বীরকে প্রাণে বাঁচিয়ে গর্বিত জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি,ফালাকাটা : শাবক হাতিকে প্রাণে বাঁচিয়ে নজির তৈরি করল জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ। বুধবার সেই প্রয়াসের কথা গর্ব করে প্রকাশ করেছে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান(Jaldapara National Park) কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া তোর্সা নদীতে একটি হাতির শাবককে ভেসে যেতে দেখেন বনকর্মীরা। আশ পাশে মা হাতি বা কোন হাতির পাল ছিল না। খরস্রোতা তোর্সা থেকে শাবক হাতিকে(Baby Elephant) উদ্ধার করে পিলখানায় নিয়ে আসেন জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের বনকর্মীরা। শখ করে বন দপ্তর(Forest Department)সেই হাতির নাম দেয় বীর। দুধের শাবক হাতিকে পিলখানায় এনে ফিডিং বোতলে ল্যাকটোজেন খাওয়াতে শুরু করেন বনকর্মীরা। ধীরে ধীরে একটি বাচ্চা শিশুর মতোই আদর যত্নে বড় হতে থাকে ‘বীর’। এখন বীরের বয়স চার বছর। তবে সেদিনের বীর আর আজকের বীরের চেহারায় পার্থক্য অনেক । পিলখানা এখন তাঁর ঘরবাড়ি। বন কর্মীদের সঙ্গে তার এখন দারুন বন্ধুত্ব। তাদের সঙ্গেই সময় কাটায় বীর ।

খেলাধুলা থেকে রাগ অভিমান এখন বীরের পিলখানার বনকর্মীদের ঘিরে। সেখানকার বন কর্মীরাও বেজায় খুশি এই বাচ্চা হস্তি শাবকটিকে লালন পালন করে। অন্যদিকে, মানুষের ‘অত্যাচারে’ বর্ষার ভরা নদী পার হয়ে সদ্যোজাতকে নিয়ে চাঁদড়ার জঙ্গলে আশ্রয় নিল হস্তিনী।হাতি মৃত্যুর পর ঝাড়গ্রাম বনবিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এখনও ঝাড়গ্রামে হাতি মৃত্যুর রেশ কাটেনি। তবে এরই মাঝে দেখা গেল এক অন্য ছবি। সদ্যোজাত শাবককে নিয়ে ভরা নদী পার হতে হল হস্তিনীকে। নেপথ্যে মানুষের ‘অত্যাচার’। মানুষের তাড়া খেয়ে বাধ্য হয়ে ঝাড়গ্রাম বন বিভাগের মানিকপাড়া রেঞ্জের(Manickpara Range) চিথলবনী এলাকা থেকে কংসাবতী নদী পেরিয়ে মেদিনীপুর বন বিভাগের চাঁদড়ার জঙ্গলে প্রবেশ করে। যা দেখে কার্যত থ পশুপ্রেমীরা। প্রশ্ন উঠছে, কেন হাতি দুটিকে ওখানে রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করল না বন দফতর? কেন আটকানো গেল না মানুষের ভিড়? ঝোপের মধ্যে ঢুকে ভিডিও এবং উত্ত্যক্ত করার চিত্র ফের দেখা গেল। যদিও মানিকপাড়া রেঞ্জ আধিকারিক সব্যসাচী হাজরা বলেন, “ওই হাতি দুটি কলাইকুন্ডা থেকে চাঁদড়ার দিকে যাচ্ছিল।

দিনের আলো ফুটে যাওয়ায় একটি ঝোপের মধ্যে আশ্রয় নেয়। মানুষজন চিৎকার চেঁচামেচি করছিলেন। আমাদের বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতি দুটিকে নিরাপদেই রেখেছিলেন। পরে হাতি দুটি কংসাবতী নদী পেরিয়ে চাঁদড়া রেঞ্জের দিকে চলে যায়। হাতি দুটিকে তাড়ানো হয় নি।” জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ার অধিকাংশ জঙ্গল এলাকায় বসবাস হাতিদের। কিন্তু জঙ্গলে থাকা কার্যত দায়ী হয়ে উঠছে দলমাদের। কারণ জঙ্গলে খাদ্যাভাব এবং লোকালয়ে এলে মানুষের তাড়া। চলতি মাসে জ্বলন্ত শলাকা বিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় এক স্ত্রী হাতির। সেই রেশ এখনও কাটেনি। তবে মানিকপাড়া রেঞ্জে থাকা শাবক সহ হাতিকে বিরক্ত করার ছবি সামনে এসেছে। ভরা নদী পেরিয়ে বাধ্য হয়ে মানিকপাড়া রেঞ্জ থেকে মেদিনীপুরের চাঁদড়া রেঞ্জে প্রবেশ করেছে শিশু শাবক সহ হস্তিনীটি। তবে সতর্ক ছিল মেদিনীপুর বনবিভাগের চাঁদড়া রেঞ্জ। বনকর্মীরা কংসাবতী নদী থেকে হাতি দুটিকে কার্যত ব্যারিকেড করে জঙ্গলে পৌঁছে দেয়। সাহায্য নিয়েছিল গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশের। এলাকায় মাইকিং করা হয় হাতিকে উত্ত্যক্ত না করার। তবে দিনের বেলায় হাতি লোকালয়ে আশায় ভিড় জমান কয়েক হাজার উৎসুক জনতা। ফলে বন দফতরের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, হাতিকে উত্ত্যক্ত করলে এবং চলাচলে বাধা সৃষ্টি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিন দুপুরবেলা সুস্থভাবে চাঁদড়ার শুকনাখালির জঙ্গলে প্রবেশ করে হাতিটি। চাঁদড়া রেঞ্জের আধিকারিক সৈকত বিশ্বাস বলেন, “শাবককে নিয়ে হস্তিনী নদী পেরোনোর পরই বনকর্মীরা ব্যারিকেড তৈরি করে। যাতে মানুষজন তার দিকে পাথর না ছোঁড়ে বা উত্ত্যক্ত না করে। কোনোভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয় নি হাতিটিকে জঙ্গলে পাঠানোর জন্য। হাতি দুটি নিজের মরজিতে কয়েক ঘণ্টা পর কৃষি জমি পেরিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ করেছে। শাবক সহ হস্তিনী সুস্থ রয়েছে।”গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে বন দফতর।

এক ম্যাচ বাকি থাকতেই আফগানদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় শুভমনদের

রেল হকারদের এখনই উচ্ছেদ করতে পারবে না, বিকল্প জায়গার বিষয় বিবেচনার নির্দেশ হাইকোর্টের

‘মোদির ভারতে হামলা হলে পাশে দাঁড়াবে আমেরিকা’, অভয়বাণী ট্রাম্পের

গ্রেফতার হচ্ছেন অভিষেক? রক্ষাকবচ তুলে নিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট

লোকসভায় তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কী? অভিষেককে জরুরি তলব স্পিকারের

‘পুলিশকর্মীদের আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যেতে হবে না’, আশ্বাস শুভেন্দুর

রাজ্যে জয়েন্টের ফল প্রকাশ নিয়ে দিনক্ষণ ঘোষণা বোর্ডের

পুরুষ লক্ষ্মীর খোঁজ পাওয়া গেল উলবেড়িয়ায়‌,৩ বছর ধরে পাচ্ছিলেন টাকা

আফগানদের বধ করে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পৌঁছলেন তিলক বর্মারা

‘বিচারপতিদের দাঁড় করিয়ে গুলি মারতে হবে’, ফেসবুকে বিস্ফোরক হুমকি যুবকের

শত্রুদের ঘুম কেড়ে নৌসেনার ভান্ডারে যুক্ত হচ্ছে আরও তিন যুদ্ধজাহাজ

বিরোধী দলনেতা বাছাই নিয়ে স্পিকারকে প্রশ্নবাণ বিচারপতির

‘চুক্তি পছন্দ না হলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ নয়’, ফের বেঁকে বসলেন ট্রাম্প

শুভমন-ঈশানের জোড়া সেঞ্চুরিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে রানের পাহাড়ে টিম ইন্ডিয়া