আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘কেন্দ্র ড্রেজিং করেনি বলেই নদী ভাঙন সমস্যা’‌, বড়ঞার সভা থেকে তোপ মমতার‌

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, বুধবার বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ঝোড়ো প্রচার করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রের ঘাসফুল শিবিরের প্রাথীদের সমর্থনে প্রচার করতে গিয়ে সুর সপ্তমে তোলেন তৃণমূল নেত্রী। এখানের ডাকবাংলা কিষাণ মান্ডি মাঠ থেকে নদী ভাঙন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। এই সমস্যার জেরেই আজ নদী ভাঙন বেড়েছে। তাই ক্ষমতায় ফিরেই ড্রেজিং–সহ সংস্কারের কাজ হবে বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে মুর্শিদাবাদ জেলা যে নদী ভাঙন প্রবণ এলাকা সেটাও স্মরণ করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এখানে নদীতে ড্রেজিং করেনি কেন্দ্রীয় সরকার। বারবার চিঠি লিখেও যে কাজ হয়নি সেটাও জানিয়ে দেন তিনি। ফলে এখানকার মানুষজন সমস্যায় পড়ে রয়েছেন বলে দাবি তাঁর। কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‌ভাগীরথীর ভাঙন নিয়ে কেন্দ্র কোনও কাজ করেনি। বিজেপি একটাও কাজ করে না। বারবার চিঠি লিখে ও দরবার করেও ড্রেজিংয়ের কাজ করানো যায়নি। মুর্শিদাবাদে গঙ্গা ভাঙন সবচেয়ে বড় সমস্যা। ড্রেজিং না হওয়ায় ভাঙন প্রবণ ফরাক্কা। ভাঙছে ঘর–বাড়ি, বিপন্ন মানুষ। তাই আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করেছি। তাই ক্ষমতায় ফিরেই ড্রেজিং–সহ সংস্কারের কাজ করা হবে।’‌

অন্যদিকে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের চক্রান্ত নিয়ে সুর সপ্তমে তুললেন তৃণমূলনেত্রী। ভোটের সময় ওরা কোন কাজ করতে পারে তা নিয়ে সতর্ক করে দেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণ, ‘‌কেউ কেউ কমিউনাল কথা বলে ভোট কাটতে চেষ্টা করবে। একটা ভোটও ভাগাভাগি করতে দেবেন না। এটা বিজেপির খেলা। টাকা দিয়ে কাউকে কাউকে কিনে নেয়। ইলেকশনের আগে দেয় ক্যাশ। তার পর দেয় গ্যাস। বাইরের সব নেতা এখানে দখল করে বসে আছে। ভোটের আগের দিন কাউকে কাউকে দিয়ে গ্রেফতার করারও চেষ্টা করবে। তাই সব চেঞ্জ করেছে। তৃণমূল কিন্তু মাথানত করতে জানে না। লড়াই করে ছিনিয়ে নিতে জানে।’‌

এছাড়া এসআইআর নিয়েও নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন। কেন তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিতে হবে তাও জোর গলায় জানিয়ে দেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া বার্তা, ‘বিজেপি ছলনার আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাটাকে বেচে দিতে চাইছে। বাংলার মানুষ থাকবে না। এটাই ওদের পরিকল্পনা। ধর্ম হল সবাইকে এক করে রাখার। ভাগাভাগির নয়। আপনারা তো শান্তিতে বসবাস করেন। এই শান্তির বাংলাকে অশান্ত হতে দেবেন না। প্রার্থী কে ভুলে যান। এই জোড়াফুলটাকে মনে রাখবেন। জোড়াফুল জিতলে আমাদের সরকার আসবে। আপনার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, ঐক্যশ্রী, শিক্ষাশ্রী, কৃষক বন্ধু চলবে। কাজেই ভোটটা দেবেন। আপনাদের উপর যদি হামলা করতে আসে মেয়েরা একজোট হবেন‌। পরশুদিন নাকি আইটিবিটির ডিজি এসেছিল কলকাতায়। বলেছে মেয়েদের পরীক্ষা করে দেখা হবে। চেক করবে। আমি বললাম, বাংলা কিন্ত অন্যরকম। মেয়েদের গায়ে হাত দিয়ে কোনও অসম্মান করলে মুখ বুজে থাকবেন না। প্রতিবাদ করবেন।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোট মিটলেও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে

উদয়নারায়ণপুরে জওয়ানের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আড়াল কমিশনের

ভোট শেষের মুখে নোয়াপাড়ায় উত্তেজনা, বচসা ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষ

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

ব্যারাকপুরে পুরসভার কর্মী রাজনৈতিক দলের এজেন্ট হয়ে বুথে বসার অপরাধে আটক

ভাঙড়ে শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য তৃণমূলকে ধন্যবাদ জানিয়ে জল্পনা বাড়ালেন নওশাদ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ