আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

পুজোর মুখেই চেঙ্গাইলে বন্ধ হল জুটমিল, কাজ হারালেন ৭ হাজার শ্রমিক

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: শ্রমিক অসন্তোষের কারণে পুজোর মুখে বন্ধ হয়ে গেল হাওড়া জেলার(Howrah District) একটি জুটমিল। ঘটনাটি ঘটেছে উলুবেড়িয়া মহকুমার চেঙ্গাইল(Chengail) এলাকায়। সেখানকার ল্যাডলো জুট মিল(Ludlow Jute Mill) কর্তৃপক্ষ এদিন অর্থাৎ শুক্রবার সকালে কারখানার গেটে Suspension of Work Notice ঝুলিয়ে দিয়েছে। আর তার জেরে এদিন সকাল থেকেই কারখানায় আর ঢুকতে পারছেন না কোনও শ্রমিক থেকে আধিকারিকেরা। কার্যত উৎসব শুরুর আগেই আঁধার নেমে এল এই জুটমিলে কর্মরত ৭ হাজার মানুষের(7 Thousand People Lost Job) জীবন আর সংসারে। উল্লেখ্য, গতকালই হাওড়া শহরের দাসনগর এলাকায় থাকা ভারত জুটমিল বন্ধ হওয়ার খবর আসে। সেই ঘটনায় ৬০০জন শ্রমিক কাজ হারিয়েছিলেন। আর এদিনের ঘটনায় তো একলপ্তে ৭ হাজার শ্রমিক কাজ হারালেন।

আরও পড়ুন, বারুইপুরের রেল কোয়ার্টারে নাবালিকাকে ধর্ষণ, গ্রেফতার রেলকর্মী

জানা গিয়েছে, পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল চেঙ্গাইলের ল্যাডলো জুট মিল চত্বর। দুপুর ২ টোর সময় কাজে আসা শ্রমিকরা বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। অভিযোগ, বিক্ষোভ চলাকালীন মিলের একাধিক অফিস, কম্পিউটার, ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ। পুলিশের হস্তক্ষেপে দীর্ঘক্ষণ পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগ তোলেন মিল মালিক কর্তৃপক্ষ। সেই অভিযোগকে সামনে রেখেই এদিন সকাল জুটমিলের গেটে Suspension of Work নোটিস দেওয়া হয়। এ দিন সকালে কাজে যোগ দিতে এসে এই নোটিস দেখে কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন শ্রমিকরা। তাঁদের অভিযোগ, মাসখানেক আগে মিলের মালিকানা বদল হয়েছে। তারপর থেকেই কাজের চাপ বাড়ানো হয়েছিল। পাশাপাশি বোনাস নিয়ে টালবাহানা শুরু করেন মিল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন, Biomedical Waste কেলেঙ্কারি নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনে চিঠি CBI’র

মিলের শ্রমিকরা জানান, গত বছর পর্যন্ত পুজোর বোনাস নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি। মালিকানা বদলের পরে বোনাস নিয়ে টালবাহানা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে দাসনগরের ঘটনায় ভারত জুটমিলটি কার্যত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওই জুটমিলে উৎপাদন সীমিত হলেও দু’টি শিফটেই নিয়মিত কাজ চলছিল। সেখানকার শ্রমিকদের অভিযোগ, প্রত্যেককে দু’টি লুমের বদলে চারটি করে লুম চালানোর জন্য জোর করা হচ্ছিল। পাশাপাশি প্রতি মাসে দেরিতে বেতন হচ্ছিল কর্মীদের। এর প্রতিবাদ করতেই কারখানা কর্তৃপক্ষ মিল বন্ধ করে দিয়েছে। তবে নবান্ন সূত্রে খবর মিলেছে, দুটি মিলের ক্ষেত্রেই হস্তক্ষেপ করতে পারে রাজ্য সরকার। কেননা রাজ্য সরকার কখনই চালু কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষেও নয়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

শূন্যের গেরো কি কাটবে?‌ আলিমুদ্দিনে চলছে জোরদার হিসেবনিকেশ, সমীক্ষা মানতে নারাজ

‘বুথফেরত সমীক্ষা নিয়ে উচ্ছ্বসিত হওয়ার কিছু নেই’, বিজেপি কর্মীদের সতর্ক করলেন তথাগত

ISC-তে প্রথম হয়েছেন বাংলার মেয়ে অনুষ্কা, প্রাপ্ত নম্বর ৪০০

চিপসের লোভ দেখিয়ে নাবালিকাদের শ্লীলতাহানি এবং ধর্ষণ! পাকড়াও অভিযুক্ত

ভুট্টা খেতে উদ্ধার বৃদ্ধের নলিকাটা দেহ! খুনের অভিযোগ পরিবারের

আজ জগন্নাথধামের বর্ষপূর্তি, এলাহি আয়োজনে শুরু অনুষ্ঠান, কী থাকছে দিঘায়?‌

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ