রাজ্যে বন্ধ হল ক্লাব অনুদান, হাত গুটিয়ে নিল নবান্ন

টাকা দেওয়ার বিষয়টি ৪ বছর আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার সরকারি ভাবে শিলমোহর দেওয়া হল তাতে। ক্লাবগুলিকে আর এই খাতে টাকা দেওয়া হবে না।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: শুরু থেকেই বিতর্ক ধাওয়া করেছিল। অবশেষে সেই বিতর্কে সরকারি ভাবে ইতি পড়ে গেল। রাজ্যে বন্ধ হয়ে গেল সরকারি ভাবে ক্লাবগুলিকে(Clubs) আর্থিক অনুদান দেওয়ার প্রকল্প। বাংলার ক্লাবগুলির সার্বিক উন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার ৪ দফায় মোট ৫ লক্ষ টাকা করে প্রতিটি ক্লাবকে অনুদান দিয়েছিল। এবার সেই আর্থিক অনুদান(Financial Grants) প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হল। ২০১৯ সালের পর থেকে এই খাতে ক্লাবগুলিকে একটা টাকাও দেওয়া হয়নি। সেই হিসাবে টাকা দেওয়ার বিষয়টি ৪ বছর আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার সরকারি ভাবে শিলমোহর দেওয়া হল তাতে। নবান্ন(Nabanna) সূত্রের দাবি, প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলের নির্দেশে ক্লাবগুলিকে আর এই খাতে টাকা দেওয়া হবে না।

রাজ্যে পরিবর্তনের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ২০১২ সাল থেকে রাজ্যের ক্লাবগুলির জন্য একটি প্রকল্প চালু করেছিলেন। বাছাই করা ক্লাবগুলি প্রথম বছর এককালীন ২ লাখ এবং পরবর্তী তিন বছর ১ লাখ করে মোট ৫ লাখ টাকা পেত। প্রথম বছর ৭৮১টি ক্লাবকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হয়। ওই খাতে ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। তারপর ওই বছরই আরও ১৫০০ ক্লাবকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। যার জন্য অতিরিক্ত ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে হয়েছিল। আর তা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছিল, রাজ্য সরকার কেন ক্লাবগুলিকে আর্থিক অনুদান দেবে? যদিও সেই বিতর্কের মধ্যেই ২০১৮ সাল পর্যন্ত সেই প্রকল্প চালু রেখেছিল রাজ্য সরকার। শেষবার ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ক্লাবগুলির নাম তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের পরে তা নিয়ে আর কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।

ওই বছর নতুন করে রাজ্যের প্রায় ৩ হাজার ক্লাব সরকারের থেকে এই আর্থিক অনুদান চেয়ে আবেদন করে। নতুন ক্লাবকে প্রথম কিস্তির ২ লাখ এবং পুরনো ক্লাবগুলিকে পরবর্তী কিস্তির জন্য প্রায় ১০০ কোটির কাছাকাছি খরচ হয়। ক্লাবগুলিকে টাকা দেওয়া হতো ক্রীড়া ও সামাজিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য। নিয়মমতো সেই টাকা খরচের পরে রাজ্য সরকারের কাছে খরচের শংসাপত্র বা Utilization Certificate যা UC নামেও পরিচিত তা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু বহু ক্লাব সেই পথই মাড়ায়নি। তাই ২০১৯ সাল থেকে রাজ্য সরকারও এই প্রকল্পে টাকা খরচ করা বন্ধ করে দেয়। এবার সরকারি ভাবে তাতে কার্যত শিলমোহর দিয়ে দেওয়া হল।

‘তেল-গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ পেত কেউ,’ বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির

জোরালো ভূমিকম্পের জেরে ইন্দোনেশিয়ায় নিহত ২, হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বাড়ি

১২ মিনিট নয় টিভিতে যতক্ষণ খুশি চলবে বিজ্ঞাপন, নির্দেশ কেন্দ্রের

২০৪৭ সালে বিকশিত ভারত হবেই: মোদি

১৫ অগস্টে বাড়ির ছাদে পতাকা তুলবেন? বাস্তু মতে কোথায় রাখলে শুভ, জেনে নিন

৭০০০mAh ব্যাটারি ও দুর্দান্ত ফিচারসহ ভারতে লঞ্চ হল Moto G Max

২৫ অগস্ট চিত্রা নক্ষত্রে শুক্রের গোচর, ভাগ্য খুলতে পারে ৪ রাশির!

সরকারি চাকরির সুখবর, স্বাধীনতা দিবসে কপাল খুলবে ৬ রাশির জাতকদের

বাইরে ঘুরছে দুষ্কৃতীরা! তার মাঝেই রাতে সার্কিট হাউস ছাড়তে মহুয়াকে নির্দেশ

‘তৃণমূল হেরেছে বলেই দলবদল,’ বিস্ফোরক দাবি ‘ক্ষমতালোভী’ রচনার

‘কেউ যেন ন্যায় থেকে বঞ্চিত না থাকেন’, জাতির উদ্দেশে ভাষণে বার্তা রাষ্ট্রপতির

রান্নার গ্যাসের ই-কেওয়াইসি’র সময়সীমা বৃদ্ধি করল কেন্দ্র

শাহের বিরুদ্ধে ‘অসংসদীয়’ মন্তব্য, অধ্যক্ষের পদক্ষেপে চাপে পড়লেন রাহুল

পোস্টঅফিসে কত টাকা জমা রাখলে প্রতি মাসে মিলবে ২০ হাজার টাকা?