চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌সমাজকল্যাণের নৌকাকে মতুয়ারা আগে নিয়ে গিয়েছেন’‌, মতুয়া ভোট টানতে কৌশল প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: জয় নিতাই বলে টেলিফোনে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম নিলেন। আসলে মতুয়া ভোট টানতেই এমন বক্তব্য রাখলেন তিনি। তবে তাতে কতটা চিঁড়ে ভিজল তা নিয়ে সন্দিহান সবপক্ষই। কারণ প্রাকৃতিক সমস্যার কারণে তাহেরপুরে সশরীরে আসতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। ভার্চুয়াল সভা করেছেন তিনি। সেখানে ঠাকুরনগরের কথা বললেও রেখে গেলেন অনেক ধোঁয়াশা। বাংলা ভাষায় বক্তৃতা করে বাঙালি মন জয়ের চেষ্টা করলেন। কিন্তু ততক্ষণে সভাস্থল ছেড়ে চলে গিয়েছেন মানুষজন। তবে হাতজোড় করে বাংলায় ক্ষমতায় আসার সুযোগ চাইলেন।

এদিকে বারবার হাতজোড় করে বাংলার ক্ষমতায় আসার জন্য নদিয়াবাসীর কাছে আহ্বান করলেন। উন্নয়ন করবেন বলে দাবি করলেন। যদিও বাংলার নানা প্রকল্পের বকেয়া টাকা নিয়ে কোনও কথা বললেন না। মতুয়া ভোট পেতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‌বাংলা সেই ভূমি, যেখানে চৈতন্যদেবের জন্ম হয়েছে। তাঁর বাণী এখানে জীবিত রয়েছে। আর সমাজকল্যাণের এই নৌকাকে মতুয়ারা আগে নিয়ে গিয়েছেন। হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। বড়মা মাতৃত্ব বর্ষণ করেছেন। জয় নিতাই, বড়রা প্রণাম নেবেন। সকলকে শুভেচ্ছা। ক্ষমাপ্রার্থী, আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে আপনাদের কাছে পৌঁছতে পারিনি। কুয়াশার কারণে সেখানে কপ্টার নামার পরিস্থিতি ছিল না। তাই টেলিফোনে আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি।’‌

অন্যদিকে আবার বন্দেমাতারম নিয়ে গালভরা কথা বললেন নরেন্দ্র মোদি। সংসদে সাহিত্যসম্রাটকে বঙ্কিমদা বলেছিলেন। এখানে সেই ভুল করেননি। বরং বন্দেমাতারম গানকে কাজে লাগিয়ে বাঙালি ভোট পেতে চাইলেন। তাই প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‌সম্প্রতি সংসদে বন্দেমাতরমের গুণগান করা হয়েছে। এই বাংলাতেই জন্মেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যখন দেশ পরাধীন, তখন স্বাধীনতার মন্ত্র দিয়েছিল বন্দেমাতরম। এখন বিকশিত ভারতের মন্ত্র বন্দে মাতরম। গঙ্গাজি বিহার থেকে প্রবাহিত হয়ে গঙ্গায় পৌঁছোয়। গঙ্গা বাংলাতেও বিজেপির জয়ের রাস্তা তৈরি করেছে। বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। দেখুন কী উন্নয়ন করি। গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারীকে বলা উচিত। কিন্তু গো ব্যাক মোদী বলে ওরা। অনুপ্রবেশকারীদের বলে না।’‌

তাছাড়া শনিবারের সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সরাসরি রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন। কিন্তু বড় কোনও অভিযোগ তোলেননি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘‌তৃণমূল মোদীর বিরোধ করতে চাইলে করুক। বিজেপির বিরোধ করতে চাইলে করুক। কিন্তু রাজ্যের উন্নয়ন কেন আটাকানো হচ্ছে?‌ মোদীর বিরোধ করুন। কিন্তু বাংলার উন্নয়ন আটকাবেন না। এই রাজ্যের মানুষকে দুঃখ দেওয়ার পাপ করবেন না। বিহারে জঙ্গলরাজ উপড়ে দিয়েছে বিজেপি। এখন পশ্চিমবঙ্গেও জঙ্গলরাজ চলছে। এর থেকে মুক্তি দরকার। এখানকার বাচ্চারা বলছে। সব গ্রাম, শহর, পাড়া বলছে, বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নিশাচর কমিশন! ভোটের আগে গভীর রাতে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে CEO মনোজ

বৃহস্পতি-শুক্রতে শহরে আসতে গেলে হাতে রাখুন অতিরিক্ত সময়, জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ

বুধবার সন্ধ্যে নামতেই জঙ্গিপুরে নামল সাঁজোয়া গাড়ি, রাতভর টহল শুরু

বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ করে দিল পুলিশ

ভোটের জন্য নেই বাস, আসানসোলে অটো-টোটোর বিরুদ্ধে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ

ইভিএম মেশিন খচ্চরের পিঠে চাপিয়ে দার্জিলিংয়ের দুর্গম বুথে পৌঁছলেন ভোট কর্মীরা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ