দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

তৃণমূল জোট নিয়ে আগ্রহী, তবে প্রয়োজনে একা লড়তেও প্রস্তুত, বার্তা সুদীপের

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: কিছুদিন আগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দেগঙ্গায় গিয়ে দলের কর্মীসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করবে INDIA আর বাংলায় লড়াই করবে তৃণমূল(TMC)।’ অনেকেরই দাবি, মমতার এই অবস্থানের জন্য দায়ী প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। কেননা মমতা আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন যে, বিজেপিকে হারাতে তিনি খোলা মনে বাংলার মাটিতে বাম ও কংগ্রেস উভয়ের সঙ্গেই জোট গড়তে আগ্রহী। এমনকি ব্যক্তিগত ভাবে মমতা রাহুল গান্ধিকে বাংলা থেকে ২টি আসন ছেড়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন। কিন্তু মমতার সেই প্রস্তাব মানতে নারাজ বাম ও প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা। ২৪’র ভোটে(General Election 2024) বাংলায় এই দুই দলের জোট যাতে না হয় তার জন্য প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা কার্যত উঠেপড়ে লেগেছেন। এই অবস্থায় তৃণমূলের অবস্থান পরিষ্কার করে দিলেন লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়(Sudip Banerjee)।

বস্তুত মমতা রাহুলকে জানিয়েছিলেন, উনিশের ভোটে কংগ্রেস(INC) বাংলায়(Bengal) যে দুটি লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল সেই মালদা দক্ষিণ ও বহরমপুর আসন দুটি ছেড়ে দেবেন এবারেও। যদিও রাহুল তাঁর কাছ থেকে আরও ২টি অতিরিক্ত আসন চান। সেই দুই আসনের ১টি আবার রায়গঞ্জ আসনটি। তারপরে এই নিয়ে মমতা আর রাহুলের কোনও কথা হয়নি বলেই তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে। কিন্তু মাঝখান থেকে দিন দুই আগেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী(Adhir Ranjan Chowdhury) তেঁড়েফুঁড়ে তৃণমূলকে আক্রমণ শানেন। তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন পশ্চিমবঙ্গে আমাদের ২টি আসন ছেড়ে দিতে প্রস্তুত তিনি। তাঁর এই দয়ার দান আমাদের চাই না। আমরা তাঁর এই প্রস্তাব নাকচ করছি। বহরমপুরে হারাবে বলছে, মালদায় হারাবে বলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে ওপেন চ্যালেঞ্জ করছি। যে কাউকে এখানে পাঠিয়ে দিন। যদি হারাতে পারেন, রাজনীতি করা ছেড়ে দেব। আপনি নিজে আসুন, দেখি কত ক্ষমতা আপনার।’ অধীরের এই মন্তব্য যেমন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড ভাল ভাবে নেয়নি তেমনি তৃণমূলও ভাল ভাবে নেয়নি। সেটা এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন সুদীপ।

এদিন সুদীপ এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা যে সব দাবি করছেন, বা যত আসন চাইছেন, সেই সবগুলি ভিত্তিহীন দাবি। বাংলায় কংগ্রেসের কত ক্ষমতা আছে সেটা একুশের ভোটেই সবাই দেখে নিয়েছে। রাজ্য বিধানসভা কংগ্রেস শূণ্য। স্বাধীনতার পরে এই প্রথম বাংলার বিধানসভা কংগ্রেস শূণ্য। তাই কংগ্রেস নেতারা কে কী বললেন তার কোনও অর্থ নেই। জোট গঠন ও আসন বন্টন নিয়ে দুই দলের সর্বোচ্চ স্তরে আলোচনা হবে। আর তা হবে সোনিয়া গান্ধি(Sonia Gandhi) ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে। সেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা কে কি বললেন, কে কি ভাবলেন, কে কি করলেন তার কোনও অর্থ নেই। কোনও দাম নেই। কোনও গুরুত্ব নেই। তৃণমূল খোলা মনে জোট গঠনের জন্য রাজী আছে। কিন্তু আসনের দাবি বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। ভুলভাল মনগড়া দাবি গ্রাহ্য হবে না। প্রয়োজনে তৃণমূল বাংলায় একাই লড়বে। সেই রাস্তাও খোলা রাখা হচ্ছে।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

‘ছাত্র আন্দোলন কখনও গণতন্ত্রের বিরোধী হতে পারে না’, যাদবপুর নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার

ভোটার নন, তবু ভোটের কাজে! সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ বাংলার ৬৫ ভোটকর্মী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ