এই মুহূর্তে

শুভেন্দুর বিপরীত লাইন ঘোষণা করে দিলেন শমীক, বঙ্গ–বিজেপির অঙ্গ–শোভায় কোন্দল চরমে

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। বুথস্তরের সংগঠন সেখানে তলানিতে রয়েছে বিজেপির। সেখানে লাইন নেওয়া হয় হিন্দু ভোট একজোট করার। এই লাইন বারবার শোনা গিয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। সুতরাং মুসলিম বিরোধী একটা বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছিল। এবার শুভেন্দু লাইনের বিপরীত লাইন ঘোষণা করে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই ঘোষণার পরই দলের অন্দরে কোন্দলের ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দলের বহু নেতা–কর্মী এখন কোন লাইন ধরে হাঁটবেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে সব শেষে বিষয়টি বেলাইন হয়ে যাবে না তো?‌ উঠছে প্রশ্ন।

এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের মরশুম শুরুর আগে থেকেই রাজ্যে সংখ্যালঘু ভোট বিজেপি পায় না বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাই তিনি একবার বলেছিলেন, এখন আর সবকা সাথ সবকা বিকাশের পথে হাঁটলে চলবে না। যো বিজেপি কা সাথ, বিজেপি উসকা সাথ বলে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। এমনকী সংগঠন থেকে সংখ্যালঘু মোর্চা বাদ দেওয়ার পক্ষেও দলীয় সভায় সওয়াল করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে বিতর্ক চরমে ওঠে। এবার রাজ্যের সংখ্যালঘুদের প্রতি উদার মনোভাব দেখিয়ে ভিন্ন সুর শোনালেন শমীক ভট্টাচার্য। সুতরাং সংখ্যালঘু লাইনে শুভেন্দু–শমীকের বিপরীত লাইন প্রকাশ্যে চলে এল।

অন্যদিকে এই দুই নেতার বিপরীত লাইন যে দলের অন্দরে কোন্দলেরই সামিল তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। কারণ রাজ্য কমিটি, জেলার সাংগঠনিক কমিটি, মণ্ডল কমিটি থেকে শুরু করে মোর্চাগুলির মাথায় ইনচার্জ বসানো হয়েছে। আর সব জায়গা থেকে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের বাদ দেওয়া হয়েছে। এভাবেই কোণঠাসা করা হচ্ছিল শুভেন্দুকে বলে অভিযোগ। সেখানে নিয়ে আসা হচ্ছিল আদি নেতাদের। এবার দলের সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সম্মেলনে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‌সংখ্যালঘুদের কাছে পৌঁছতে হবে। যাঁদের হাতে তরোয়াল আছে সেটা কেড়ে তাঁদের হাতে আমরা কলম ধরিয়ে দেব। বোমার পরিবর্তে হাতে বই তুলে দেব।’‌

এছাড়া সংখ্যালঘুদের কাছে টানতে বার্তাও দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আবার সংখ্যালঘু ভোট যাতে সিপিএম এবং হুমায়ুন কবীরের দল না পায় সেই চেষ্টাও করেছেন। তাই তো শমীকের বক্তব্য, ‘‌বিজেপি নীতিগতভাবে সংখ্যালঘু–সংখ্যাগুরু বিভাজন মানে না। কিন্তু মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিজেপি যুদ্ধ ঘোষণা করেছে বলে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে। বাবরি মসজিদ তৈরির চেষ্টা হুমায়ুনের। আর মসজিদ তৈরির পিছনে সিপিএম পার্টির মধ্যে সেলিমও আছেন। ধর্ম না মানা পার্টির নেতা এখানে যিনি বিজেপিকে আক্রমণ করছেন তিনি আবার রাতের বেলা হুমায়ুনের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছেন।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

আউশগ্রামে ভোটার তালিকায় ‘বিবেচনাধীন’ কলিতা মাজিকে প্রার্থী করল বিজেপি, প্রশ্ন তুলল তৃণমূল    

‘একতরফা সিদ্ধান্ত নেবেন না’, নন্দিনীদের অপসারণ নিয়ে জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার

কলকাতায় শুরু তুমুল ঝড়-শিলাবৃষ্টি, বাড়িমুখো অফিস যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

কিছুক্ষণের মধ্যে ধেয়ে আসছে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি, কলকাতা-সহ চার জেলায় জারি লাল সতর্কতা

সাহিত্যসম্রাটের পরিবারের সদস্যকে প্রার্থী করল বিজেপি, ‘‌বঙ্কিম দা’‌ ড্যামেজ কন্ট্রোলে কৌশল

আবার মমতা বনাম শুভেন্দু, পরাজয়ের ভয়ে দুই আসনে প্রার্থী করল বিজেপি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ