-273ºc,
Friday, 9th June, 2023 2:48 am
নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমানে ভক্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সকল বিনোদন ইন্ডাস্ট্রির তারকারা। যার দায় বর্তায় মোবাইল ফোনের উপরেও। মাঝে মধ্যেই তারকাদের উপর ভক্তদের দ্বারা অত্যাচারের নানা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়। কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী আহানা শেট্টির কোমর জড়িয়ে ছবি তুলতে গিয়েই বিপাকে পড়েন এক ভক্ত, সরাসরি অভিনেত্রী তাঁকে বলে দেন, একদম স্পর্শ করবেন না। এছাড়াও প্রায়শই বিমানবন্দরে ভক্তদের সঙ্গে সেলফি তুলতে গিয়ে বা কোনও লাইভ কনসার্টে ভক্তদের অনুরোধ না রাখতে পারলেই বিপদের সম্মুখীন হন তারকারা।
এরকম ভিডিও এর আগে বহুবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এদিকে দিন কয়েক আগেই ভক্তদের দ্বারা বিপাকে পড়েছিলেন বাংলাদেশের এই সুন্দরী নায়িকা, সেই ভিডিওই এখন চর্চায়। হ্যাঁ, অভিনেত্রী শিরিন শিলা। তাঁর ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, তিনি যখন পুলিশের পোশাকে শুটিং করছিলেন, তখন এক ছিন্নমূল কিশোর এগিয়ে এসে, শিরিন শিলাকে জড়িয়ে ধরে নায়িকার গালে চুমু দিয়ে বসেন। আর অভিনেত্রীও শিশু ভেবে তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। একসময় শিরিন শিলাকে ওই কিশোর বলে, ‘আমাকে নিয়ে যাও, আমি পড়াশোনা করব’। এই বলে আবার জড়িয়ে ধরে সে। শেষদিকে ওই কিশোর শিরিন শিলার গালে চুম্বন করতে গেলেই তাঁকে আটকে দেয় চারপাশের লোকজন। নিজের মোবাইলে ধারণ করা সেই ভিডিও নায়িকা ফেসবুকে পোস্ট করে লেখেন, এ কেমন ভালবাসা!
তবে নায়িকা ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয় সেও কিশোরটির খোঁজ করতে শুরু করে, পরে নায়িকা সেই কিশোর সম্পর্কে জানতে পারেন, ‘ওই ছেলের আসল পরিচয় জানার পর রাতে ঘুমাতে পারিনি। সে বিবাহিত। ৯ দিন আগে বিয়ে করেছে। সে আমাকে যা যা বলেছে সব মিথ্যা। এমনকি তাঁর মাথা একেবারে সুস্থ।’ বুধবার সকালে শুটিং সেটে সেই ছেলেকে ধরে নিয়ে আসা হয়। এবং ছেলেটি অভিনেত্রী শিরিন শিলার পা ধরে মাফ চায়। শুটিং ইউনিটের কেউ কেউ তাকে পুলিশে দেওয়ার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুরো বিষয়টি আবারও ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করেন অভিনেত্রী শিরিন শিলা। ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে আমি ছিন্নমূল শিশু ভেবে মমতা দেখিয়েছিলাম। কিন্তু সে এটার অপব্যবহার করেছে। বিষয়টি ভেবে সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। গতকাল ভোরে তার খোঁজ করতে শুরু করি। যেহেতু ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। সেহেতু সবাই তাকে চিনে ফেলেছে। তার বাসায় গিয়ে দেখি, তার স্ত্রী রয়েছে। মা রয়েছে। অথচ সে আমাকে বলেছিল সে তার মাকে দেখেনি। এই ঘটনা আমাকে খুবই ধাক্কা দিয়েছে। আমি ভাবতে পারিনি মানুষ এভাবেও প্রতারণা করে। তাকে পুলিশে দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছি।’