আর কিছুক্ষণ, তারপরেই বদলাচ্ছি আমরা

আমরা আসছি

00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
আমরা এখন লাইভ!
এই মুহূর্তে

রেজিস্ট্রেশন ছাড়া ধান বিক্রি করতে পারবেন না চাষিরা, ফড়ে রাজ কমাতে কড়া পদক্ষেপ

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ৩৪ বছরের বাম রাজত্বের অবসানের পরে ক্ষমতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার শিল্পের পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রেরও উন্নতি করতে সচেষ্ট রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যে চালু হয়েছে ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্প, চালু হয়েছে ‘বাংলা শস্য বিমা যোজনা’ও। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার প্রতি বছরের প্রতিটি মরশুমে চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার প্রক্রিয়াও(Direct Paddy Procurement from Farmers) চালু করেছে এক দশক আগেই। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে স্থায়ী ধান ক্রয় কেন্দ্রও। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য মোবাইল ধান ক্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রচেষ্টার ফলে ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারছেন চাষিরা। এরফলে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। গ্রামীণ এলাকার অর্থনীতি বদলানোর পাশাপাশি চাষের পরিমাণও বাড়ছে। এবার সেই ধান বিক্রির প্রক্রিয়ায় যাতে প্রকৃত চাষীরা কোনও ভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, ফড়েরা যাতে কোনও ভাবেই রাজ্য সরকারকে সরাসরি ধান বিক্রি করতে না পারে, তার জন্য এক কড়া সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। জানানো হয়েছে, এবারে রাজ্য সরকারকে সরাসরি ধান বিক্রি করতে হলে চাষীদের বাধ্যতামূলক ভাবে রেজিস্ট্রেশন(Online Registration) করাতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া ধান বিক্রি করতে পারবেন না চাষিরা। ফড়ে রাজ কমাতেই এই উদ্যোগ।

আরও পড়ুন, কী ভাবে ওই প্যান্ডেলের অনুমতি দেওয়া হল, আদালত হলফনামা চাইল পুলিশের

এই প্রসঙ্গে রাজ্যের খাদ্য দফতরের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, ধান বিক্রির জন্য কৃষকদের আগে থেকেই করতে হবে রেজিস্ট্রেশন। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া ধান বিক্রি করতে পারবেন না চাষিরা। অনলাইনেই সেই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। বিভিন্ন সরকারি সহায়তা কেন্দ্র থেকেও চাষিরা রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে তাঁদের স্থানীয় সহায়তা কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আধার কার্ড(Aadhar Card), কৃষক বন্ধু কার্ড(Krishak Bandhu Card), জমির নথি ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা আবশ্যিক। অনলাইনে স্লট বুকিংয়ের মাধ্যমে ধান বিক্রি করতে হবে। তবে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। আর তা হল, রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অনেক নথির প্রয়োজন। অনেক চাষির নেই সেইসব নথি। তাঁরা সমস্যায় পড়বেন। যদিও খাদ্য দফতরের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেটা মেনেই কৃষকদের ধান বিক্তি করতে হবে। পদ্ধতিগত ভাবে ধান বিক্রির ক্ষেত্রে হয়তো কিছুটা সমস্যা হচ্ছে, তবে কৃষকেরা মানছেন, বায়োমেট্রিক দিয়ে ধান বিক্রি করার পদ্ধতি আসায় অনেকটাই স্বচ্ছতা ফিরেছে। ফড়ে রাজ কমেছে।

আরও পড়ুন, তিলোত্তমার বিচার চেয়ে রাজ্যজুড়ে কলেজে কলেজে বিক্ষোভ তৃণমূলের

যদিও এবারে কৃষকেরা ধানের দাম বাড়ানোর দাবি করছেন। তাঁদের দাবি, আগের বারে কুইন্ট্যাল প্রতি ২ হাজার ১৮২ টাকা পেয়েছেন চাষিরা। এছাড়া ধান ক্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এলে ২০ টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এবারে ধানের মূল্য আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। কারণ দিন দিন সার, কীটনাশকের দাম  অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে কালোবাজারি শুরুর হয়েছে। এতে নাভিশ্বাস উঠছে চাষিদের। এর ফলে অল্প লাভ রেখেই সরকারকে ধান বিক্রি করছেন বহু চাষি। যদিও তাঁরাও মানছেন, খোলা বাজারের তুলনায় রাজ্য সরকার ধানের দাবি বেশি দেওয়ায়া প্রতি বছরই রাজ্যের ধান উৎপাদক জেলাগুলিতে সরকারের কাছে ধান বিক্রি করার চাষীদের সংখ্যা বাড়ছে। যেমন গত মরশুমে পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে রাজ্য সরকার ২ লক্ষ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনেছিল। তার আগের মরশুমে সেই পরিমাণ ছিল প্রায় ২ লক্ষ ৩৭ হাজার মেট্রিক টন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গণনার আগেই গেরুয়া আবির মেখে বিজয়োৎসবে মাতলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী

ত্রিকোণ প্রেমের জের! পুকুরের ধারে উদ্ধার যুবকের গলা কাটা দেহ, ব্যাপক শোরগোল পুরুলিয়ায়

নবান্ন দখলের যুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখবে ৩৭ আসন, জেনে নিন অজানা তথ্য

‘কেউ হিংসা-অশান্তিতে জড়াবেন না’, গণনার আগে বিজেপি কর্মীদের কড়া বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের

গণনায় অশান্তি এড়াতে বড় পদক্ষেপ, ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ভারত-ভুটান সীমান্ত

আইপিএল বেটিং নিয়ে অশান্তি, স্বামী ও তৃণমূল নেতা দেওরের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ স্ত্রী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ