চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, সরব পার্থও

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য বিধানসভায়(State Legislative Assembly) সোমবার যে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যায় তার জল এবার আস্তে আস্তে অনেকটাই গড়াতে শুরু করে দিয়েছে। বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে অধিবেশন চলাকালীন সময়ে অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে তাঁর সামনেই তৃণমূলের বিধায়ক অসিত মজুমদারকে(Asit Majumdar) মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বিধানসভার অধিবেশন কক্ষের মেঝেতে ফেলে মারধর করা হয় অসিতবাবুকে। তবে সেই ঘটনার থেকেও অসিতবাবু বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, শুভেন্দু ঘুঁষি মেরে তাঁর নাক ফাটিয়ে দিয়েছে। আর সেই ঘটনার জেরেই এবার শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)।

জানা গিয়েছে, এদিন দার্জিলিং থেকেই মুখ্যমন্ত্রী বিকালের দিকে ফোন করেছিলেন ফিরহাদ হাকিমকে। সেই সময়েই তিনি ফিরহাদকে নির্দেশ দেন শুভেন্দুর(Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে যেন এফআইআর করা হয়। অসিতবাবুর মতো প্রবীণ বিধায়কের গায়ে হাত তোলা, তাঁকে মারধর ও বিন্দুমাত্র দুঃখিত না হওয়ার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী রীতিমত ক্ষুব্ধ হন শুভেন্দু সহ বিজেপি বিধায়কদের ওপরে। তার জেরেই তিনি এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ দেওয়ার আগেই বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু সহ বিজেপির ৫ বিধায়ককে চলতি বছরের জন্য বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড করেছেন। অর্থাৎ ২০২২ সালে রাজ্য বিধানসভায় যত অধিবেশন বসবে তার কোনওটিতেই যোগ দিতে পারবেন না শুভেন্দু সহ বিজেপির ওই ৫ বিধায়ক। যদিও শুভেন্দু জানিয়েছেন, তিনি এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন।

এদিকে বিধানসভায় এদিনের ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু সহ বিজেপির ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন রাজ্যের শিল্প-বাণিজ্য ও পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়(Partha Chatterjee)। এদিন বিধানসভা ভবনে নিজের ঘরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, গোটা ঘটনার পিছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে। তিনি বলেন, ‘গঠনমূলক আলোচনার বদলে বারবার বিধানসভার কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের উন্নয়নকে ব্যহত করছেন বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভার ঐতিহ্য ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। এদের কাজ সন্ত্রাস করা। রোজ সকালে ভাঙচুর চালানো। সবার কাজ বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে ওরা। অধ্যক্ষ আজ বাধ্য হয়ে সাসপেন্ড করেছেন। নিজেদের বিধানসভা এলাকা নিয়ে কোনও আলোচনা করেন না বিজেপি বিধায়করা। এ দিনের ঘটনা অত্যন্ত লজ্জাজনক, ন্যক্কারজনক। যে ভাবে মাইক খুলে নিয়েছে, কাগজ ছিঁড়ে দিয়েছে, কর্মীদের ওপর আক্রমণ করেছে তাতে নিন্দার ভাষা নেই।’ নিজেদের এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি কথাও বলেন না। উলটে হাঙ্গামা-মারামারি করে নিজেদের উপস্থিতি জাহির করার চেষ্টা করেন। শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্য সচেতক মনোজ টিগগার মত নেতারা আজ বিধানসভার গরিমা নষ্ট করেছেন। এর আগেও দেখা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় কীভাবে তাঁরা সমস্যা তৈরি করেছেন। হাঙ্গামা-ঝামেলা করে সভা ভণ্ডুল করা চেষ্টা করেছেন। আজ তারই নক্কারজনক বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল। দল গণতান্ত্রিকভাবে বিজেপির এই তাণ্ডবের প্রতিবাদ জানাবে, মোকাবিলা করবে। বিধানসভার ভিতরে সভার নিয়ম-নীতি মেনে এর প্রতিবাদ-ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিধানসভার বাইরে একই ভাবে তাণ্ডব-হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। পরিকল্পনা করে রাজ্য প্রশাসনকে অপদস্ত-বদনাম করার কাজ করছে। বাংলার মানুষ এর জবাব দেবেন। আর তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিক-সাংগঠনিক ভাবে এর মোকাবিলা করবে।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তৃণমূলের হয়ে কাজের অভিযোগ! পাঁচ বিএলওকে সাসপেন্ড ও এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

ভোটের মুখেই বিধাননগরের সিপি বদল কমিশনের, সরানো হল মুরলীধরকে

ভোটের মাঝে আচমকাই অভিষেককে ফোন রাহুলের!

ভোটের পরই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, জানা যাবে মোবাইল অ্যাপেও

নির্বাচনের আগে উত্তরে দুর্যোগ বাড়লেও দক্ষিণে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪০ ডিগ্রির ঘরে

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ