চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌বাঘিনীর মতো লড়ছেন, দিদিরই জেতা উচিত’‌, সমর্থন উদ্ধবের, ফোন কেজরিওয়ালের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট বাংলায়। আর তার আগে নয়া সমীকরণ দেখল বঙ্গ রাজনীতি। কারণ বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের আগেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করলেন উদ্ধব ঠাকরে। আর তৃণমূলনেত্রীকে ফোন করলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচারে এসেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল আজ, বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করার পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সে কথা নিজেই জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে কদিন আগে নির্বাচনী জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগে বলেছিলেন, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন—অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন, উদ্ধব ঠাকরে, তেজস্বী যাদব এবং অখিলেশ যাদব। এবার সেটাই যেন প্রমাণ হল। আর আজ, বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ালেন ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা। শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে সমর্থন করে বলেন, ‘‌মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় বাঘিনীর মতো লড়ছেন। দিদিরই জেতা উচিত।’‌ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করার পরে কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসের সুরেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন কেজরিওয়াল।

অন্যদিকে বাংলার নির্বাচনে কংগ্রেস এবং বামেরা ছাড়া ইন্ডিয়া জোটের সব শরিক দলই তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়াল বারবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন করেছেন। অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদবরা তৃণমূল সুপ্রিমোর হয়ে সুর চড়িয়েছেন। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেন সরাসরি বাংলায় এসে প্রচার করেছেন। এবার উদ্ধব ঠাকরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের হয়ে সুর সপ্তমে তুললেন। মহারাষ্ট্র থেকে উদ্ধব বলেছেন, ‘‌বাংলার বাঘিনী একাই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে। দিদিই জিতবেন। এখানে আইনশৃঙ্খলার বেহাল দশা। এখানে প্রকাশ্যে মাদক পাওয়া যাচ্ছে। স্বঘোষিত ধর্মগুরুরা র‌্যাকেট চালাচ্ছে। আর মুখ্যমন্ত্রী বাংলায় যাচ্ছেন প্রচার করতে।’‌

এছাড়া লোকসভার আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ চালুর কেন্দ্রীয় উদ্যোগ বিরোধী দলগুলি একজোট হয়ে ভেস্তে যায় গত সপ্তাহে। এই আবহে বিরোধী জোটের অন্দরে কেজরিওয়ালের এই তৎপরতা বৃদ্ধি ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে অনেকে মনে করছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় কেজরিওয়াল লিখেছেন, ‘‌এইমাত্র ফোনে মমতাদিদির সঙ্গে কথা বললাম। সম্পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন প্রকাশ করেছি। তিনি সবচেয়ে কঠিন লড়াইগুলির একটি লড়ছেন, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্যও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াইগুলির একটি। নির্বাচন কমিশন–সহ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের অপব্যবহার করেও মোদিজি হারবেন।’‌ আর উদ্ধব ঠাকরের কথায়, ‘‌বাংলায় ২০ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে জেতার চেষ্টা করছে। এরপর জিতে গেলে কৃতিত্ব দাবি করবে বিজেপি। মণিপুরে জাতিদাঙ্গা রোখার জন্য ৫০ হাজার বাহিনীও ছিল না।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ইডি সিবিআইয়ের দরজায় তালা দিয়ে দিন, ফের বিস্ফোরক শমীক

ফোন কোনওভাবেই ‘সুইচড অফ’ রাখা যাবে না, অফিসারদের নয়া নির্দেশ কমিশনের

‘প্রিভেন্টিভ ডিটেনশনের কোনও পরিস্থিতি নেই’, ৮০০ কর্মী গ্রেফতারের মামলার রায় স্থগিত

‘মণিপুরে সাঁজোয়া গাড়ি পাঠাও’, মোদি-শাহকে তুলোধনা মমতার

বৃষ্টি নাকি ভ্যাপসা গরম? ভোটের লাইনে দাঁড়ানোর আগে জানুন কেমন থাকবে আবহাওয়া

মাত্র ৩০ বছরেই সব শেষ! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ