দোকানে রাখা মমতার ছবি নিয়ে বিড়ম্বনায় পাহাড়-ডুয়ার্সের দোকানিরা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখনই পাহাড়ে যেতেন তখনই কিছু না কিছু করে চর্চায় থাকতেন। কখনও তাঁকে দেখা গিয়েছে চায়ের দোকানে ঢুকে চা তৈরি করতে। কখনও মোমো বা তেলেভাজা বানাতে। যে দোকানগুলিতে তিনি যেতেন স্বাভাবিক ভাবেই সেই দোকানদার এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠতেন। কেউ কেউ আবার স্মৃতি হিসেবে রেখে দিতেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের ছবি। তবে ৪ মে ভোটের ফল প্রকাশের পর সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। যারা স্মৃতি হিসেবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তোলা ছবি দোকানে রেখেছিলেন তাঁরাই এখন পড়েছেন মহা বিড়ম্বনায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টিলাবাড়ির এক আদিবাসী যুবক জানিয়েছেন তাঁর দোকানেও রাখা আছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ছবি। সেটাই সরিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর উপর চাপ আসছে নিজের বাড়ি ও বাইরে থেকে। তাঁর দোকানে গিয়ে একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন তাঁকে দোতলা বাড়ি করে দেওয়া হবে। তবে সেটা শুধু কথার কথাই রয়ে গিয়েছে। পাকা বাড়ি আর ভাগ্যে জোটেনি। বিষয়টি অনেকটা সেই ‘আমার কথাটি ফুরালো, নটে গাছটি মুড়োলোর’ মতো। আর এই বিষয় নিয়ে এখন তাঁর স্ত্রী খোটা দেন বলেও জানিয়েছেন ওই যুবক। ছবি প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘মমতার সঙ্গে তোলা ছবি এখনও দোকানে রয়েছে, কিন্তু ঘরে বাইরের চাপে কতদিন আর রাখতে পারব বুঝতে পারছি না।’ 

চালসা পাহাড়ের উপরে মেটেলি যাওয়ার পথে ২০২৩ সালের ২৬ জুন ধনমায়া লামার দোকানে আচমকা দাঁড়িয়েছিলেন মমতা। কীভাবে মোমো বানাতে হয় তা শিখেই দ্রুত কয়েকটা মোমোও তৈরি করেছিলেন। যা ভাইরাল হয়েছিল। সেই দিনের ঘটনার কথা মনে করে ধনমায়া লামা বলেছেন, ‘সেই সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার পাশে দাঁড়িয়ে মোমোর ব্যবসা নিয়ে অনেক কিছু বলেছিলেন। সেই ছবি আমার দেওয়ালে আজও টাঙানো রয়েছে। কিন্তু কতদিন রাখতে পারব জানি না।’ তাঁর কথায় ‘এই ছবি দোকানে থাকলে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি, পরিচিতরা অনেকে আমাকে সতর্ক করেছেন।’

মঙ্গলবাড়ি বাজার এলাকায় দীনবন্ধু রায়ের ছোট্ট চায়ের দোকান রয়েছে। ২০২৪ সালের ৩ এপ্রিল বিকেলে   কনভয় থামিয়ে মমতা দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর দোকানে।  নিজেই চা বানান।  সেই দীনবন্ধু এখন বলছেন, ‘দল আসে, দল যায়। মুখ্যমন্ত্রী যে এসেছিলেন সেটা পরবর্তী প্রজন্মকে জানাতে আমার সঙ্গে তাঁর তোলা ছবি দোকানে টাঙিয়ে রেখেছি। এখন ভয় হচ্ছে কারণ, আমার দোকান রাস্তার ধারে পূর্ত দপ্তরের জমিতে। ওই ছবি সরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেকে আমাকে সতর্ক করেছে।’ গব্বর পাসোয়ান নামের  আরেক ব্যক্তির চায়ের দোকান রয়েছে নিউ মাল এলাকায় জাতীয় সড়কের ধারে। ২০১৮ সালে তাঁর দোকানে পা রেখেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও তিনি সেই সময়ের ছবি দোকানে রাখেননি। গব্বরের কথায়, ‘আমরা আদার ব্যাপারী। জাহাজের খবর জেনে কী হবে। রাজা আসে রাজা যায়। মাঝখানে যত কষ্ট শুধু প্রজাদের।’

গরমের দাপটের মাঝেই বদলাবে আবহাওয়া, বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যজুড়ে

বিশ্বাস, ইতিহাস ও ভ্রমণের এক অনন্য মেলবন্ধন, ঘুরে আসুন দেবভূমি হরিদ্বার

আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা, শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইজরায়েল-লেবানন

৬০০০ mAh ব্যাটারি, 120Hz ডিসপ্লে! কম দামে নতুন চমক নিয়ে হাজির HMD Vibe 2 5G

সাইবারডেক, Gen Z-র নতুন টেক ফ্যাশন নাকি ভবিষ্যতের কম্পিউটিং সিস্টেম?

চিনি পুরোপুরি ছাড়তে হবে না! রক্তে শর্করার ওঠানামা এড়াতে সহজ উপায় জানালেন চিকিৎসকরা

বিহারের হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একাধিক রোগীর মৃত্যু

একটি পাকা চুল তুললে কি আরও বেশি চুল পাকে? জানুন আসল সত্য

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেইনির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প

আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনে ‘বোন’ রেহানার অনুসারীদের বাদ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

দোকানে রাখা মমতার ছবি নিয়ে বিড়ম্বনায় পাহাড়-ডুয়ার্সের দোকানিরা

দীর্ঘ বিরতির পর খুলল ইউনেস্কো স্বীকৃত ‘ফুলের উপত্যকা’, পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ল

গ্রীষ্মের মরশুমে নতুন ট্রেন্ড, আমের স্বাদে বিয়ারে মাতছে সকলে

সকালে বা সন্ধ্যায় কোন ধরনের চা খেলে মিলবে উপকার, কি বলছেন পুষ্টিবিদরা ?