আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তের চাকরির মেয়াদ ৬ মাস বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তের চাকরির মেয়াদ ৬ মাস বৃদ্ধি করল কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাঁর আগামী ৩০ এপ্রিল অবসরের কথা ছিল। কিন্তু তাঁর চাকরির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়ে দিল শাহের দফতর। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে এই নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই পশ্চিমবঙ্গের ডিজি বদল করেছিল কমিশন। ডিজিপি পদ থেকে পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় নতুন ডিজিপি করা হয়েছিল সিদ্ধিনাথ গুপ্তকে। সেই সঙ্গেই বদল করা হয়েছিল কলকাতা পুলিশ কমিশনার, রাজ্যের এডিজি এবং ডিজি (কারা) পদের আধিকারিকদের। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকেও বদলি করেছিল কমিশন। মুখ্যসচিব পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় নিয়োগ করা হয় দুষ্মন্তকে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকে সরিয়ে নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয় সংঘমিত্রা ঘোষকে। এরপরেও এক ঝাঁক পুলিশ আধিকারিকদের বদলি করে কমিশন।

১৯৯২ ব্যাচের আইপিএস সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। হিসেবমতো আগামী ৩০ এপ্রিল তাঁর অবসরের কথা ছিল। কিন্তু এক্ষুনি অবসর নিচ্ছেন না তিনি। তাঁর চাকরির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটির সচিবালয় বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সিদ্ধিনাথের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই প্রস্তাবে সম্মতি মিলতেই জনস্বার্থে ১৯৫৮ সালের অল ইন্ডিয়া সার্ভিস (Death cum Retirement benefits) আইনের বিধানে সিদ্ধিনাথের চাকরির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হল। সোমবার রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার কাছে চিঠি দিয়ে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

এই রদবদল প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, রাজ্যে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করাতেই আমলা এবং পুলিশস্তরে রদবদল করা হয়েছে। প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশের কাছাকাছি। মোটের উপরে সেই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও গন্ডগোলের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কোথাও কোনও মৃত্যুর খবর নেই। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগেই ডিজিপি সিদ্ধিনাথের চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। রবিবার (২৬ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকেই শুরু হয়েছে রদবদল। রাজ্যের বেশ কয়েকজন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছে। এমনকি কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের আর নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে নিয়োগ করা হবেনা। তবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের এত সক্রিয়তা কেন, এখন তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মাঝরাতে তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে তল্লাশির নামে মহিলাদের সঙ্গে ‘অশালীন’ ব্যবহার, কাঠগোড়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

জগদ্দলে বিজেপি বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে বোমা – গুলি চালাচ্ছে, মন্তব্য ফিরহাদের

গরমের হাত থেকে পড়ুয়াদের বাঁচাতে ১ মে থেকেই টানা ছুটি রাজ্যের সব স্কুলে

কংগ্রেস ছাড়া বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই সম্ভব নয়, মমতাকে বার্তা কানহাইয়া কুমারের

নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত পুলিশ লেখা গাড়িতে BJP-র পতাকা, শুরু রাজনৈতিক তরজা

ভোট দিতে দলে দলে বাড়ি ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা, কাটোয়া স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ