বাংলার প্রাপ্য প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা, আটকে কেন্দ্রের কোষাগারে

২৪’র ভোট চলাকালীন সময়ে কেন্দ্র সরকারের কাছে বাংলার প্রাপ্য গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকায়। দাবি নবান্নের আমলাদের একাংশের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশের ভোটে বাংলার মাটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসকে(TMC) হারাতে সর্বশক্তি দিয়ে নেমে পড়েছিল বহিরাগত হিন্দিভাষীদের দল বিজেপি(BJP)। ‘আপকে বার ২০০ পার’ শ্লোগান তুলে তাঁরা বনেমে পড়েছিল বাংলা(Bengal) দখল করতে। লক্ষ্য ছিল নবান্নে(Nabanna) পদ্মশাসন চলু করা। কিন্তু বাংলার মানুষই তাঁদের সেই লক্ষ্যের পথে কাঁটা বিছিয়ে দেয়। তাই ২০০ তো বহু দূর, ১০০ ছুঁতেও পারেনি বিজেপি থুড়ি নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi) আর অমিত শাহের বাহিনী। বাংলা দখল করতে না পারার সেই রাগেই একুশের পরে মোদি সরকার সংবিধান না মেনে, আইন না মেনে, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা অমান্য করে বাংলার প্রতি চরম বৈমাতৃক আচরণ করে চলেছে। আটকে দিয়েছে প্রায় সব কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা। মায় রাজস্ত ও জিএসটি বাবদ টাকাও ঠিক মতন দেওয়া হচ্ছে না। আর তার জেরে এই ২৪’র ভোট চলাকালীন সময়ে কেন্দ্র সরকারের কাছে বাংলার প্রাপ্য গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকায়। দাবি নবান্নের আমলাদের একাংশের।

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আর্থিক স্থিতি মোটেও ভালো নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের লাগাতার অসহযোগিতায় তা ক্রমে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। লাগাতার বাজার থেকে ধার করে টেনেটুনে সরকার চালাতে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে প্রশাসনের। তার মধ্যে আড়াই মাস ধরে যাবতীয় সরকারি কাজকর্মে শিকল পড়ে যাওয়ায় সমস্যা আরও বেড়ে গিয়েছে। এই সমস্যা কাটানোর দুটি রাস্তা। এক, কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং দুই, ভোটের পরে পরেই রাজ্যের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিকল্প ক্ষেত্রে নজর দেওয়া। কেন্দ্রের সরকার ওল্টালে ৩-৪ মাসের মধ্যেই রাজ্যের আর্থিক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে অনেকটাই। কিন্তু যদি না ওল্টায়, তখন রাজ্য সরকারকেই রাজস্ব বাড়ানোর রাস্তা দেখতে হবে। সূত্রের দাবি, এই দ্বিতীয় রাস্তায় হাঁটার ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই দিয়ে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট মিটলেই এ সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

নবান্নের আমলাদের একাংশের দাবি, এবারেত মতো এত দীর্ঘদিন ধরে এর আগে কোনও নির্বাচন হয়নি। লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে ১৬ মার্চ। দেশজুড়ে সাত দফার সেই নির্বাচন শেষ হবে ১ জুন। তারপর ৪ জুন প্রকাশিত হবে ভোটের ফলাফল। ভোট ঘোষণার দিন থেকেই গোটা দেশজুড়ে জারি হয়েছে আদর্শ আচরণ বিধি। যার অর্থ, নির্বাচনী বিধি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র কিংবা রাজ্য সরকার কোনও নতুন প্রকল্প ঘোষণা কিংবা কাজ শুরু করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে এই ভোট চলায় নবান্নের আমলাদের একাংশ এখন রীতিমত ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, একে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আবাস যোজনায় বঙ্গবাসীর হকের পাওনাও দিচ্ছে না। সব মিলিয়ে বাংলার প্রাপ্য প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রয়েছে কেন্দ্রের কোষাগারে। এই বিরাট পরিমাণ টাকা আটকে থাকায় রাজ্যের অন্যান্য প্রকল্পের অর্থ কাটছাঁট করতে হচ্ছে। সেই টাকা দিয়ে ১০০ দিনের মজুরি সহ আটকে থাকা প্রকল্পের পাওনা মেটানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আবার এপ্রিম থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে টাকার অঙ্ক দ্বিগুণ করা হয়েছে। ফলে রাজ্যের একাধিক সামাজিক প্রকল্প চালু রাখতে গিয়ে জলের মতো টাকা গলে যাচ্ছে। অথচ নির্বাচনী বিধির গেরোয় সমস্ত কাজ আটকে রয়েছে। গোটা রাজ্য প্রশাসনের কার্যত পঙ্গুদশা।

‘শেষকৃত্যের’ কিছুদিন পর বাড়ি ফিরলেন নিখোঁজ ব্যক্তি ,হতবাক গোটা পরিবার

‘আদালতের নির্দেশ ছাড়া দেশের বাইরে যেতে পারবেন না,’ হাইকোর্টের নির্দেশে অস্বস্তিতে অভিষেক

তৃণমূলের পার্টি অফিস খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ! মিলল রাশি রাশি রেশন কার্ড

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

শান্তনু সিনহা দাউদ যোগ সামনে এল! বাড়ি তৈরিতে আড়াই কোটির তদন্তে নয়া মোড়

শ্লীলতাহানির মিথ্যা অভিযোগে অঙ্কিতাকে ৩ কোটির আইনি নোটিস পাঠালেন দেবালয়

একজন ভোটার ভোট দিলেন তিনবার!‌ ফলতা পুনর্নির্বাচন চলাকালীন সামনে এল তথ্য

আতঙ্কের নাম ইবোলা, বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শিবির বাতিল কঙ্গোর

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বেলুড় মঠে শুভেন্দু, নয়াদিল্লি যাওয়ার আগে নিলেন আশীর্বাদ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম নয়াদিল্লি সফর, শুভেন্দুর কী কর্মসূচি রয়েছে?‌

ফলতায় পুনর্নির্বাচনে উৎসবের আবহ, বুথের বাইরে লম্বা লাইন ভোটারদের

ঝাল-টক স্বাদের জমজমাট অন্ধ্র স্টাইল টমেটো চাটনি, ইডলি দোসার সঙ্গে  জমবে  দারুন

ক্রিস্পি টাকোস থেকে চকোলেট বরফি! বানিয়ে ফেলুন হ্যাজেলনাটের সহজ ৩ রেসিপি

লোডশেডিংয়ে জেরবার হয়ে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ জনতার, বিক্ষোভকারীদের হাজতে পোরার‌ হুমকি দারোগার