আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনে ‘বোন’ রেহানার অনুসারীদের বাদ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: শেখ হাসিনা জমানায় কোনও পদে না থেকেও অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন শেখ মুজিবের ছোট কন্যা শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধুর কন্যা হওয়ার পুরো ফায়দা তুলে সমান্তরাল সরকার চালানোর অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। গত ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট সেনা বিদ্রোহের মুখে দিদি হাসিনার সঙ্গে একই বিমানে দিল্লি পালিয়ে গিয়েছিলেন শেখ রেহানা। কিন্তু ইদানিং দুই বোনের মধ্যে নাকি আর তেমন সদ্ভাব নেই। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাই তেমনটা দাবি করেছেন। এমনকি আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে শেখ রেহানার অনুসারীদের ছাঁটাই করে শেখ হাসিনা নিজের অনুগামীদের গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘দীর্ঘদিন ধরেই শেখ রেহানা ও তার দেওর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক আওয়ামী লীগ ও সরকারের মধ্যে একটি প্রভাবশালী বলয় গড়ে তুলেছিলেন। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক, উপদেষ্টা পদ, বেসামরিক প্রশাসন, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে এই গোষ্ঠী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাড়ে ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে বড় বড় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রেহানার এই বলয়কে কেন্দ্র করে সক্রিয় ও অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠেন।বিভিন্ন পদে নিয়োগ এবং বদলির পিছনে বিপুল আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও দলের ভেতরে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল।’

সম্প্রতি শেখ হাসিনা বিদেশে অবস্থানরত তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগী ও প্রাক্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্য ও ব্যর্থতা, জনগণের অসন্তোষ এবং দলের পতনের কারণ নিয়ে আলোচনা করছেন। আর তাতেই উঠে এসেছে শেখ রেহানার ঘনিষ্ঠদের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত ও দাদাগিরির কথা। প্রত্যেকেই জানিয়েছেন, ‘দল পুনর্গঠন করতে হলে যারা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং তুলনামূলকভাবে কম বিতর্কিত তাদের নেতৃত্বে তুলে আনতে হবে। বিশেষ করে প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নসরুল হামিদ বিপু, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতের মতো দুর্নীতিবাজদের দল থেকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে হবে।’

দল পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে জনগণের কাছে তুলনামূলকভাবে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা আছে এমন নেতাদের গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদের প্রাক্তন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রাক্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং নারায়ণগঞ্জের প্রাক্তন মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর বিষয়টি ভাবনাচিন্তা করছেন। ভবিষ্যতের রাজনৈতিক আন্দোলন ও কর্মসূচি সফল করতে সংগঠনকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জে তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

বক্সঅফিসে ঝড় তুলেছে ২০ বছরের স্কুল ছাত্রের নির্মিত ‘ব্যাকরুমস’, ৩ দিনেই ১১২৭ কোটি আয়

ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কুয়েতে নিহত ভারতীয়

দোকানে রাখা মমতার ছবি নিয়ে বিড়ম্বনায় পাহাড়-ডুয়ার্সের দোকানিরা

মা হতে চলেছেন ‘কেরালা স্টোরি’-খ্যাত অভিনেত্রী আদা শর্মা, শোরগোল নেটমহলে

২৫ বছর উপলক্ষে ফের মুক্তি পাচ্ছে ‘লগান’, কবে প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে আমিরের ছবি?

মমতার সম্মতির পরেই মেয়র পদে ইস্তফা ফিরহাদ হাকিমের!

দেশের সবচেয়ে ধনী মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসন হাতছাড়া চন্দ্রবাবুর, কে কেড়ে নিলেন?

মমতাকে দলনেত্রী হিসেবে মানতে নারাজ বিদ্রোহী বিধায়করা

আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনে ‘বোন’ রেহানার অনুসারীদের বাদ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ ডি কে শিবকুমারের, হাজির খাড়গে-রাহুল

তৃণমূলে ফাটল আরও চওড়া, শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির ফিরহাদ-কুণাল

সিআইডির পর অভিষেকের দুয়ারে সমন নিয়ে হাজির ED

পুজোর আগে কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অভিষেকের বাড়ি থেকে সব নিরাপত্তা সরিয়ে নিল পুলিশ