বালুরঘাট: প্রেস্টিজের লড়াইয়ে তৃণমূল-বিজেপি, বাজিমাত করবে কে?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বুথস্তরের সংগঠন কার শক্তিশালী?‌ এই প্রশ্ন এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ একদিকে বিজেপি এখানে আত্মতুষ্টিতে রয়েছে। অপরদিকে বুথস্তর সংগঠন শক্তিশালী করতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই বিধানসভা কেন্দ্রের একটা ইতিহাস আছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সদর দফতর বালুরঘাট একটি সাধারণ শ্রেণীর বিধানসভা কেন্দ্র এবং বালুরঘাট লোকসভা আসনের সাতটি বিধানসভার মধ্যে একটি। এই নির্বাচনী এলাকায় বালুরঘাট পৌরসভা, অমৃতখণ্ড, ভাটপাড়া এবং চিংগীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ও সম্পূর্ণ হিলি ব্লক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখানে এখন বিজেপি জিতে রয়েছে। তাই তারা আত্মতুষ্টিতে রয়েছে। সেখানে আসন পুনরুদ্ধারের জন্য জোর লড়াই চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

এই বিধানসভা কেন্দ্রের একটা ইতিহাস রয়েছে। কেন এই কেন্দ্রের নাম বালুরঘাট?‌ এই প্রশ্ন অনেকের মনে আসতে পারে?‌ আত্রেয়ী নদীর তীরে অবস্থিত এই বিধানসভা কেন্দ্র। বালুরঘাটের নামকরণ করা হয়েছে বালুকাময় নদীর তীর থেকে—‘‌বালু’‌ অর্থ বালি এবং ‘‌ঘাট’‌ অর্থ নদীর তীর থেকে। শহরটি প্রাচীন ইতিহাসে সমৃদ্ধ। প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায় যে, এটি একসময় খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীর মধ্যে প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন রাজ্যের অংশ ছিল। বালুরঘাট এবং আশেপাশের অঞ্চল পরবর্তীকালে পাল এবং সেন রাজবংশের শাসন ছিল। ব্রিটিশ শাসনকালেলে, বালুরঘাট একটি প্রশাসনিক কেন্দ্রে পরিণত হয়। বিশেষ করে উন্নত সড়ক ও রেল যোগাযোগের কারণে এটি বাংলার অন্যান্য অংশের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। ১৯৪৭ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে। নতুন সীমান্ত অতিক্রম করার পর অনেক হিন্দু শরণার্থী এখানে থেকে যায়।

এবার এসআইআর পর্বে বহু মানুষের নাম বাদ যায়। আবার হেনস্থা এবং হয়রানির শিকার হয়েছেন বাসিন্দারা। যা নিয়ে বীতশ্রদ্ধ নাগরিকরা। সুতরাং বিজেপির একটা বড় ভোটব্যাঙ্ক হাতছাড়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেটাই ধরতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। তার উপর এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য তেমন কিছু বরাদ্দ হয়নি। তাতেও ক্ষুব্ধ বালুরঘাটবাসী। এই আবহে ১৯৫১ সালে তৈরি হওয়া বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও পর্যন্ত ১৭টি বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। ১৯৫১ থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত এখানে যমজ আসন ছিল। যা প্রথম জিতেছিল কংগ্রেস। তারপরের নির্বাচনে একটি আসন জেতে কংগ্রেস এবং অপরটি জেতে আরএসপি। ১৯৬২ সালে বালুরঘাট একটি বিধানসভা কেন্দ্রে পরিণত হয়। আর তখন থেকে ১৫টি বিধানসভা নির্বাচনে ৯টি টানা জেতে আরএসপি। আর কংগ্রেস তিনবার জিতেছিল।

এরপর থেকে সমীকরণ পাল্টে যায়। এই বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্র একবার জেতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং একবার জেতে বিজেপি। ১৯৭৭ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আরএসপি’‌র নেতা বিশ্বনাথ চৌধুরী সাতবার জিতেছিলেন। ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শঙ্কর চক্রবর্তী হারিয়ে দেন আরএসপির বিশ্বনাথ চৌধুরীকে। কিন্তু ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার জিতে ফেরেন বিশ্বনাথ চৌধুরী। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বালুরঘাট আসনে নয়া চমক দেখা যায়। এখানে জেতেন বিজেপির প্রার্থী অশোক লাহিড়ী। হেরে যান তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শেখর দাশগুপ্ত। আরএসপি’‌কে তারপর থেকে আর সেভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি। কারণ সংগঠন দুর্বল হয়ে যায়। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে জেতেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জেতেন বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তাই এবার বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।

চেন্নাইকে বড় রানের টার্গেট দিল শুভমনের গুজরাত

ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন, মোহনবাগানকে পিছনে ফেলে ২০২৫-২৬ আইএসএল (ISL) চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল

চন্দ্রনাথ রথকে খুনের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার আরও ১

NEET-UG-তে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, সংসদীয় কমিটিকে জানালেন এনটিএ প্রধান

‘গরু কোরবানি ঈদের অংশ নয়,’ পশু জবাইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে মন্তব্য হাইকোর্টের

উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে পরমব্রত-স্বস্তিকার বিরুদ্ধে থানায় FIR দায়ের

প্রতারণার খপ্পরে রণিত রায়, তাঁর নাম ভাঙিয়ে মহিলাদের থেকে টাকা লুট, ভক্তদের সতর্ক

‘কোনও পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ হবে না, সকলে পরিষেবা পাবেন’, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

ডিএ মামলাকারীদের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, কবে হবে সাক্ষাৎ?‌ নবান্নে শুরু প্রস্তুতি

আরজি কর-কাণ্ডের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখতে নতুন সিট গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

সব মাদ্রাসাতে গাইতে হবে ‘বন্দে মাতরম’‌, বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার

ঝাড়গ্রামে পর পর হাতির হানা, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল দু’জনের

মহানন্দা নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল দুই নাবালক

ঐতিহাসিক ম্যাকাঞ্জি পার্ক হল মাফিয়া মুক্ত, বিজেপি বিধায়কের উদ্যোগেই ফিরল স্বস্তি