স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেঝেতে কাতরাতে কাতরাতে মৃত্যু যুবকের! বেড না পাওয়ার অভিযোগে বাঁকুড়ায় বিক্ষোভ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বমি ও পেটের সমস্যায় অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসেছিলেন ৩৬ বছরের এক যুবক। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি না করেই তাঁকে দিনের পর দিন মেঝেতে রেখে চিকিৎসা চালানো হয়। স্যালাইন ও ওষুধ দেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় কোনও পরীক্ষা করা হয়নি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও অন্য হাসপাতালে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। 

জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম শাহ আলম মল্লিক (৩৬)। তিনি মাচাতোড়া এলাকার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের দাবি, প্রায় দু’দিন আগে বমি এবং পেট খারাপের সমস্যা নিয়ে শাহ আলমকে সিমলাপাল ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়েছিল। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি না করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেঝেতেই রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। পরিবারের দাবি, শাহ আলমকে নিয়মিত স্যালাইন ও ওষুধ দেওয়া হলেও তাঁর কোনও প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করা হয়নি। অসুস্থতার কারণ জানার জন্য কী কী পরীক্ষা প্রয়োজন, তা নিয়েও চিকিৎসকদের তরফে কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পরও তাঁকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়নি বলেও দাবি মৃতের পরিজনদের।

আরও পড়ুন: কাঁচা মাছ-মাংসে বিষ নেই তো? সন্ধানে গড়িয়াহাট বাজারে হানা খাদ্য সুরক্ষা দফতরের

যুবকের মৃত্যুর পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের প্রশ্ন, রোগীর অবস্থা যদি হাসপাতালে ভর্তি করার মতো গুরুতর হয়ে থাকে, তাহলে কেন তাঁকে সরকারি ভাবে ভর্তি নেওয়া হল না? প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পরিকাঠামো না থাকলে কেন দ্রুত অন্য হাসপাতালে পাঠানো হল না? আর মৃত্যুর আগে তাঁর কী কী পরীক্ষা করা হয়েছিল? মৃতের বাবা রুকুব উদ্দিন মল্লিকের অভিযোগ, ‘রোগীকে ভর্তি না করে মেঝেতে ফেলে রেখে চিকিৎসা করা হল কেন? প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যদি এখানে সম্ভব না হয়ে থাকে, তাহলে অন্য হাসপাতালে পাঠানো হল না কেন?’ পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, শাহ আলমের মৃত্যুর পর রবিবার রাতেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। এই ঘটনার পর সিমলাপাল ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। রোগীকে কেন ভর্তি করা হয়নি, তাঁর কী ধরনের চিকিৎসা চলছিল, আদৌ কোনও পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি সত্ত্বেও কেন তাঁকে অন্যত্র রেফার করা হয়নি এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনা সম্পর্কে বাঁকুড়ার জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সরেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন