সিপিআই আজ অস্তাচলে, দেব-হিরণের লড়াইয়ে জিতবে কে, উত্তর খুঁজছে ঘাটাল

ধারাবাহিক ভাবে এই কেন্দ্রে কমে চলা জয়ের মার্জিন টলি তারকাকে বেশ চাপে রেখেছে। চাপ রয়েছে তৃণমূলের অন্দরেও। নজরে ঘাটাল ও দেব।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার একমাত্র লোকসভা কেন্দ্র যা বিলুপ্ত হয়েও আবারও ফিরে এসেছে। কী শুরুতেই হোঁচট খেলেন নাকি! অবশ্য হোঁচট খাওয়ারই কথা। ১৯৫২ সাল থেকে যে লোকসভা কেন্দ্রের উপস্থিতি ছিল সেটাই বেমালুক উবে যায় ১৯৭১ সালে। আবারও ২০০৯ সালে তা এসে হাজির হয়। ভাবছেন তো কোন লোকসভা কেন্দ্রের কথা বলছি! সেই লোকসভা কেন্দ্রের নাম ঘাটাল। পশ্চিম মেদিনীপুর(Paschim Midnapur) জেলার এই লোকসভা কেন্দ্র(Ghatal Constituency) এখন বাংলারজুড়ে তো বটেই দেশজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছে এক তারকার জন্য। তাঁর নাম দেব(Dev)। টলিউডের এই হিরো ঘাটালের ২ দফার সাংসদ। এবারেও তিনি এই লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী(TMC Candidate) হয়েছেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে। ২০১৪ ও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল থেকে দেব জয়ী হলেও এবার কিন্তু তাঁর জয় নিশ্চিত নয়। কেননা ধারাবাহিক ভাবে এই কেন্দ্রে কমে চলা জয়ের মার্জিন টলি তারকাকে বেশ চাপে রেখেছে। চাপ রয়েছে তৃণমূলের অন্দরেও।

১৯৫২ সাল থেকে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের উপস্থিতি। ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত সেই কেন্দ্রে ৫ বার ভোট হয়েছিল লোকসভার। সেই ৫ বারের মধ্যে ৩ বার জয়ী হয়েছিল কংগ্রেস আর ২ বার জয়ী হয়েছিল সিপিআই(এম)। ১৯৭৭ সালে এই কেন্দ্রের বিলুপ্তি ঘটে। পরিবর্তে তৈরি হয় পাঁশকুড়া লোকসভা কেন্দ্র। সেই কেন্দ্র ছিল ১৯৭৭ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত। তার মধ্যে ওই কেন্দ্রে ৯বার সাধারণ নির্বাচন হয়েছে আর ১ বার হয়েছে উপনির্বাচন। মোট ১০ বারের সেই নির্বাচনে ১ বার কংগ্রেস আর ১ বার তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল। বাকি ৮ বারই জয়ী হয় বামেরা। এই ৮ বারের মধ্যে ৭ বার জয়ী হয়েছিলেন সিপিআই’র সাংসদ গীতা মুখার্জী। ২০০৯ সাল থেকে এই কেন্দ্রটি বিলুপ্ত হয় আর ফিরে আসে আগেকার ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র। সেখানে এখনও পর্যন্ত ৩ বার ভোট হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে এই কেন্দ্রের সাংসদ হিসাবে কাজ করে চলেছেন দেব। এবারে তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি থেকে প্রার্থী(BJP Candidate) করা হয়েছে, আরেক টলিও তারকা হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে(Hiran Chatterjee)। যদিও প্রচারের ধারেভারে, রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার নিরিখে দেব যোজন এগিয়ে হিরণের থেকে।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দেব ঘাটাল থেকে জয়ী হয়েছিলেন ২ লক্ষ ৬০ হাজার ভোটের ব্যবধানে। কিন্তু ২০১৯ সালে সেটাই এসে দাঁড়ায় ১ লক্ষ ৭ হাজারে। আর তাই এবারে দেবের জয় নিয়ে চিন্তা থাকছে ঘাসফুল শিবিরে। ২০১৪ সালে দেব জয়ী হয়েছিলেন বাম প্রার্থী সন্তোষ রাণাকে হারিয়ে। দেব সেই নির্বাচনে পেয়েছিলেন ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ভোট। সন্তোষ পেয়েছিলেন ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ভোট। কংগ্রেসের মানস ভুঁইয়া তৃতীয় হয়েছিলেন ১ লক্ষ ২২ হাজার ভোট পেয়ে। বিজেপি সেই নির্বাচনে পেয়েছিল মাত্র ৯৪ হাজার ভোট। কিন্তু ২০১৯ সালের নির্বাচনে সেই হিসাব পুরো উল্টে যায়। দেব সেই নির্বাচনে পেয়েছিলেন ৭ লক্ষ ১৭ হাজার ভোট। অর্থাৎ তাঁর ভোট প্রাপ্তি বাড়লেও কমেছিল জয়ের ব্যবধান। কেননা ওই নির্বাচনে বিজেপি উঠে আসে দ্বিতীয় স্থানে ৬ লক্ষ ৯ হাজার ভোট পেয়ে। বামেরা ১ লক্ষও ভোট পায়নি সেই নির্বাচনে। জুটেছিল মাত্র ৯৭ হাজার ভোট। আর কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ৩২ হাজার ভোট।

এবারে বিজেপির আশা হিরণের কাঁধে ভর দিয়ে তাঁরা ঘাটাল উদ্ধার করবে তৃণমূলের হাত থেকে। তাঁদের সেই স্বপ্ন আরও বলবান হয়েছে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে। কেননা উনিশের ভোটে দেব জিতেছিলেন ১ লক্ষ ভোটের সামান্য বেশি ব্যবধানে। কিন্তু একুশের ভোটে সেই ব্যবধান কমে দাঁড়িয়েছে ৮০ হাজারে। শুধু তাই নয়, ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে থাকা ঘাটাল বিধানসভা কেন্দ্রেও একুশে ফুটেছিল পদ্মফুল। বাকি সবং, পিংলা, ডেবরা, দাসপুর, কেশপুর ও পাঁশকুড়া পশ্চিমে তৃণমূল জিতলেও, সেভাবে জয়ের ব্যবধান খুব বেশি ছিল না যে এবারের নির্বাচনে স্বস্তিতে থাকবে তৃণমূল। তবে ম্নদের ভালো, এবারে বিজেপিতে যাওয়া বাম ভোট অনেকটাই ফিরতে পারে বামেদের ঘরে। এখানে দেবের বিরুদ্ধে আছে সিপিআই প্রার্থী। কংগ্রেস এই কেন্দ্রে দেয়নি কোনও প্রার্থী। তাই বাম-কংগ্রেসের জোট বিজেপির ঘরে সিঁদ কাটতে তৈরি হয়ে বসে আছে। আর যদি সেই সিঁদ কাটা সফল হয় তাহলে বিজেপির পরাজয় যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি দেবের জয়ও নিশ্চিত হবে। 

উপোসে খাচ্ছেন এই ৫ খাবার? জানেন হতে পারে মারাত্মক বিপদ?

জন্মাষ্টমীতে গোপালকে নিবেদন করুন সুস্বাদু তালের স্মুদি

জন্মাষ্টমীর ভোগে এ বার লুচি-বড়া নয়, বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে ‘তালের পোড়া পিঠে’

রাজ্যে বাড়ছে সরকারি বাসের সংখ্যা, কন্ডাক্টরদের দেওয়া হবে বডি ক্যামেরা, জানালেন পরিবহন মন্ত্রী

রাতে ৮০, সকালে ১৫০ টাকা! জন্মাষ্টমীর আগে হু হু করে বাড়ছে তালের দাম, কারণ কী?

শিয়ালদহ স্টেশনে ৭ ঘন্টা ট্রাফিক ব্লক, জেনে নিন কোন কোন দিন, নয়তো দুর্ভোগে পড়বেন

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বদলের দাবি বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের

প্রাক-শিক্ষক দিবসে জলপাইগুড়ির স্কুলে মহাভোজ! ‘মিড ডে মিল’-এ পড়ুয়াদের মাংস-ভাত পরিবেশন

বারুইপুরে নাবালিকা খুন-ধর্ষণ মামলায় ৫৭ দিনের মাথায় চার্জশিট, ৭০০ পাতার রিপোর্ট পুলিশের

শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে তৃণমূল ,তোপ শুভেন্দুর

হরমুজ প্রণালির নাম বদলে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট!

সপ্তম পে কমিশনে নয়া আপডেট! সরকারি কর্মী-পেনশনভোগীদের জন্য খুলল বিশেষ ওয়েবসাইট

প্রথম সপ্তাহেই ‘ক্যাপ্টেন’ ভরতকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ তনুশ্রীর, উত্তপ্ত ‘বিগ বস বাংলা ৩’

‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ হতে নারাজ ক্যাপ্টেন কুল, IPL ২০২৭-এ দেখা যাবে ধোনিকে ?