আসানসোল দক্ষিণ: দখল রাখতে মরিয়া বিজেপি, দুর্গ পুনুরুদ্ধার লক্ষ্য তৃণমূলের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলার একটি সাধারণ বিধানসভা কেন্দ্র—আসানসোল দক্ষিণ। এটি আসানসোল লোকসভা আসনের অধীনে সাতটি বিধানসভার মধ্যে একটি। ২০০৮ সালে সীমানা নির্ধারণ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, আসানসোল বিধানসভা আসনটিকে আসানসোল দক্ষিণ এবং আসানসোল উত্তরে বিভক্ত করেছিল। এটি আসানসোল পৌর কর্পোরেশনের ২২টি ওয়ার্ড এবং রানিগঞ্জ কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এই বিধানসভা কেন্দ্র আগেও নজরকাড়া ছিল এবং এবারও নজরকাড়া থাকবে। সুতরাং টাফ ফাইট দেখা দেবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে।

এই বিধানসভা আসনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনটি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। প্রথম দুটি নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ এবং ২০১৬ দুটি বিধানসভা নির্বাচনেই জয়লাভ করেন। ২০১১ সালে তৃণমূল প্রার্থী তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের অলোক কুমার মুখোপাধ্যায়কে ২৮,৫৪১ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। আর ২০১৬ সালে তৃণমূল প্রার্থী তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের হেমন্ত প্রভাকরকে ১৪,২৮৩ ভোটের কম ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। তবে ২০২১ সালে, তৃণমূল কংগ্রেস তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়কে রানিগঞ্জ আসনে পাঠিয়ে দেয় এবং আসানসোল দক্ষিণে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে প্রার্থী করে। আর বিজেপি প্রার্থী করে অগ্নিমিত্রা পালকে। একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হয়ে এখানে ৪,৪৮৭ ভোটে আসনটি জিতেছিলেন। এই আসনে বিজেপির এটা প্রথম জয়।

তবে এখানে অর্থাৎ আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা জিতে সাংসদ হন। হেরে যায় বিজেপি প্রার্থী। সুতরাং এবারের বিধানসভা নির্বাচনে টানটান লড়াই দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আসানসোল দক্ষিণে ২,৭৪,২৪৫ জন নথিভুক্ত ভোটার ছিলেন, যা ২০১৯ সালে ২৫৮,২২৩ এবং ২০১৬ সালে ২৪৭,৩৬৬ জন ছিল। এবার এসআইআর পর্বে এই বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষজন ব্যাপক হয়রানি এবং হেনস্থার শিকার হয়েছেন। তার ফলে একটা নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়েছে মানুষের মনে বিজেপির বিরুদ্ধে।

আসানসোল শহর, যা এই নির্বাচনী এলাকার মূল কেন্দ্র, কলকাতার পরে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর। এটি রাজ্যের পশ্চিম অংশে ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত। বন ও কয়লা সমৃদ্ধ জমির এক টুকরো হচ্ছে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র। দামোদর নদী কাছাকাছি প্রবাহিত হয়। যদিও শিল্প ব্যবহার এবং দূষণের কারণে সেচের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা সীমিত। এই অঞ্চলটি ভারতের প্রাচীনতম কয়লা খনির অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি। আর রানিগঞ্জ কয়লা ক্ষেত্রের অংশ। ইস্পাত এবং রেল শিল্পের সঙ্গে খনিজ সম্পদ স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড গঠন করেছে। এই কেন্দ্রটি ঘিরে রয়েছে দুর্গাপুর, রানিগঞ্জ, জামুরিয়া এবং বর্ধমান।

বিশ্বমঞ্চে ঝড় তুলতে প্রস্তুত ভারতে তৈরি Harley-Davidson Sprint 440

ত্রিগ্রহী যোগে ৪ রাশির ভাগ্যবদল, উপচে পড়বে ধনসম্পদ

ধূমপান ছাড়লেও শেষ রক্ষা নেই? হতে পারে ফুসফুসের ক্যানসার!

ধনতেরাসকে কেন ‘ধন ত্রয়োদশী’ বলা হয়? জানুন এই নামকরণের রহস্য!

বাতের ব্যথায় ওষুধও ব্যর্থ? রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে মিলবে সমাধান!

বৃষ্টি পড়লেই কালীপুজোর মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ, নির্দেশ কলকাতা পুলিশের

রেল প্রকল্পের জন্য বাস্তুহারা হওয়ার আশঙ্কায় সুরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দারা, চাইছেন সমাধান

ঘর থাকবে সতেজ ও দূষণমুক্ত! বাড়িতে লাগান এই ৬টি ইন্ডোর প্ল্যান্ট

‘ভাইপো ভাইপো কেন করছেন? এখনও সময় হয়নি,’ অভিষেকের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

‘নিখুঁতভাবে এসআইআর হলে আরও ৩০ লক্ষ নাম বাদ পড়ত’, দাবি শমীকের

‘প্রতিবাদের নামে কোনও জায়গা দখল করে রাখা যায় না,’ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

চাঁদনি রাতে রূপসী রিশপ, পাইন বনের ছায়ায় কাঞ্চনজঙ্ঘার মায়াবী রূপ!

ধনতেরাসে কেনাকাটার আগে সাবধান! সংসারে অশান্তি এড়াতে ভুলেও ৫ জিনিস আনবেন না ঘরে

বন্ধুকে খুনের পর রোজ স্বপ্নে আসত তার আত্মা, ভয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করল যুবক