আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

প্রচণ্ড রেগে গিয়ে সূর্যদেবের শিরশ্ছেদ করেছিলেন মহাদেব, জানেন কী রহস্যে ঘেরা সেই কাহিনী

courtesy google

নিজস্ব প্রতিনিধি : সূর্যদেব হল সমস্ত প্রানশক্তির আধার। দেবতাদের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী দেবতা হলেন সূর্যদেব। তিনি এতটাই শক্তিশালী যে তাঁর পুত্র তথা ন্যায়ের দেবতা শনিকেও আক্রমণ করে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন। বলা হয় ভগবান ইন্দ্রের চেয়েও শক্তিশালী হল সূর্যদেব। তার তেজে ঝলসে যায় বিশ্বব্রহ্মান্ড। আজ হল রবিবার, এইদিন সূর্যদেবের অত্যন্ত প্রিয় দিন। মনে করা হয় এইদিন ভক্তিভরে সূর্যদেবের আরাধনা করলে ভক্তের ডাকে সাড়া দেন তিনি। আপনি কী জানেন একবার দেবাদিদেব মহাদেবের ত্রিশুলের আঘাতে শিরশ্ছেদ হয়েছিল সূর্যদেবের। জানেন কী মালী-সুমালী রাক্ষসের কাহিনী ? কেনই বা মহাদেব শিরশ্ছেদ করেছিলেন সূর্যদেবের ?

বৈবর্ত্য পুরাণ মতে, একদা মালী ও সুমালী নামে দুই রাক্ষস ছিল। কিন্তু তারা দুজনেই ছিল ঘোর শিবভক্ত। একদিন তাঁরা মহাদেবের স্মরণে এসে সূর্যদেবের নামে সমালোচনা শুরু করেন। তাদের দাবি ছিল, স্বরাশিতে সূর্যের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে তাদের শারীরিক কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। তাঁরা দুজনেই চেয়েছিল মহাদেব যাতে সূর্যকে বুঝিয়ে তাদের শারীরিক কষ্ট কম করেন।

এরপরই মহাদেব গেলেন সূর্যদেবের কাছে। সূর্যদেব অত্যন্ত অহংকারের সঙ্গে বলেন, ‘মালী-সুমালী শিব ভক্ত হলেও তাঁরা নিষ্ঠুর রাক্ষস। তাঁদের নিজের অপরাধের জন্য ফল তো ভোগ করতেই হবে। নিয়ম অনুযায়ী সূর্য নিজের স্বাভাবিক গতিতেই রাশি পরিবর্তন করে থাকেন, তাই তিনি মহাদেবকে বিশেষ কোনও সাহায্য করতে পারবেন না।’ এতে মহাদেব ক্ষুব্ধ হয়ে ত্রিশুল ছুঁড়ে দেন সূর্যের দিকে। এতে শিরশ্ছেদ হয় সূর্যের। এরপরই পৃথিবীতে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। এদিকে সূর্যের পিতা কাশ্যপ নিজের ছেলের মাথা কাটা দেখে দুঃখিত হন। কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তবে সেইসঙ্গে রেগেও যান তিনি। রেগে গিয়ে স্বয়ং শিবকে অভিশাপ দিয়ে বসেন। তিনি বলেন, ‘যেভাবে শিব তার ছেলেকে কেড়ে নিয়েছে, এবং এই পুত্র হারানোর যন্ত্রণা সহ্য করতে হচ্ছে তাঁকে। একইভাবে একদিন মহাদেব তার নিজ পুত্রের শিরশ্ছেদ করবেন এবং এই যন্ত্রণা ভোগ করবেন।’ এরপর মহাদেব শান্ত হন। একজন পিতার কষ্ট দেখে তিনি কষ্ট পান। এদিকে তখন সমস্ত দেবতা শিবকে বলেন যে, সূর্যদেবের অনুপস্থিতিতে সমগ্র পৃথিবী অন্ধকার হয়ে গিয়েছে।এর ফলে পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টি হবে না। এর পরই সূর্যের শীতল হয়ে যাওয়া শরীরকে জীবিত করে তোলেন তিনি।

আরও পড়ুন : কোন ৫ কাজ করলে রেগে যান মহাদেব ?

ঋষি কাশ্যপ নিজের পুত্র সূর্যকে ফিরে পেয়ে খুশি হলেন। অন্যদিকে পুনরায় প্রাণ ফিরে পেয়ে শিবের কাছে ক্ষমা চাইলেন সূর্যদেব। পরে তাঁর পিতাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললেন। সব শুনে ঋষি কাশ্যপ শিবকে দেওয়া অভিশাপ নিয়ে ব্যথিত হন। কিন্তু তিনি জানান যে, এই অভিশাপ তিনি ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। তবে এর সমাধান বাতলে দিতে পারবেন। তখন মহাদেব সমাধান জানতে চাইলে ঋষি কাশ্যপ বলে ওঠেন, যেভাবে মহাদেব তাঁর পুত্রের প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছেন, তেমনই শিবও নিজের সন্তানকে জীবিত করতে পারবেন। কিন্তু তাঁর রুপ হবে ভিন্ন। পৃথক স্বরূপের কারণে ঘরে ঘরে তাঁর পুত্রের পুজো হবে ঘরে ঘরে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো

উজ্জয়নের মহাকাল মন্দির চত্বর খুঁড়তেই মিলল একবিংশ শতাব্দীর বিশাল শিবলিঙ্গ

মদ্যপান করে বিধানসভায়? মুখ্যমন্ত্রীর ‘কীর্তি’ নিয়ে ব্যাপক শোরগোল, দেখুন ভিডিও

গরমে হাঁসফাঁস পোষ্যও! স্বস্তি দিতে মেনুতে রাখুন এই খাবারগুলি

শপিং মলে ঢুকে মহিলাদের অন্তর্বাস নিয়ে যা করলেন পুলিশ কর্মী.., গা ঘিন ঘিন করে উঠবে

মাত্র ২৯৯ টাকায় একাধিক ওটিটি সাবস্ক্রিপশনের অফার? ফাঁদে পা দিলেই ফাঁকা হবে অ্যাকাউন্ট

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ