,০০০