চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে তৃণমূল কর্মীদের মার! কাঠগড়ায় দিব্যেন্দু

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তপ্ত কাঁথি। আর সেটাও বড়দিনে। রীতিমত থমথমে এলাকা। কারন অধিকারীদের সঙ্গে তৃণমূলের বিবাদ ও তা ঘিরে সংঘর্ষের পরিস্থিতি। অভিযোগ উঠেছে সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী তাঁর সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে মারধর করিয়েছেন তৃণমূলকর্মীদের। আর তা ঘিরেই এই সংঘর্ষের পরিস্থিতি। এই ঘটনার জেরে এখন রীতিমত সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনৈতিক মহলে। ঘটনার জেরে অস্বস্তি ছড়িয়েছে বিজেপির অন্দরেও। বঙ্গ বিজেপির বেশ কিছু নেতাই জানিয়েছেন, বড়দিনের আবহে সামান্য ঘটনাকে সংঘর্ষের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার এই পদক্ষেপ রীতিমত ভুল সিদ্ধান্ত অধিকারীদের। ঘটনার জেরে সরব হয়েছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বও।

জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে শুক্রবার রাতে কাঁথির জুনপুট মোড় সংলগ্ন এলাকায় বেশ কয়েক জন তৃণমূল কর্মী সমর্থক বসেছিলেন। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী ওই এলাকায় পৌঁছলে দু’পক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারীর ভাই তথা তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। সেই সময় দিব্যেন্দুর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা গাড়ি থেকে নেমে বিনা কারনেই তৃণমূল কর্মীদের বেধড়ক মারধর করেন। তার জেরে ১২জন তৃণমূল কর্মী গুরুতর আহত হন। তাঁদের কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার জেরে রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরির ছেলে সুপ্রকাশ গিরি জানিয়েছেন, ‘এলাকার কয়েক জন যুবকের ঝামেলার মধ্যে আচমকা ঢুকে পড়েন সাংসদ দিব্যেন্দু। প্রথমে তাঁর বড়দা কৃষ্ণেন্দু অধিকারী গিয়ে মিটমাট করে দেন। এর পর সাংসদ দিব্যেন্দু কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে এসে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। মারধর করা হয়েছে আমাদের কর্মীদের। এ ভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর যথেচ্ছ ব্যবহার লজ্জাজনক। এ নিয়ে কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।’

সেই ঘটনার রেশ পড়ে বড়দিনের সকালেও। এদিন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে বিজেপি ‘সুশাসন দিবস’ পালন করছে দেশ জুড়ে। সেই উপলক্ষ্যে এদিন কাঁথির ডরমেটরি মাঠেও সভা ছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সেই সভার জন্য শহরের বেশ কিছু এলাকায় দেওয়া হয়েছিল পোস্টার, ব্যানার ও ফ্লেক্স। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে গতকালের ঘটনার পরেই তৃণমূলকর্মী ও সমর্থকেরা সেই সব পোস্টার, ব্যানার ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে দিয়েছে। শুক্রবার রাতের ঘটনা নিয়ে দিব্যেন্দুর অবশ্য বক্তব্য, ‘কোথাও কিছুই ঘটেনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও ব্যবহার করা হয়নি। কিছু যদি অভিযোগ থাকে তা হলে পুলিশ সে ঘটনার তদন্ত করে দেখুক।’ তৃণমূলের দাবি, সামনেই পুরনির্বাচন রয়েছে কাঁথিতে। তার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে তৃণমূলকর্মীদের মার দিয়ে আদতে অধিকারীরা এলাকায় সন্ত্রাস ছড়াতে চাইছে যাতে মানুষ বিজেপিকেই ভোট দিতে বাধ্য হয়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ