এই মুহূর্তে

সব ষড়যন্ত্র, আমি নির্দোষ! আবারও দাবি আনারুলের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বীরভূম জেলার রামপুরহাট থানার বকটুই(Boktui) গ্রামে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখের খুনের ঘটনায় শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। আর এদিনেই বকটুইয়ের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেন(Anarul Hossain) দাবি করলেন সংবাদমাধ্যমের কাছে যে, তিনি নির্দোষ। তাঁর বিরুদ্ধে নাকি ষড়যন্ত্র হয়েছে। তাঁকে পদ থেকে সরাবার জন্যই নাকি এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। নাম না করলেও তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন সেই ষড়যন্ত্রের হোতা বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata Mondol) যিনি নিজেই এখন সিবিআইয়ের(CBI) জিজ্ঞাসাবাদ এড়ানোর জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন। অন্তত বিরোধী পক্ষের তেমনটাই দাবি।

ভাদু শেখ খুন হওয়ার এক ঘন্টার মধ্যেই হামলার ঘটনা ঘটেছিল বকটুই গ্রামে। আর সেই হামলার শিকার হয়েছেন শিশু ও মহিলা সহ মোট ৯জন নিরীহ গ্রামবাসী। সেই ঘটনার জেরে প্রথম থেকেই নিহতদের পরিজনেরা অভিযোগ তুলে আসছিলেন যে আনারুলের নির্দেশেই গোটা ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তাঁর ফোন পেয়েই পুলিশ সময়মতো গ্রামে আসেনি। এলে ওই ৯জন গ্রামবাসীকে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারাতে হত না। মুখ্যমন্ত্রী বকটুই গ্রামে নিহতদের পরিজনদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুলিশকে(Police) নির্দেশ দিয়েছিলেন, আনারুল আত্মসমর্পণ না করলে তাঁকে যেন গ্রেফতার করা হয়। বস্তুত মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশের জেরেই সেদিনই কয়েক ঘন্টার মধ্যে তারাপীঠের একটি হোটেল থেকে আনারুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও সেই সময় তাঁর পরিবার ও অনুগামীদের তরফে দাবি করা হয়েছিল, আনারুল নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। আর সেই কাজ করেছেন অনুব্রত মণ্ডল। কার্যত সেই সময় থেকেই আনারুল ছিলেন পুলিশের হেফাজতে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো সিবিআই বকটুইয়ের ঘটনার তদন্ত শুরু করলে আনারুলকে নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই।

এদিন সিবিআইয়ের একটি দল আনারুলকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করে। সেখানেই সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের আনারুল বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। যারা টিভিতে চিৎকার চেঁচামেচি করছে, নানান দাবি করছে তাঁরাই আমাকে ফাঁসিয়েছে। তবে বিচার ব্যাবস্থার ওপর আমার বিশ্বাস আছে, দিদির প্রতিও আস্থা আছে। সুবিচার নিশ্চয়ই পাব।’ জানা গিয়েছে আনারুলকে আর নিজেদের হেফাজতে রাখতে চাইছেন না সিবিআই আধিকারিকেরা। তাঁরা আনারুলকে পুলিশের হাতেই তুলে দিতে চান। তবে তাঁর পলিগ্রাফ টেস্টের জন্য এদিন রামপুরহাট মহকুমা আদালতে আবেদন জানিয়েছে সিবিআই। উল্লেখ্য, আনারুলের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত পুলিশ ১১টি জামিনঅযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে। খুন ছাড়াও বেআইনি জমায়েত, খুনের চেষ্টা, ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারা, লুটতরাজ, রাতের বেলায় ঘরে আগুন লাগানো ইত্যাদি ধারায় মামলা করা হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নববর্ষে মাছ রান্না করে কর্মীদের মুখে তুলে দিলেন ‘‌মিত্র’‌ মদন, কামারহাটি জমজমাট

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহযোগে জনসংযোগ তৃণমূল প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামীর

ভোটমুখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের রহস্যমৃত্যু! ব্যাপক শোরগোল ফলতায়

‘বুকের পাটা থাকলে ৪ তারিখ থাকবেন, দেখা হবে’, অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের  

ম্যান্ডারিন ভাষায় প্রচার তৃণমূল কংগ্রেসের, চিনা ভোট টানতেই অভিনব পদক্ষেপ

‘এবার রেকর্ড ভোটে জিতব’, নববর্ষে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে বললেন বলরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ