চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

জগদ্ধাত্রী-শীতলা মায়ের একত্রে আরাধনা, অলৌকিক অতীতে মোড়া বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের পুজো

নিজস্ব প্রতিনিধি : আগামী ৬ অক্টোবর পড়ছে জগদ্ধাত্রী পুজোর মহাষষ্ঠী। কালীপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই জগতের পালিকা দেবী জগদ্ধাত্রীর পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। তিনি হলেন দেবী দুর্গার আর এক রূপ। দেবী দুর্গা হলেন সিংহবাহিনী দশভূজা, আর দেবী জগদ্ধাত্রী হলেন সিংহবাহিনী চতুর্ভুজা। দেবী মায়ের পুজোর এই বিশেষ দিনেই চর্চায় উঠে আসে হাওড়ার এক পরিবারের পুজো। প্রায় ৩৫০ বছরেররও বেশি সময় ধরে ধুমধাম করে হাওড়া উলুবেড়িয়ার বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারে আয়োজন করা হচ্ছে পুজোর। এই পুজোর অন্যতম বিশেষ দিক হল জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে একইসঙ্গে হয় মা শীতলার পুজো। শুধু তাই নয়, পুজো নিয়ে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারে রয়েছে নানা অলৌকিক ঘটনা। জানেন কী বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির জগদ্ধাত্রী পুজোর রহস্য ?

উলুবেড়িয়ার প্রত্যেক বারের মত জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়ে থাকে তুমুল প্রস্তুতি। জয়পুরের খালনার বন্দোপাধ্যায় পরিবারের পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে দীর্ঘ ইতিহাস। বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের জগদ্ধাত্রী পুজো এবার ৩৫২ বছরে পা দিল। প্রাচীন এই পুজোর সূচনা করেন সর্বেশ্বর বন্দোপাধ্যায়। এখানে দেবী জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে একইসঙ্গে হয় মা শীতলার পুজো। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পরই দেবী জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে মা শীতলার পুজো শুরু হয়েছিল। জন্মাষ্টমী থেকে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়। ডাকের সাজে সেজে ওঠেন দেবী জগদ্ধাত্রী। দেবী প্রতিমার শাড়ি, মাথার মুকুট থেকে শুরু করে অলঙ্কার, সব কিছুই মাটির তৈরি।

বন্দ্যোপাধ্যায় নামে পরিবারের সদস্যদের কথায়, ‘মাকে নিয়ে নানা অলৌকিক ঘটনা আছে। যেসব শুনলে আজও গায়ে কাঁটা দেয়। একবার বলি দেওয়ার জন্য মাত্র ২টি চালকুমড়ো জোগাড় করা সম্ভব হয়েছিল। পরিবারের সদস্য হাজার খুঁজেও আরও ২টি চালকুমড়ো জোগাড় করতে পারেন নি। কিন্তু পুজোর দিন হঠাৎ করেই এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলা এসে দুটি চালকুমড়ো দিয়ে যান। কিন্তু সেই মহিলাকে কেউ আজ পর্যন্ত দেখে নি। পরে এই নারীর খোঁজ পড়লে কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি।স্থানীয়দের বিশ্বাস চালকুমড়ো দিতে হাজির হয়েছিলেন স্বয়ং মহামায়া। দেবী নিজে এসে পুজোর জন্য চালকুমড়ো দিয়ে গেছেন।

আরও পড়ুন : জগদ্ধাত্রীর পদতলে হস্তিমুণ্ড, জানেন কী হাতির কাটা মুণ্ড আসলে কে ?

এই নিয়ে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা জানান, ‘নিয়ম নিষ্ঠা মেনে একদিনেই ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত পুজো হয়। মায়ের ভোগে মাছও থাকে। পুজোয় দেড় মণ আতপ চালের অন্ন, খিচুড়ি, ভাজা, তরকারি, মাছ চাটনি ভোগ দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় মা শীতলাকে লুচি, ক্ষীর, নাড়ু ও ছানা ভোগ হিসেবে দেওয়া হয়। নিয়ম মেনে পুজোয় ৪টি চালকুমড়ো ও ৪টি আখ বলি দেওয়া হয়। ধুনো পোড়ানো হয়।দশমীর দিন পরিবারের ৯ মহিলা সদস্যা মাকে বরণ করেন। তারপরই বাড়ি লাগায়ো পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়।’

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

অক্ষয় তৃতীয়ায় জন্মগ্রহণকারী শিশুদের কেন ভাগ্যবান বলে জানেন?

মৃত্যু কি শেষ, নাকি নতুন যাত্রার শুরু? কী বলছে আধ্যাত্মিক ব্যাখা

নীরব বিপদ ‘ফ্যাটি লিভার’ আক্রান্ত হতে পারে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ

পয়লা বৈশাখে সহজ রেসিপিতেই জমুক ভুরিভোজ, ট্রাই করুন এই স্পেশাল পদ

পয়লা বৈশাখে সারাদিন বাইরে? ত্বককে রক্ষা করতে মেনে চলুন ঘরোয়া টিপস

ছারপোকার উপদ্রবে নাজেহাল? এই ৫ সহজ উপায় অবলম্বন করলেই কেল্লাফতে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ