আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সুন্দরবনে শেষ, বক্সায় শুরু! নজরে বাঘ সুমারি

নিজস্ব প্রতিনিধি: তোমার হল শুরু, আমার হল সারা। সুন্দরবন থেকে এখন এমন বার্তাই যাচ্ছে বক্সার উদ্দেশ্যে। কেননা সুন্দরবনে বাঘ সুমারি শেষ হতে না হতেই এবার শুরু হয়েছে বক্সায় বাঘ সুমারির কাজ। ২০১৮ সালের বাঘ সুমারিতে সুন্দরবনে ৯৬টি বাঘ রয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। এবারে সেই সংখ্যা হয় কিছুটা বাড়বে বা কমবে। তাই সুন্দরবন নিয়ে সেভাবে এবার আগ্রহী নন বন দফতরের কর্তারা। তাঁদের নজর এখন বক্সায়। কেননা ২০১৮ সালের বাঘ সুমারিতে বক্সায় বাঘের উপস্থিতি ধরা পড়েনি। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে বক্সায় বাঘের উপস্থিতি সামনে এসেছ। কিন্তু তাঁরা সংখ্যায় ঠিক কত তা জানা যায়নি। সেই কারনেই শনিবার থেকে বক্সায় শুরু হওয়া বাঘ সুমারি আগামী দিনে কোন তথ্য তুলে ধরে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন বন দফতরের কর্তারা।  

দেশে প্রতি চার বছর অন্তর বাঘ সুমারি হলেও সুন্দরবনে প্রতিবছরই বাঘ গণনার কাজ করে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা বন বিভাগ। মূলত সেই সময় বাঘের বিষ্ঠা ও পায়ের ছাপ সংগ্রহ করে সেই গণনার কাজ করেন বন দফতরের কর্মীরা। দেখা হয় বাঘ সুমারিতে বাঘের যে সংখ্যা বার হয়েছিল সেই সংখ্যা বাড়ছে না কমছে। কিন্তু এবারে জাতীয় স্তরে যখন বাঘ সুমারি চলছে তখন সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য ৫৭২টি গ্রিডে বিশেষ প্রযুক্তির ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। সেই কাজ শুরু হয়েছিল গত বছরের ৭ ডিসেম্বর। গত শনিবার সেই সব ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয়েছে। এখন ওইসব ক্যামেরায় যে সব ছবি ধরা পড়েছে তা বিশ্লেষণ করেই বাঘের সংখ্যা নিরুপণ করা হবে। সাম্প্রতিক কালে সুন্দরবন লাগোয়া গ্রামীণ এলাকায় বাঘের বার বার লোকালয়ে হানা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তার জেরে অনেকেই মনে করছেন সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে না বেড়েছে জঙ্গল না বেড়েছে বাঘের খাদ্যের সম্ভার। তাই খাদ্যের সন্ধানে আর নিজের বিচরণগত এলাকা খুঁজতে বাঘ বার বার হানা দিচ্ছে সুন্দরবনের গ্রামীণ এলাকায়। 

বক্সায় কিন্তু বিগত আড়াই দশকে বাঘের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়নি। তবে এই আড়াই দশকে পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দাবি করেছেন বাঘের দেখা তাঁরা পেয়েছেন। যদিও বনদফতর বার বার সেই সব দাবি খণ্ডন করেছেন। শুধু বক্সায়ও নয়, ডুয়ার্সের বেশ কিছু এলাকায় নানান সময়ে বাঘ দেখার দাবি উঠেছে। কিন্তু কোনও ক্ষেত্রেই তা প্রমাণিত হয়নি। তবে এটা ঘটনা যে জলদাপাড়ায় একসময় বাঘের নিত্য আনাগোনা ছিল। গরুমারাতেও তাঁদের দেখা মিলতো। কিন্তু পরবর্তীকালে দুটি জঙ্গল থেকেই উধাও হয়েছে বাঘ। আবার নেওড়া ভ্যালি ন্যাশানাল পার্কেও বাঘের আনাগোনা রয়েছে বলে অনেকে দাবি করেন। বন দফতরের আধিকারিকেরাও তা স্বীকার করেন। কিন্তু সেই বাঘ সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা কিনা তার প্রমাণ মেলেনি এখনও। তাই সব নজর এখন আটকে বক্সার দিকে। সেখানে বাঘের সংখ্যা জানা গেলে নেওড়াতে ঠিক কত বাঘের আনাগোনা র‍য়েছে বা থাকতে পারে তার একটা আভাস মিলতে পারে। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার থেকে বক্সায় শুরু হওয়া বাঘ সুমারির কাজ চলবে আগামী বৃহস্পতিবার অবধি। বক্সার ৭৬২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় এই কাজ করা হচ্ছে ট্র্যাপ ক্যামেরার মাধ্যমে। প্রতি ২কিমি অন্তর সেই ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের সব ক’টি রেঞ্জ ও বিটের থেকে বনকর্মীদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ৮২টি দল। তাঁরাই এই ক্যামেরা বসানোর কাজ করছেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

সাতসকালে জলপাইগুড়িতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে প্রাণ হারালেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী

ভোটে বন্ধ ছিল, দোকান খুলতেই একদিনে ১৪ কোটি টাকার মদ বিক্রি

Super Sunday-তে রাজ্যে মোদি-শাহ, পদযাত্রা করবেন মমতাও, একাধিক সভা রয়েছে অভিষেকের

ভূতুড়ে কাণ্ড! রাত হলেই বাড়িতে ইটের বৃষ্টি, আতঙ্কে স্থানীয়রা

শহরে ভোটের আগে পুলিশকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকল কমিশন

‘ঘরে ঘরে লাঠি-বল্লম রাখুন’, বহরমপুরে অধীরের মন্তব্যে বিতর্ক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ