চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অব্যবহৃত জমি ফেরত নিয়ে নিলামে তুলবে রাজ্য সরকার

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেউ জমি চেয়েছিলেন অফিস করবেন বলে। কেউ বা চেয়েছিলেন শিল্প গড়বেন বলে। কেউ বা জমি পেয়েছিলেন বাড়ি তৈরি করার কথা বলে। কিন্তু না হয়েছে অফিস, না হয়েছে শিল্প, না হয়েছে বাড়ি। বছরের পর বছর ধরে ফাঁকা হয়েই পড়ে আছে সেই সব জমি। অথচ যাদের সত্যিকারের অফিস, গোডাউন, লজেস্টিক পার্ক, শিল্প গড়ার জন্য জমির প্রয়োজন তাঁরাই তা পাচ্ছেন না। আর এই ছবি সামনে আসার পরে পরেই এবার কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। রাজ্য সরকারের কাছ থেকে জমি লিজ(Lease Land) নিয়ে বছরের বছর ধরে তা ফেলে রেখেছেন যারা, তাঁদের বিরুদ্ধে এবার কড়া ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। অব্যবহৃত জমি ফেরত নিয়ে নিলামে(Auction) তুলবে সরকার। সেই জন্য প্রতিটি দফতরকে নবান্নের(Nabanna) তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

আরও পড়ুন শুভেন্দুর মন্তব্যের জেরে ফুলবদল সংখ্যালঘু নেতার, বড় ধাক্কা বিজেপির

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাম আমলে কলকাতা এবং তার আশপাশে অফিস, কারখানা এবং বাড়ি বানানোর জন্য হাজার হাজার একর জমি লিজ দেওয়া হয়েছিল। বাজার দরের তুলনায় অনেক কম দামে সরকারের কাছ থেকে জমি পেলেও অনেকেই সেটা ফেলে রেখেছেন। সেখানে কিছুই তৈরি হয়নি। এর মধ্যে বেশ কিছু জমি বেআইনি ভাবে আবার হাতবদলও হয়ে গিয়েছে। অথচ, প্রশাসন সে ব্যাপারে বিন্দুবিসর্গ কিছু জানে না। এই ধরনের জমির খোঁজে এখন হন্যে হয়ে নেমেছে প্রশাসন। এক সময় কলকাতার সল্টলেক, কসবা, পাটুলি এবং ইএম বাইপাসের দু’পাশে প্রচুর লোককে বসতি গড়ার জন্য সরকারি জমি লিজ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, সে সব জায়গায় বহু সরকারি জমি এখনও অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অনেকে লিজ নেওয়া জমি অন্যকে ভাড়া দিয়ে বসে আছেন। অনেকে আবার কলকাতা পুরনিগম থেকে Building Plan’র স্যাংশন নিলেও কোনও ধরনের নির্মাণ শুরু করেননি। তাদের শনাক্ত করে Resumption Notice ধরাচ্ছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর।  

আরও পড়ুন কাল রাজ্য বিধানসভায় Indo-Bhutan River Commission নিয়ে বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী

বাংলার পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দাবি, লিজের শর্ত অনুযায়ী, জমির পজেশন নেওয়ার পর তিন বছরের মধ্যে বাড়ি বা অফিস কিংবা গোডাউন নির্মাণের কাজ শুরু করার কথা। না হলে সেই জমি ফেরত নিয়ে নিতে পারে সরকার। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বছরের পর বছর ধরে সেই সব জমিতে কিছুই গড়ে তোলা হয়নি। শুধু ইএম বাইপাসের দু’ধারে এরকম কয়েক হাজার একর জমি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বর্তমানে ওই সব এলাকায় জমির যা বাজারমূল্য তাতে সব জমি যদি পুনরুদ্ধার করা যায় তাহলে সরকারি কোষাগারে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা হবে। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে সরকারের কাছ থেকে জমি নিয়ে ফেলে রাখায় একটি সংস্থাকে কয়েক দিন আগে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অধীনস্ত Land Allotment Cell’র পক্ষ থেকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। প্রায় ১৫ কাঠা আয়তনের ওই জমিতে গ্যাস ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানা হওয়ার কথা ছিল। ১৯৮৭ সাল থেকে তারা ওই জমি নিয়ে ফেলে রেখেছে। জমি নিয়ে ফেলে রাখায় কসবা এবং বৈষ্ণবঘাটা-পাটুলি উপগনগরীতে শতাধিক ব্যক্তিকেও Show Cause Notice ধরানো হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

কলকাতায় গরম বেড়ে হবে ৩৭ ডিগ্রি, পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪১’র ঘরে

প্রথম দফার ভোটের দিন রাজ্যে থাকবেন মোদি-শাহ, বড় পরিকল্পনা বিজেপির

ভয় পেয়ে বিজেপি এজেন্সির চাপ দিচ্ছে, ভবানীপুরে কমিউনিটি বৈঠকে তোপ মমতার

আর্থিক তছরূপ মামলায় টানা ৭ ঘন্টা জেরার পর অবশেষে গ্রেফতার ব্যবসায়ী জয় কামদার

নিউটাউনে নালার ধার থেকে ৫০০ আধার কার্ড উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

রবিবাসরীয় ভোটপ্রচারে অলি-গলিতে পায়ে হেঁটে ঝড় তুললেন সুজিত বসু

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ