কেন্দ্র সরকারের সমালোচনায় সরব প্রধানমন্ত্রীর ভাই প্রহ্লাদ মোদি

রেশন ডিলারদের নিয়ে কেন্দ্রের সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার মুখ। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুখ পোড়ালেন তাঁরি ভাই প্রহ্লাদ মোদি। অস্বস্তিতে বিজেপি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঘর শত্রু বিভীষণ নাকি ঘরের অন্দরেই অন্তর্দ্বন্দ্ব! খোদ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই সরব হলেন কিনা তাঁরই ভাই। মুহুর্তের মধ্যে সেই ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর সেই ঘটনার জেরে তীব্র অস্বস্তিতে কেন্দ্র সরকার এবং কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। অস্বস্তিতে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)ও। কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রকের আয়োজনে ‘ট্রান্সফরমেশন অফ ফেয়ার প্রাইস শপস’(Transformation of Fair Price Shop) নামে জাতীয় সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল রেশন দোকানদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনকে(AIFPSDF)। সেখানেই প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় খাদ্যসচিব সঞ্জীব চোপড়ার সামনে কেন্দ্রের রেশন নীতি নিয়ে সরব হম প্রধানমন্ত্রীর ভাই প্রহ্লাদ মোদি(Prahlad Modi)। একই সঙ্গে ওই জায়গাতেই রেশন দোকানদারদের পাশে থাকতে বাংলা(Bengal) যে কতটা এগিয়ে, তাও সামনে এসেছে।

আরও পড়ুন EPF Pension বাড়েনি নির্মলার বাজেটে, মোদির বিরোধিতায় BMS

ঠিক কী হয়েছে? ‘ট্রান্সফরমেশন অব ফেয়ার প্রাইস শপস’ সম্মেলনের আয়োজনের পিছনে পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল স্রেফ চাল-গম বিক্রি করে নয়, অন্যপথেও কীভাবে রেশন দোকানদার বা ডিলারদের উপার্জন বাড়ানো যায় তা নিয়েই আলোচনা। আর সেখানেই মোদি সরকারের সমালোচনায় সরব হন প্রধানমন্ত্রীর ভাই প্রহ্লাদ মোদি। আহমদাবাদে রেশন দোকান চালান তিনি। চাঁচাছোলা ভাষায় তিনি সম্মেলনে উপস্থিত কেন্দ্রীয় খাদ্যসচিব সঞ্জীব চোপড়াকে লক্ষ্য করে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন যে, ‘স্রেফ পরামর্শ দিয়ে কী হবে? একে উপার্জন কমে গিয়েছে। এরপর আমাদের রেশন দোকানকে কেন্দ্রীয় সরকার যদি নিজের প্রকল্পের কাজে ব্যবহার করতে চায়, তাহলে তা সাজিয়ে গুছিয়ে তোলার খরচ দিতে হবে কেন্দ্রকেই। প্রাথমিকভাবে যা কমপক্ষে দু’লক্ষ টাকা। কোথা থেকে পাব? কেন্দ্র কি দেবে?’ কেন্দ্র অবশ্য জানিয়েছে, এই টাকা তাঁরা দেবে না। মোদির ভাই আরও বলেন, ‘কেন্দ্রের উদ্যোগ ভালো। কিন্তু কমপক্ষে মাসে ৫০ হাজার টাকার স্থায়ী রোজগারের গ্যারান্টি দিতে হবে। দিতে হবে ল্যাপটপ, কম্পিউটার কেনা এবং তার রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ। তা নাহলে রেশন দোকানকে কমন সার্ভিস সেন্টারের রূপ দেওয়া কঠিন।’

আরও পড়ুন এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না, স্বস্তিতে চাকরি হারানো Group-D কর্মীরা

এই সম্মেলনে রাজ্যগুলিকেও ডাকা হয়েছিল। সেই সূত্রেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের খাদ্যসচিব অচিন্ত্যকুমার পোতি। তাঁর সামনেই আবার বাংলার সাফল্য উঠে আসে। রেশন দোকানদার বা ডিলারদের(Ration Dealer) উপার্জন বাড়াতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার ইতিমধ্যে ৬টি উদ্যোগ নিয়েছে। কুইন্টাল প্রতি ৯০ টাকা কমিশনের বাইরেও মিলছে অতিরিক্ত ৫ টাকা। প্রতি মাসে প্রত্যেক দোকানদারকে দেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত স্থায়ী ৫ হাজার টাকা। রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার সংযোগ করলে কার্ড প্রতি ২.৫০ টাকা। দুয়ারে রেশনের জন্য কুইন্টাল প্রতি ৭৫ টাকা। খাদ্যশস্য বিতরণে যে সামান্য চাল-গম নষ্ট হয়, তাও পুষিয়ে দিতে দেওয়া হচ্ছে হ্যান্ডেলিং লসের ০.২ শতাংশ। অনুমোদন মিলেছে চাল-গম-চিনির বাইরে নিত্য প্রয়োজনীয় যে কোনও দ্রব্য বিক্রিরও। আর এই সব ব্যবস্থাই বাংলার বুকে রেশন ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে যা বিজেপি শাসিত ডবল ইঞ্জিনের রাজ্যগুলিতে তো হয়নি, এমনকি অবিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যেও দেখা যাচ্ছে না।

মালদা টাউনে বড়সড় মাদক পাচার রুখল RPF-GRPS, ২১ লক্ষ টাকার গাঁজা-সহ গ্রেফতার ৩

মহিলাদের টার্গেট করে মোবাইল ছিনতাই, বনগাঁ থেকে গ্রেফতার ৩

নিশানায় ভারত! চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দ্বিতীয় সমরাস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

৩২ জনের দলের সঙ্গে নেপালে গিয়ে নিখোঁজ কলকাতার রিনা, দুশ্চিন্তায় পরিবার

প্রতিদিন ১৬০ টাকা করে সঞ্চয় করলে মিলতে পারে আজীবন বছরে ১ লক্ষ টাকার পেনশন

শরীরে বেলাগাম চর্বি বাড়ছে? অবহেলা করলেই চরম বিপদে পড়বেন

অপারেশন সিঁদুরের সময়ে S-400-এর অবস্থান জানতে গুপ্তচর পাঠিয়েছিল পাকিস্তান, দাবি প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তার

নেপালে মৃতদের দেহ ভাসতে ভাসতে পৌঁছাল উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জে, তিন লাশ উদ্ধার  

‘পুলিশের দুর্নীতি রুখতে IPS মুরলীধর শর্মার নেতৃত্বে স্ট্রং টিম,’ ঘোষণা শুভেন্দুর

সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে মেট্রোয় বিভ্রাট, চরম ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা

ফলো অন করিয়ে শ্রীলঙ্কাকে কলম্বো টেস্টে হারাতে পারলেন না শুভমন গিলরা

পুজোর আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের সুখবর দিল রাজ্য, কবে থেকে মিলবে অতিরিক্ত ২ হাজার?

‘প্রকৃতির এমন রুদ্ররূপ কখনও দেখিনি’, নেপালের বিপর্যয় ঘুম কেড়েছে মণীষা কৈরালার

Nepal Flash Flood: ‘চিন্তা করিস না সুস্থ আছি,’ মায়ের সঙ্গে কথা বলে স্বস্তিতে হুগলির অর্ণব