আর কিছুক্ষণ, তারপরেই বদলাচ্ছি আমরা

আমরা আসছি

00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
আমরা এখন লাইভ!
এই মুহূর্তে

সোম সকালে থমথমে বেথুয়াডহরি, বন্ধ দোকানবাজার

নিজস্ব প্রতিনিধি: বন্ধ সব দোকানবাজার। যানবাহণ চলাচলও খুব কম। তবে ট্রেন ও জাতীয় সড়ক সচল রয়েছে। এটাই সোম সকালে নদিয়া(Nadia) জেলার বেথুয়াডহরি(Bethuadohori) এলাকার ছবি। বিজেপির সর্বভারতীয় প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাও ব্যতিক্রম নয়। প্রথমে হাওড়া জেলায়, তারপর মুর্শিদাবাদ এবং এখন নদিয়া জেলায়। রবিবার নদিয়ার বেথুয়াডহরি স্টেশনে ট্রেনে ভাঙচুর চালানো হয়। একটি মিছিলের পর হঠাৎ করেই ভাঙচুর শুরু হয় বলে দাবি স্থানীয়দের।

বেথুয়াডহরি হাসপাতালের সামনে এবং ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কেও ভাঙচুর করা হয়। বাদ যায়নি দোকান ও বাড়িও। এই ঘটনার পরেই পরিস্থিতি সামলাতে নাকাশিপাড়া ব্লকে রবিবার রাত থেকে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। ট্রেনে ভাঙচুর ও গন্ডগোলের অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ(Police) সূত্রে দাবি। বেথুয়াডহরি স্টেশনে বিপুল সংখ্যায় মোতায়েন করা হয়েছে জিআরপি। রবিবার দুষ্কৃতীদের এই তাণ্ডবের প্রতিবাদে বেথুয়াডহরি ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি ৭২ ঘণ্টার বাজার বন্ধের ডাক দিয়েছে। যার জেরে এদিন সকাল ৬টা থেকেই বেথুয়াডহরি এলাকায় কার্যত বনধের(Strike) ছবি নেমে এসেছে। বেথুয়াডহরি যে থানার অন্তর্গত, সেই নাকাশিপাড়া(Nakashipara) থানা এলাকায় জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা।

তবে রবিবারের ঘটনার পরে এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, রাজ্যে যখন একের পর এক জেলায় অশান্তি ছড়িয়ে পড়ছে তখন বেথুয়াডহরিতে মিছিল বার করার অনুমতি দেওয়া হল কীভাবে? কীভাবেই বা সেই মিছিল থেকে পিল পিল করে লোক বেড়িয়ে এসে স্টেশনে ঢুকে যাত্রীবাহী ট্রেন সহ স্টেশনে লাগামছাড়া ভাঙচুর চালালো? ঘটনা ঘটার পরে জিআরপি আর পুলিশে ছেয়েছে গোটা এলাকা। ঘটনার সময় কেন নূন্যতম নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না রাজ্য ও রেলের তরফে সেই প্রশ্নও উঠছে। এটা ঠিক যে ঘণ্টাখানেক ধরে অবরোধ চলার পর পুলিশ তা তুলে দেয়। কিন্তু যে আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে কয়েক ঘন্টা কাটাতে হয়েছে সেটাই বা কম কী! রেল স্টেশনের মতো জায়গায়, হাসপাতালের সামনে কীভাবে জমায়েত করে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ বাসিন্দারা। এদিন সকালেও বেথুয়াডহরি স্টেশন ও হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের চোখেমুখে রয়ে গিয়েছে আতঙ্কের ছাপ। সব থেকে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে, বিজেপি এক নেত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে আমজনতার বাড়ি, দোকান কেন ভাঙচুর হবে? নাকি বাংলাকে ইচ্ছাকৃত ভাবে অশান্ত করে তোলার লক্ষ্যেই তা করা হচ্ছে সুপরিকল্পিত ভাবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গণনায় অশান্তি এড়াতে বড় পদক্ষেপ, ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ভারত-ভুটান সীমান্ত

আইপিএল বেটিং নিয়ে অশান্তি, স্বামী ও তৃণমূল নেতা দেওরের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ স্ত্রী

ঝাড়গ্রামে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি ধান চাষের, মাথায় হাত চাষীদের

আউশগ্রামে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ CCTV, রহস্য ঘনীভূত স্ট্রংরুম ঘিরে

নির্দিষ্ট দিনের আগেই কাউন্টিং এজেন্টরা হাজির, কেন এমন ঘটনা ঘটল?‌

ঝাড়গ্রামে আড়াই দিন ধরে পড়ে থাকা গাছ সরালেন বিজেপি প্রার্থী লক্ষিকান্ত সাউ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ