চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাংলায় বন্ধের মুখে প্রায় ১ কোটি Postal Account

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১০০ দিনের কাজের মজুরি(100 Days Work Project Wages) আগেই বাংলায়(Bengal) পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির সরকার(Narendra Modi Government)। এবার তাঁরা রাজ্যের প্রায় ১ লক্ষ Postal Account বন্ধ করে দিতে চলেছে। যার জেরে বড়সড় সমস্যার মুখে পড়তে চলেছে খুব করেও বাংলার প্রায় ১ লক্ষ পরিবার। সারা দেশের মধ্যে বাংলাতেই সব থেকে বেশি Postal Account আছে। কেননা দেশের মধ্যে এই রাজ্যের মানুষই সব থেকে বেশি পোস্টঅফিসের ওপর নির্ভরশীল। স্বল্প সঞ্চয় থেকে Monthly Income Scheme বা MIS’র জন্য গ্রামবাংলা থেকে শহর, মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত পোস্ট অফিসে টাকা জমান বা বিনিয়োগ করেন। এবার তাঁরাই বিপাকে পড়তে চলেছেন মোদি সরকারের সিদ্ধান্তের দরুন।

নিয়মমতো পোস্ট অফিসের প্রত্যেক গ্রাহকের একটি করে Customer Information File বা CIF থাকার কথা। এখন কেন্দ্র সরকার নিয়ম করেছে কোনও গ্রাহকের CIF-এ আধার জমা না পড়লে সেই Postal Account-এ লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হবে। গত ৬ অক্টোবর এক নির্দেশিকায় দেশের প্রত্যেক পোস্টাল সার্কেলকে এই মর্মে নির্দেশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রক। কেন্দ্রের তথ্য বলছে, দেশজুড়ে এখন যত Postal Account রয়েছে তার প্রায় ৪৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আধার জমা হয়নি। দেশজুড়ে পোস্টঅফিসগুলিতে চালু থাকা Postal Account’র সংখ্যা ২২ কোটি ৫২ লক্ষ ৮০ হাজার। সেখানে মাত্র ৯ কোটি ৭৭ লক্ষ ৯২ হাজার ক্ষেত্রে আধার জমা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় ১৩ কোটি গ্রাহকের Postal Account’র সঙ্গে আধার যোগই হয়নি। আর সেক্ষেত্রে খুব শীঘ্রই ওই সব Postal Account’র মাধ্যমে লেনদেন বন্ধ হতে চলেছে। বাংলার বুকে ২ কোটি ১৮ লক্ষ ৩২ হাজার Postal Account রয়েছে। তার মধ্যে ৯১ লক্ষ ২ হাজার Postal Account’র সঙ্গে আধার যোগ রয়েছে। বাকিগুলির ক্ষেত্রে নেই। অর্থাৎ বাংলার প্রায় কোটির বেশি গ্রাহক ভোগান্তির শিকার হতে চলেছেন।

কিন্তু হঠাৎ করে কী এমন হল যে রাতারাতি Postal Account’র সঙ্গে আধার যোগ বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হল? পোস্ট অফিসের আধিকারিকদের দাবি, আর্থিক প্রতারণা রুখতেই এই ব্যবস্থা। তবে এর ফলে গ্রাহকের হয়রানি যে কয়েকগুণ বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, এই পরিস্থিতির যাবতীয় দায় কি গ্রাহকের? কেননা দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের আধার জমা করতে চাপ দিচ্ছে পোস্ট অফিস। সেই মতো গ্রাহকদের বড় অংশ তা জমা করেছেন। তাহলেও কেন এই উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান?

ডাককর্তাদের দাবি, পরিকাঠামোর অভাব, কর্মীসঙ্কট এবং সঠিক নীতি না থাকার দায় নিতে হচ্ছে ডাকঘরের গ্রাহকদের। বহু গ্রাহক আধার জমা করলেও অনেক ক্ষেত্রে তা নির্দিষ্ট সফ্টওয়্যারে আপলোড হয়নি। ডাকবিভাগের এই অপদার্থতার খেসারত এখন দিতে হবে গ্রাহককে। কোনও Postal Account বা স্কিমে টাকা জমা করার সময় একই ব্যক্তির নামে বিভিন্ন জায়গায় একাধিক CIF চালুর ঢালাও অনুমতিও দেওয়া হয়েছে অতীতে। এখন টাকা ফেরতের সময় নানা বাহানা সামনে আনা হচ্ছে। ডাকবিভাগ সূত্রে আরও খবর, দেশের প্রায় সাড়ে ২২ কোটি CIF’র মধ্যে আধার সহ কেওয়াইসি সংক্রান্ত কোনও নথিই জমা নেই ১০ কোটি ৯৩ লক্ষের। সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টগুলি কীভাবে চালু রেখেছে ডাক বিভাগ? উঠছে সেই প্রশ্নও।   

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ