Baba Taraknath: তারকেশ্বর মন্দিরে অজানা কাহিনী আপনাকে চমকে দেবে

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায়: বঙ্গদেশে অতি প্রাচীন শিবমন্দির তারকনাথ। ভক্তের ভগবান দেবাদিদেব মহাদেব স্বয়ং এখানে বিরাজমান। হুগলির তারকেশ্বরে বাবা তারকনাথ বিরাজ করছেন রজো ও তমোগুণাশ্রিত হয়ে। এখানে মহেশ্বর শিব মানুষের সকল কামনা বাসনা পূরণ করেন।তাই দূর দূরান্ত থেকে এই মন্দিরে ভক্তের আনাগোনা লেগেই থাকে। বিশেষ করে এই শ্রাবণ মাসের প্রত্যেক দিন, শিবরাত্রি, চৈত্র সংক্রান্তি এবং প্রত্যেক সোমবার  লক্ষাধিক ভক্তপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় এই তারকেশ্বর মন্দিরে। কী  এমন রয়েছে এই প্রাচীন শিব মন্দিরে?

জানা যায়, ১৭২৯ সালে নির্মিত এই তারকনাথ মন্দির একটি আটচালা মন্দির। মন্দিরের সামনে একটি নাটমন্দির আছে। মন্দিরের সন্নিকটেই বর্তমান কালী ও লক্ষ্মী-নারায়ণের মন্দির। শিবমন্দিরের উত্তর দিকে দুধপুকুর নামে একটি পুকুর আছে। কথিত আছে, এই পুকুরে ডুব দিয়ে স্নান করলে নাকি যাবতীয় মনস্কামনা পূর্ণ হয়। শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের অর্ধাঙ্গিনী তথা শ্রী শ্রী মা সারদা দেবীও একাধিকবার এই মন্দিরে পূজা দিতে এসেছিলেন।

প্রাচীন ইতিহাস ঘেঁটে জানা গিয়েছে, ষোড়শ শতাব্দীর শেষ দিকে হুগলি জেলার রামনগর অঞ্চলে বিষ্ণুদাস নামে এক স্থানীয় ক্ষত্রিয় রাজা রাজত্ব করতেন, যাঁর ভাই ভরমল্ল ছিলেন সংসারবিবাগী যোগী। যেখানে বর্তমানে তারকেশ্বরের মন্দির, সেই অঞ্চলেই তখন ছিল তাড়পুরের জঙ্গল। রাজা বিষ্ণুদাসের ভাই ভরমল্ল রোজ ফলমূল ও মধু সংগ্রহ করতে বনে যেতেন। তিনি প্রায়ই লক্ষ্য করতেন একটি বড় কালো রঙের শিলাখণ্ডের ওপর গাভীরা এসে দুধ দিয়ে য়ায়। এই অদ্ভুত ঘটনা তিনি এসে বিষ্ণুদাসকে বললে জঙ্গলে এসে তিনি এই দৃশ্য দেখে শিহরিত হয়ে যান।

ভরমল্ল তখন ওই শিলাস্তম্ভকে শিবলিঙ্গরূপে রামনগরে এনে প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগী হলেন। কিন্তু অনেক মাটি খুঁড়েও পাথরের অন্ত খুঁজে পাওয়া গেল না। জনশ্রুতি, সেইসময় কোনও এক রাতে স্বয়ং মহাদেব ভরমল্লকে স্বপ্ন দেখালেন যে, তিনি তারকেশ্বর শিব। তিনি ওই বন থেকে গয়া ও কাশী পর্যন্ত ছড়িয়ে আছেন। সুতরাং তাঁকে তাড়পুরের জঙ্গল থেকে উচ্ছেদ না করে ওখানেই  প্রতিষ্ঠা করা হোক। এরপর স্বপ্নাদিষ্ট ভরমল্ল ও শৈব  মুকুন্দরাম ঘোষ রাজা বিষ্ণুদাসের সহযোগিতায় বন কেটে পরিষ্কার করে তাড়পুরেই সেই পাথরের স্তম্ভের উপর একটি মন্দির নির্মাণে ব্রতী হন। সে সময় মুকুন্দ ঘোষকে তারকেশ্বর শিবের সেবা পুজো করবার দায়ভার অর্পণ করা হয়। জানা যায়, তিনিই ছিলেন তারকনাথের প্রথম সেবক।

এরপর রাজা বিষ্ণুদাসের মৃত্যুর পর রাজা হন ভরমল্ল। এরপর ১৭২৯ খ্রিস্টাব্দে রাজা ভরমল্ল তারকেশ্বর মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন। বাবা তারকনাথ “বাবা তারকেশ্বর” বা “বাবা তারকেশ্বরনাথ” নামেও পরিচিত। তিনিই ভগবতী তারার স্বামী। প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে এখানে অগণিত পুণ্যার্থীর ঢল নামে।  এমনকি অত্যধিক ভক্ত সমাগমের জন্য পূর্ব রেলের পক্ষ থেকেও বাড়তি ট্রেন পরিষেবা চালানো হয়।

চারা কিনতে হবে না! রান্নাঘরের জিনিস দিয়েই ফলবে নতুন গাছ, রইল সহজ উপায়

কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাবেন, কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদে পড়বেন……

ঋতুস্রাবের আগে মিষ্টি দেখলেই জিভে জল! কেন এমন হয় জানেন?

হেয়ার কালার দ্রুত ফিকে হয়ে যাচ্ছে? চুলে রং ধরে রাখতে মেনে চলুন এই নিয়ম

পিরিয়ডের অনিয়ম ও ব্রনের সমস্যা! হতে পারে PMOS-এর লক্ষণ

শিলিগুড়িতে ১০০ কেজি সোনার গয়নায় সাজবেন মা দুর্গা, বড় চমক কোন পুজো কমিটির?

গরম ভাতের সঙ্গে নুন মেখে খান? জানেন অজান্তে শরীরের কতটা মারাত্মক ক্ষতি করছেন!

‘ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেব না’, রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় হুঙ্কার ট্রাম্পের

উলটপুরাণ! রাজস্থানের নাগৌরে উপপুরপ্রধান পদে বিজেপি কাউন্সিলরদের সমর্থনে জয়ী নির্দল মুসলিম প্রার্থী

তেণ্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে দিলেন জো রুট, নাম লেখালেন তেইশ হাজারি ক্লাবে

দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে জাতীয় পুরস্কার নিলেন কার্তিক-মাম্মুটি-রণদীপরা

থামল গতির ঝড়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তারকা ফাস্ট বোলার

মোথাবাড়িতে বিচারকদের উপর হামলাকাণ্ডে সাবিনা ইয়াসমিনকে তলব এনআইএ-র

কোচবিহারে পর্যটক টানতে বিশেষ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর