Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

একুশের সকালে বীর শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি মমতার

১৯৯৩ সালের এই দিনেই পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩জন। এদিন সকালেই তাঁদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন মমতা বন্দ্যোয়াপধ্যায়।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ একুশে জুলাই(Ekushe July)। অমর একুশ। শহীদ তর্পণের একুশ। ১৯৯৩ সালের এই দিনেই কলকাতার(Kolkata) বুকে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩জন বীর যুব কংগ্রেস কর্মী। এদিন সকালেই তাঁদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বাংলার অগ্নিকন্যা তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। এদিন তিনি ফেসবুকে পোস্ট করে সেই বীর শহীদদের(Brave Martyrs) উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। সেই ১৩জন বীর শহীদ হলেন – বন্দন দাস, মুরারী চক্রবর্তী, রতন মন্ডল, বিশ্বনাথ রায়, কল্যাণ ব্যানার্জী, অসীম দাস, কেশব বৈরাগী, শ্রীকান্ত শৰ্মা, দিলীপ দাস, প্রদীপ রায়, রঞ্জিত দাস, মহঃ আব্দুল খালেক এবং ইনু।

এদিন নিজের ফেসবুক পোস্টে মমতা লিখেছেন, ‘১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই আমাদের ১৩ জন সহযোদ্ধা সিপিআইএমের পুলিশের বর্বরোচিত অত্যাচার এবং নির্মম গুলিতে অকালে প্রাণ হারান। তাঁদের বিনম্র চিত্তে প্রণাম জানাচ্ছি এবং শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করছি। এছাড়াও, সকল ভাই বোনেরা যাঁরা বিভিন্ন আন্দোলন ও কর্মসূচিতে শহিদ হয়েছেন, তাঁদের সকলকে এই শহিদ তর্পণ দিবসে জানাই প্রণাম ও আন্তরিক শ্রদ্ধার্ঘ্য।ধর্মতলায় বাংলার সকল মা-মাটি-মানুষকে আমার সাদর আমন্ত্রণ রইলো। আসুন, মহান শহিদ তর্পণে অংশ নিন এবং একুশে জুলাইয়ের সমাবেশকে সাফল্যমণ্ডিত করুন।’ লোকসভা ভোটে সাফল্যের পর বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) এটাই প্রথম বড় কর্মসূচি। ২১ জুলাইয়ের সভাকে ‘সেতুবন্ধনের’ সভা হিসাবে দেখছেন তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের অনেকে। যেখানে এক দিকে লোকসভার জয়ের বিজয় উদ্‌যাপিত হবে। অন্য দিকে, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের লক্ষ্যে দলকে দিশা দেবেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৬ সালে নির্ধারিত সময়ে বিধানসভা ভোট হলে মাঝে আর একটি ২১ জুলাই পড়বে। কিন্তু শাসকদলের নেতৃত্বের অনেকেই মনে করছেন, মমতা চাইবেন দু’বছর আগে থেকেই বিধানসভার লক্ষ্যে সংগঠন সাজাতে এবং দলের অভিমুখ ঠিক করে দিতে।

২০২৬ সালে বিধানসভা ভোটের আগে শাসকদলকে আর বড় কোনও ভোটের মুখোমুখি হতে হবে না। পুরভোট নির্ধারিত সময়ে হলে তা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে। আর পঞ্চায়েত ভোট ২০২৮ সালে। ফলে বিধানসভার আগে কোনও স্থানীয় স্তরের নির্বাচনে কয়েকটি উপনির্বাচন ছাড়া ‘টেস্ট’ পরীক্ষার সুযোগ নেই। লোকসভা ভোটে তৃণমূল ২৯টি আসন পেলেও দেখা গিয়েছে শহরাঞ্চলে শাসকদল ‘ধাক্কা’ খেয়েছে। রাজ্যের ১২১টি পুরসভার মধ্যে ৬৯টিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কলকাতা, আসানসোল, শিলিগুড়ির মতো ‘কর্পোরেশন’ এলাকাতেও তৃণমূল অনেক ওয়ার্ডে পিছিয়ে। শহরাঞ্চলের ক্ষতে প্রলেপ দিতে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছেন ‘প্রশাসক’ মমতা। অনেকের মতে, প্রশাসনের পাশাপাশি সংগঠনের বিষয়েও রবিবারের সভা থেকে বার্তা দিতে পারেন তিনি।

মঙ্গলে শেয়ার বাজারে বড় ধস, সেনসেক্সে ৪২০ পয়েন্ট পতনে চাপে বিনিয়োগকারীরা

চলন্ত বাইকে তরুণীকে চুল টেনে একের পর এক ঘুষি, ভাইরাল হাড়হিম ভিডিও

মেট গালায় মনীশ মালহোত্রার ভাইরাল লুক, ৯৬০ ঘণ্টার বন্দগলায় কী আছে জানেন?

প্রেমের সমস্যা সমাধানের নামে পোশাক খুলতে বাধ্য করা হল মহিলাকে, তারপর যা ঘটল…

পালাবদলের পরেই নতুন সচিব পেলেন রাজ্যপাল, কে দায়িত্বে?

বিজয়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে এ আর রহমানের বার্তা, কি লিখলেন জানেন?

গরম কমাতে বিয়ের শোভাযাত্রায় বরযাত্রীদের জন্য বিশেষ তাঁবুর ব্যবস্থা… ভাইরাল ভিডিও

ট্রেনে বন্ধুত্ব করেই বিপদ! ‘অশ্লীল’ ভিডিওর ফাঁদে পড়ে ৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন বৃদ্ধ

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের উপর মার্কিন হামলায় নিহত ৫, আমিরশাহিতে ড্রোন হামলা ইরানের

কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি, সঙ্গে রাখুন ছাতা

গেরুয়া ঝড়ে কুপোকাত রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা, গড় ধরে রাখতে ব্যর্থ সুজিত-অরূপরা

ফুটল না ‘জোড়া ফুল’, নন্দীগ্রাম থাকল শুভেন্দুরই হাতে

মহীরূহ পতন, নিজের গড়েই হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মমতা-শুভেন্দু, দু’জনের ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের