১৫০ বছর আগে শুরু হয়েছিল বাসন্তী পুজো, নেপথ্যের কারণ জানলে অবাক হবেন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : বসন্ত মহামারীর কবল থেকে বাঁচতে ১৫০ বছর আগে বাসন্তী মায়ের আরাধনা শুরু করেছিলেন গ্রামবাসীরা। সেই থেকে আজও পুরোনো আচার বিধি মেনে ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে বাসন্তী মায়ের পুজো করে আসছেন নদীয়াড়া গ্রামের মানুষজন। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত  চলে এই পুজো। উৎসবের চারদিন নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাসন্তী পুজো দেখতে ভিন জেলা এবং ভিন রাজ্য থেকে আসা পুণ্যার্থীদের ঠাসা ভিড় রয়েছে এই নদীয়াড়া গ্রামে। 

কথিত আছে, ১৫০ বছর আগে বসন্ত মহামারির প্রকোপ দেখা দিয়েছিল পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের নদীয়াড়া গ্রাম সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামে । গ্রামবাসীরা আতঙ্কে গ্রামছাড়া হতে শুরু করেছিলেন। সেই সময়ে গ্রামে ঘটছিল নানান অঘটন।  তখনই বাসন্তী মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে এবং এক সন্ন্যাসী বাবার পরামর্শে নদীয়াড়া গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে বাসন্তী মায়ের পুজোর আরাধনা শুরু করেন গ্রামবাসীরা । মায়ের আরাধনার পর রোগমুক্ত হয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। তারপর গ্রামছাড়া মানুষেরাও ধীরে ধীরে গ্রামে ফিরে আসেন। সুস্থ হয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেন গ্রামবাসীরা । সেই সময় থেকে এখনও পুরনো আচার বিধি মেনে বাসন্তী পুজোর আরাধনা করে আসছেন গ্রামবাসীরা । এই পুজো দেখতে ভিন জেলা তো বটেই ভিন রাজ্য থেকেও বহু পুণ্যার্থী এবং দর্শনার্থীরা ভিড় জমান পুজোর চারদিনে । আলাদা উৎসবের চেহারা নেয় গোটা গ্রাম।

আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে দুর্যোগ! বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে সাবধান

পুজোর চারদিনে জনপ্লাবন দেখা যায় গ্রামে। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, শুদ্ধ মনে বাসন্তী মায়ের আরাধনা করলে মনে  ইচ্ছা পূরণ হয় মানুষের । আর তাই বাসন্তী পুজোয় নিজেদের  মনের ইচ্ছা পূরণ করতে ভিড় জমায় সাধারণ মানুষ । বাসন্তী পুজোর চারদিন অর্থাৎ সপ্তমী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত পুজোর পাশাপাশি গ্রামীন যাত্রাপালা, সাংস্কৃতিক এবং ভক্তিমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকে গ্রামে । পুজোর চারদিন গ্রামে কোনরকম আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ থাকে । প্রতি বছরের মতো এবছরও ভক্তি ও শ্রদ্ধার নিয়ে মায়ের আরাধনায় মেতে উঠেছেন নদীয়াড়া গ্রাম সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ ।  

মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির খোঁজ দিলেই মিলবে অস্ত্র, হামিমকে জেরায় পাক চক্রের পর্দাফাঁস

শ্রীলঙ্কা সিরিজে বুমরাহের পরিবর্তে প্রথমবার ভারতীয় দলে এলেন তরুণ বোলার

‘পড়াশোনার জন্য ঋণ নিয়েছিলাম’, উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে আরটিআই কর্মীকে জবাব অভিজিতের

সকাল থেকেই চড়া রোদ, বেলা বাড়লেই প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা, ভিজবে কলকাতাও

‘মমতাকে ছেড়ে চলে যাওয়া ঠিক নয়’, দলবদলুদের বার্তা শত্রুঘ্নের

মোদির ক্ষমার পর নয়ডার নাবালিকার বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিল দিল্লি পুলিশ

বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভার উপনির্বাচন: গণনার শুরুতেই এগিয়ে গেলেন প্রশান্ত কিশোর

কমনওয়েলথ গেমসে কটা পদক এল ভারতের ঝুলিতে? কারা করলেন বাজিমাত, পডুন বিস্তারিত….

বীরভূমের পর মালদহ, কাশির সিরাপ পাচারের তদন্তে নেমে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় শান্তি মিছিলে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, নিহত ১৪

মৌসুমি অক্ষরেখা ও ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলায় সোম থেকে দক্ষিণবঙ্গে তুমুল দুর্যোগের আশঙ্কা

নৌকা করে ভগবানপুরের প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে সেচমন্ত্রী

‘সেশন’ এবং ‘এলিমেন্ট এক্স’ নামে মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করত অর্পিতা! চাঞ্চল্যকর তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে

জঙ্গিদের নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী! বাড়ল নিরাপত্তা, বুলেটপ্রুফ গাড়ি পেলেন শুভেন্দু