আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রামপুরহাটে পৌঁছালেন মুখ্যমন্ত্রী, যাচ্ছেন বকটুইয়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের হেলিপ্যাড থেকে বেলা ১২টা নাগাদ হেলিকপ্টারে করে রামপুরহাটের পথে রওয়ানা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠান থেকে জানিয়েছিলেন, তিনি ওইদিনই রামপুরহাটে(Rampurhat) যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপির বিধায়কেরা ওইদিন বকটুই গ্রামে যাচ্ছেন বলে মুখ্যমন্ত্রী আর গতকাল যেতে চাননি। পরিবর্তে বৃহস্পতিবার তিনি যাবেন বলে জানিয়েছিলেন। সেই মতোই এদিন দুপুর ১টার কিছু আগে রামপুরহাটে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে হেলিপ্যাড থেকে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে যাওয়ার কথা ছিল রামপুরহাট সার্কিট হাউসে(Circuit House)। সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী যাওয়ার কথা ছিল বকটুই(Boktui) গ্রামে। ঘুরে দেখার কথা রয়েছে মূল ঘটনাস্থলের। সেই সঙ্গে কথা বলবেন ভাদু শেখের পরিবার ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতদের পরিবারের সঙ্গেও। যাবেন রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আহতদের সঙ্গেও কথা বলতে। কিন্তু রামপুরহাট পৌঁছেই মুখ্যমন্ত্রী সার্কিট হাউসে না গিয়ে সোজা বকটুই গ্রামের পথে রওয়ানা দেন। 

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে বৃহস্পতিবার সকালেই বকটুই গ্রামে ফিরেছেন ভাদু শেখের পরিবার। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃদের পরিবারের বেশ কয়েকজন সাঁইথিয়ায় চলে গিয়েছিলেন। এদিন সকালেই জেলা শাসকের নির্দেশে সাঁইথিয়ায় যান রামপুরহাট-১ ব্লকের বিডিও। সেখানে তিনি বকটুই ছেড়ে চলে যাওয়া পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন। বিডিও তাঁদের এটাও জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে চান, কথা বলতে চান। তাঁরা যেন গ্রামে ফিরে আসেন। তাঁদের পুলিশি নিরাপত্তায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং তাঁরা যাতে নিরাপদে বকটুইয়ে থাকতে পারেন তার জন্য পুলিশি নিরাপত্তাও প্রদান করা হবে। সেই আশ্বাসে ওই পরিবারগুলি বকটুইয়ে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। মুখ্যমন্ত্রী রামপুরহাটে আসছেন বলে এদিন সকাল থেকেই রামপুরহাট শহর ও বকটুই গ্রামকে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে তিনদিন কেটে গেলেও এখনও আতঙ্ক কাটেনি বকটুই গ্রামের। বগটুই গ্রাম জুড়ে চলছে পুলিশের টহলদারী। জায়গায় জায়গায় রয়েছে পুলিশ পিকেট। তারপরেও থমথমে হয়ে রয়েছে গোটা গ্রাম।

জানা গিয়েছে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বকটুই গ্রামে যাওয়ার আগেই রামপুরহাট সার্কিট হাউসে একটি প্রশাসনিক বৈঠক করবেন বলে ঠিক ছিল। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সবিস্তারে খবর নিতেি সেই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তারপরই মুখ্যমন্ত্রী যাওয়ার কথা ছিল রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি ৫জন আহতদের দেখতে ও তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রী বগটুইয়ের উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন বলে জানা ছিল। যদিও রামপুরহাট পৌঁছেই সেই পরিকল্পনায় বদল ঘটান মুখ্যমন্ত্রী। সার্কিট হাউসে না গিয়ে সোজা রওয়ানা দেন বকটুই গ্রামের পথে। মুখ্যমন্ত্রী আসার দিনেই বকটুইয়ে আসছে বিজেপির(BJP) কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। ৫ সদস্যের ওই দলে রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজি ও রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল, মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার ও সাংসদ সত্যপাল সিং, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ও রাজ্যসভার সাংসদ কে সি রামমূর্তি, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র ভারতী ঘোষ। তবে এদিন বকটুইয়ে আসছে না কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক দল। এদিন সন্ধ্যায় তাঁরা কলকাতায় আসবেন ও তারপরে আগামিকাল তাঁরা বকটুই গ্রামে গিয়ে সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করবেন তাঁরা।

এদিন বকটুই গ্রামে আসার কথা ছিল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীরও(Adhir Ranjan Chowdhury)। কিন্তু এদিন কলকাতা থেকে নির্বিঘ্নে রওয়ানা দিলেও বোলপুরের শ্রীনিকেতন মোড়ে তৃণমূলের কর্মীরা তাঁর গাড়ি আটকে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তারপরে সেখানেই বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন অধীরবাবু। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেন, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে যাচ্ছি না। আমরা কামান, বন্দুক, একে-৪৭ নিয়ে যাচ্ছি না। আমাকে ১০০ কিলোমিটার দূরে কেন আটকাচ্ছেন? আপনি আমাকে গ্রেফতার করুন। সাধারণ মানুষের হয়রানি কেন করছেন? আমরা কী অপরাধ করেছি?’ যদিও তারপরেও তাঁকে যেতে দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে কালীঘাট থানার ওসি এবং অতিরিক্ত ওসিকে সরিয়ে দিল কমিশন

ভবানীপুরে শুভেন্দুর সভার মাইকের আওয়াজে নির্বাচনী জনসভা না করে ফিরে গেলেন ক্ষুব্ধ মমতা

বেলুড় বয়েজ হাই স্কুলের ডিসি সেন্টারে তুমুল উত্তেজনা, বিজেপি – তৃণমূল সংঘর্ষ

‘আইপ্যাকের লোকদের দেখলেই বেঁধে রাখুন’, কংগ্রেস কর্মীদের নিদান অধীরের

টার্গেট অভিষেক! দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই তিন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

রাজ্যে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯৩.১৯ শতাংশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ