ব্যারাকপুরজুড়ে পড়েছে পোস্টার, বাঙালি সাংসদ চাই এবার

যে অর্জুন ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের শেষ কথা হয়ে উঠেছিলেন, সেখানেই শয়ে শয়ে বাড়িতে পড়েছে পোস্টার, ‘বাঙালি সাংসদ চাই এবার’।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০০৯ সাল থেকে ব্যারাকপুর সাংসদ হিসাবে পেয়ে এসেছে অবাঙালিকে। ২০০৯ থেকে ২০১৯, টানা ১০ বছর ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ ছিলেন দ্বিনেশ ত্রিবেদী। উনিশে তাঁকে হারিয়ে জয়ী হন অর্জুন সিং(Arjun Singh)। তিনিও অবাঙালি। তবে তিনি জিতেছিলেন বিজেপির প্রার্থী হয়ে। এবার সেই ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল এলাকাজুড়ে শনি সকাল থেকেই বাড়িতে বাড়িতে পড়েছে বড় বড় পোস্টার(Postar), ‘বাঙালি সাংসদ চাই এবার’। লক্ষ্য যে তৃণমূল প্রার্থী(TMC Candidate) প্রার্থ ভৌমিক(Partha Bhowmick) সেটা অস্বীকার করার জায়গা নেই। কেননা অর্জুন এবারেও বিজেপির টিকিটেই(BJP Candidate) ব্যারাকপুরের ভোটে দাঁড়িয়েছেন। যদিও তাঁর ওপর ভরসাই নেই খোদ বিজেপির একশ্রেনীর নেতাকর্মীদের। তাঁরা কার্যত বসেই গিয়েছেন। তবুও যে অর্জুন ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের শেষ কথা হয়ে উঠেছিলেন, সেখানেই যদি শয়ে শয়ে বাড়িতে পোস্টার পড়ে ‘বাঙালি সাংসদ চাই এবার’, তাহলে ধরে নিতেই হয় এই লড়াই এখন আর শুধু রাজনীতির ময়দানে দাঁড়িয়ে নেই। এর অন্দরে রয়েছে বাঙালি-অবাঙালি দ্বন্দ্ব।

আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া এবং ব্যারাকপুর – এই ৭ বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে ব্যারাকপুর লোকসভা(Barracpur Loksabha) কেন্দ্রের গঠন। উনিশের ভোটে এই ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া ও জগদ্দল থেকে লিড পেয়েছিলেন অর্জুন। শেষমেষ ১৪ হাজার ভোটে জিতে যান তিনি। এর মধ্যে তাঁর নিজের এলাকা ভাটপাড়া থেকে তিনি প্রায় ৩০ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন যা তাঁকে জয়ের মুখ দেখিয়েছিল। একই সঙ্গে একটা আবেগও কাজ করেছিল সেবার। অর্জুন দীর্ঘদিনের তৃণমূল নেতা। দলের অতিবড় দুর্দিনেও তিনি দল ছাড়েননি। কিন্তু দল তাঁকে ব্যারাকপুরের সাংসদ করতে চায়নি। তার জেরেই অর্জুনের দলত্যাগ। কিন্তু তার জেতার পরে ভাটপাড়ায় যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে সেই ঘটনার ক্ষত আজও বয়ে নিয়ে চলেছে সমগ্র ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল। তারপর থেকেই এই শিল্পাঞ্চলে প্রকট হয়েছে বাঙালি আর অবাঙালির লড়াই। একদিকে বাংলা ভাষী মানুষ অপরদিকে হিন্দি ভাষী মানুষ। পরিসংখ্যান বলছে, ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার হিন্দিভাষী। বাকি ৫০ শতাংশ বাঙালি। ১০ শতাংশ উর্দু ভাষী।

স্বাভাবিক ভাবেই এদিন সকাল থেকেই আমডাঙা থেকে বীজপুর, নৈহাটি থেকে ভাটপাড়া, নোয়াপাড়া থেকে ব্যারাকপুরে যে ভাবে বাড়িতে বাড়িতে ‘বাঙালি সাংসদ চাই এবার’ পোস্টার পড়েছে তাতে অর্জুনের সিংয়ের কাছে কখনই সুখানুভূতি এনে দেবে না। এলাকার অভিজ্ঞদের দাবি, যে মেশিনারির ওপর ভর দিয়ে অর্জুন উনিশের ভোটে জিতেছেন, সেই মেশিনারি এখন তৃণমূলের হাতে। সেই জন্যই একুশের ভোটে বিজেপি ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে থাকা অর্জুনের নিজের এলাকা ভাটপাড়া ভিন্ন আর কোথাও জিততে পারেনি। অর্জুন নিজেও বিজেপি প্রার্থীদের জেতাতে পারেননি। সেই মেশিনারি যে এখনও তৃণমূলের হাতেই রয়েছে তারই নমুনা এই পোস্টার। তাঁরাই পার্থকে জেতাতে বাঙালি আবেগ উস্কে দিয়ে এই পোস্টার ছড়িয়ে দিয়েছেন বাড়িতে বাড়িতে। অনেকের অভিমত এর পিছনে কাজ করছে বাংলা পক্ষ’র মতো সংগঠনও। সব মিলিয়ে বাঙালি ভোট এবার এককাট্টা হতে চলেছে বিজেপির বিরুদ্ধে, অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে।

ঝাড়গ্রাম পুরসভার কর্মচারীদের কড়া বার্তা দিলেন বিজেপি বিধায়ক

শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ আর জোড়া গোল! যুবভারতীতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর অমীমাংসিত ডার্বি

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঠের সেতু পারাপারে টোল আদায় বন্ধ করল বিজেপি

ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দুর্গাপুরের নিউমার্কেট এলাকার রাস্তা সারালেন বিজেপি বিধায়ক

মরশুমের প্রথম ডার্বিতে হাড্ডাহাড্ডি স্নায়ুর লড়াই, সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে প্রথমার্ধ গোলশূন্য

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে ফের শোকের ছায়া, ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী তামিল প্রযোজক

মোদির আত্মনির্ভর পথে বিশেষ ধরনের মাইক্রো টার্বোজেট ইঞ্জিন তৈরি করেছে মৃন্ময়

২৩ রানে পঞ্জাবকে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফে আরসিবি

‘‌এখন ডিজের বদলে তৃণমূল নেতাদের ঘরে হারমোনিয়াম বাজছে’‌, ফলতায় খোঁচা শমীকের

বছরে ৬,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য! বাংলায় শুরু আরও একটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প

ডার্বি ম্যাচে আমন্ত্রিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রবিবাসরীয় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে নয়া দৃশ্য!

রাজ্যের মন্ত্রী হয়ে সস্ত্রীক গ্রামের বাড়িতে দিলীপ, রবিবার ঝাড়গ্রামে উৎসবের মেজাজ

প্রয়াত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের চণ্ডীপুরের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী

মস্কোয় ইউক্রেনের ড্রোন হামলার জেরে মৃত্যু হল এক ভারতীয়ের, জখম ৩