আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাংলায় ঘর ভাঙার জল্পনায় উদ্বেগে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

Courtesy - Google and Facebook

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাত্র ৪ দিন আগে দেশের বুকে হয়ে যাওয়া অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের(Loksabha Election 2024) ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সেই ফল বলে দিচ্ছে, এবার দেশের কোনও রাজনৈতিক দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বিজেপি(BJP) পেয়েছে ২৪০জন সাংসদ এবং কংগ্রেস(INC) পেয়েছে ৯৯জন সাংসদ। বিজেপির নেতৃত্বাধীন NDA পেয়েছে ২৯২টি আসন এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন INDIA জোট পেয়েছে ২৩৫টি আসন। সেই হিসাবে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রে সরকার গড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে গেরুয়া ব্রিগেড। INDIA জোটও নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাঁরা লোকসভায় বিরোধী আসনেই বসবে। তবে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়ার প্রস্তুতি যখন চলছে, তখনই দল ভাঙার আশঙ্কাই ক্রমশ জমাট ভাবে চেপে বসছে পদ্মশিবিরে। দিন দুই আগেই সোশ্যাল মিডিয়াতে নানাজনের তরফে দাবি করা হয়েছে যে, বাংলা(Bengal) থেকে নির্বাচিত ৬জন বিজেপি সাংসদ নাকি তৃণমূলের(TMC) সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। এমনকি গত বুধবারে হয়ে যাওয়া INDIA জোটের বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক নাকি ঠারেঠোরে তেমনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। এখন জানা যাচ্ছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও নাকি বিষয়টি নিয়ে বেশ উদ্বেগে রয়েছে।

উদ্বেগ কোথায় ও কেন? সোশ্যাল মিডিয়াতে নানান জনে নানান দাবি করে থাকেন। কিন্তু যখন সংবাদমাধ্যমও একই বিষয়ে আলোকপাত করতে থাকে তখন আর তা গুজব হয়ে থাকে না। বাংলার বুকে বিজেপির নির্বাচিত সাংসদের একাংশ যে সত্যিই তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন সেটা এখন নানা সংবাদমাধ্যমে যেমন তুলে ধরা হচ্ছে তেমনি বিজেপির জেতা সাংসদদের মধ্যেও কেউ কেউ আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। এদের মধ্যে অন্যতম বিষ্ণুপুর থেকে নির্বাচিত বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি কার্যত সাফ জানিয়েই দিয়েছেন, দল এবার তাঁকে বাংলার মাটিতে গুরুত্ব না দিলে এবং কেন্দ্রে মন্ত্রীত্ব না দিলে তিনি নিজের মতো করে অন্য কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন। একই সঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এটাও পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে সত্যি সত্যি বাংলার ৫-৬জন বিজেপি সাংসদ তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এবং এদের মধ্যে থেকে অন্তত ৩জন জার্সি বদলের জন্য শুধু অপেক্ষা করছেন। শুধু তাই নয়, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়ে হেরেছেন যে সব পদ্মপ্রার্থী তাঁদেরও কয়েকজন পা বাড়িয়ে আছেন তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য।

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এটা খুব ভালই জানেন, তৃণমূল বাংলার মাটিতে পদ্মের শিবিরে হানাদারি চালালে ঠিক কতজন জনপ্রতিনিধি জোড়াফুলে ভিড়ে যেতে পারেন। কেননা এই ছবি তাঁরা একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই দেখে আসছেন। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এটাও কানে গিয়েছে যে, বাংলার বুকে অন্তত এক ডজন পদ্মবিধায়কও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এই ভাবে চলতে থাকলে যে কেন্দ্রের সরকারের চাকা বেশি দিন বেশি দূর গড়াবে না সেটা মোসি-শাহ-নাড্ডা বিলক্ষণ জানেন। কিন্তু এখন তাঁদের কাছে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাঁদের নিজেদের পায়ের তলার মাটিটাই আলগা হয়ে গিয়েছে। ফলে দলের সাংসদ ও বিধায়কদের বিরুদ্ধে যে তাঁরা কোনও কড়া পদক্ষেপ নেবেন সেটাও তাঁরা করতে পারছেন না। এমনকি এই সব সাংসদ বিধায়কদের পিছনে যে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে লাগিয়ে দেবেন সেই উপায়ও থাকছে না। সব মিলিয়ে কার্যত ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে থাকা ছাড়া এখন আর দ্বিতীয় কোনও রাস্তা খোলা নেই তাঁদের কাছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

স্ত্রী ডোনাকে সঙ্গে নিয়ে বড়িশার জনকল্যাণ স্কুলে ভোট দিলেন সৌরভ

কেউ টালিগঞ্জে, কেউ বেহালায়, ভোট উৎসবে সামিল প্রসেনজিৎ থেকে জিৎ, কোয়েল, শ্রাবন্তী

‘রাজনৈতিক ডাস্টবিনে পরিণত করা যাবে না’, বাড়িতে বসে বিস্ফোরক পার্থ

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের মাঝে আচমকাই শুভেন্দুকে ফোন শাহের

শুভেন্দুকে ঘিরে ‘চোর–চোর’ স্লোগান, ভবানীপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ডেকে ছুটে পালালেন

আরবানায় প্রথম ভোটার রচনা, সবুজ পোশাকে ভোট দিয়ে কী বললেন তারকা সাংসদ?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ