আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনিতেই ৫০০ টাকা ছাড়!‌ চিকিৎসক–রোগীর মধ্যে লাগল রাজনীতির রং

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের জেরে এখন পারদ সপ্তমে। সব রাজনৈতিক দলগুলিই নেমে পড়েছে প্রচারে। বাংলার রাজনীতিতে খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের আনাগোনা শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকলেই বাংলায় এসে প্রচার করছেন। কিন্তু তার মধ্যে এবার সামনে এল এক অভিনব প্রচার। যেখানে রোগী চিকিৎসা পরিষেবায় ছাড় পাচ্ছেন স্রেফ ‘‌জয় শ্রীরাম’‌ বলার জন্য। খোদ চিকিৎসক এই ব্যবস্থা করেছেন বলে অভিযোগ সামনে এসেছে। এমনটাও যে হতে পারে তা কেউ কল্পনাও করতে পারছেন না। অবাক হলেও আজ এটাই বাস্তব। রাজনীতি এখন প্রবেশ করে গিয়েছে চিকিৎসক এবং রোগীর মধ্যেও।

এদিকে চিকিৎসক তো সাধারণ মানুষের কাছে ভগবানের রূপ। তাঁর কাছে বর্ণ, ধর্ম বা রাজনৈতিক আদর্শের কোনও বিষয় থাকে না। তিনি এসবের ঊর্ধ্বে থাকেন। আর তাঁর কাছে, আর্তের সেবা করাই পরম ধর্ম। কিন্তু এই নির্বাচনের আবহে সেই মহৎ পেশার গায়েও লেগে গেল রাজনীতির রং। কলকাতার নামী কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ পিকে হাজরার সাম্প্রতিক একটি পোস্টার ঘিরে এখন এমনই সব কথা উঠতে শুরু করেছে। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্টার ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কলকাতার বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পিকে হাজরা গেরুয়া উত্তরীয় এবং মাথায় টুপি পরে আছেন।

অন্যদিকে ওখানেই লেখা রয়েছে, রোগী চিকিৎসকের চেম্বারে এসে ‘জয় শ্রী রাম’ বললে ডাক্তারবাবুর কনসালটেশন ফি দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় পাবেন। আর রিসেপশনে ওই ছবি দেখালে ৫০০ টাকা ছাড় পাওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এই ঘটনা চিকিৎসকের পেশার সততা ও নিরপেক্ষতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়ে কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ পি কে হাজরা বলেন, ‘জয় শ্রী রাম কোনও ধর্মীয় স্লোগান নয়, এটি একটি নিখাদ রাজনৈতিক স্লোগান। বিধানচন্দ্র রায় যদি চিকিৎসক হয়েও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন, এথবা ডাঃ শান্তনু সেন যদি তৃণমূলের সাংসদ হতে পারেন, তবে আমার এই প্রচারে ভুল কোথায়? আমি আমার পেশাকে কেন্দ্র করেই এই প্রচারের কাজটি করছি।’‌

এছাড়া ডাঃ পি কে হাজরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কোনও ক্ষতি করছেন না। বরং মানবসেবার মাধ্যমেই বিজেপির হয়ে প্রচার করছেন। প্রয়োজনে আগামী দিনে দলের প্রার্থী হতেও তিনি প্রস্তুত। আর নির্বাচন মিটে গেলেও তাঁর এই বিশেষ ছাড়ের বিষয়টি জারি থাকবে। ডাঃ নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডাঃ সুবর্ণ গোস্বামী উভয়েই এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেছেন। ডাঃ নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও ব্যক্তিগতভাবে বিজেপির সভায় গিয়ে যোগ দিয়েছেন। এই বিষয়ে ডাঃ নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‌আমার কাছে তো বামপন্থী নেতারাও চিকিৎসা করেন, তৃণমূলের নেতারাও ভর্তি থাকেন, বিজেপির নেতাদেরও চিকিৎসা করি। সেখানে আমার কাছে কোনও ভেদাভেদ নেই। কিন্তু এভাবে কোনও নির্দিষ্ট দলীয় স্লোগান সামনে রেখে ডাক্তারি করা একেবারেই এথিক্যাল মনে করছি না।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘আমি এইরকম ভোট কখনও দেখিনি’, মিত্র ইনস্টিটিউট থেকে বেরিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ মমতার

ভোটকেন্দ্রে দুর্ঘটনা, টালিগঞ্জে সিলিং ফ্যান ভেঙে আহত ভোটার

নবান্নের কুর্সিতে কাকে দেখতে চান? সপরিবারে ভোট দিয়ে যা জানালেন দেব

স্ত্রী ডোনাকে সঙ্গে নিয়ে বড়িশার জনকল্যাণ স্কুলে ভোট দিলেন সৌরভ

কেউ টালিগঞ্জে, কেউ বেহালায়, ভোট উৎসবে সামিল প্রসেনজিৎ থেকে জিৎ, কোয়েল, শ্রাবন্তী

‘রাজনৈতিক ডাস্টবিনে পরিণত করা যাবে না’, বাড়িতে বসে বিস্ফোরক পার্থ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ