এই মুহূর্তে

ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিলেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত ইয়াসিন, কেন এমন করলেন?‌

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বুথস্তরের সংগঠন কার শক্তিশালী?‌ এই প্রশ্ন এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ একদিকে বিজেপি নেতারা বলছেন, তাঁরা এবার ক্ষমতায় আসবেই। তাই তাঁরা আত্মতুষ্টিতে রয়েছে। অপরদিকে বুথস্তর সংগঠন শক্তিশালী করে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটের উত্তাপ টের পাওয়া যাচ্ছে চায়ের দোকান, আড্ডার ঠেকে। বিশেষ করে চায়ের দোকানগুলিতে সকাল, সন্ধ্যা নিয়ম করে ভোট–চর্চার আসর বসছে। আর সেখানেই এবার চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল পশ্চিম মেদিনীপুরের পাথরার প্রাণপুরুষ ইয়াসিন পাঠান। কারণ এবার তিনি ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন।

এদিকে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত ইয়াসিন পাঠান?‌ ৩৪টি হিন্দুমন্দির তিনি রক্ষা করেছিলেন। পাথরা পুরাতত্ত্ব সংরক্ষণ কমিটি গড়ে আজও বুক দিয়ে আগলে রেখেছেন সেই মন্দিরগুলিকে। আর এভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য ১৯৯৪ সালে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে ইয়াসিন পাঠান পান ‘কবীর পুরস্কার’। সুতরাং এলাকায় তিনি অত্যন্ত পরিচিত এক ব্যক্তি। গোটা পরিবারকে এক ডাকে চেনেন এলাকার বাসিন্দারা। সেখানে আজ এমন একজন ব্যক্তি ভোট বয়কটের ডাক দেওয়ায় চর্চা চরমে উঠেছে।

অন্যদিকে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইয়াসিন পাঠান। তাই এখন সকলে এমন সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ কী জানতে চান। এমন সিদ্ধান্তের কারণ, পশ্চিম মেদিনীপুরের পাথরার ইয়াসিন পাঠানের ছেলে এবং দুই মেয়ের নামই এখনও ‘বিচারাধীন’ তালিকায়। সমস্ত নথি জমা দেওয়ার পরেও নাম কেন বিচারাধীন তালিকায়? এই প্রশ্ন তুলেছেন ইয়াসিন পাঠান। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এই সমস্যার সমাধান না হলে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী–সহ গোটা পরিবার এবার ভোট দান থেকে বিরত থাকবেন। এই কথা প্রকাশ্যে আসতেই নির্বাচন কমিশনের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন এলাকার বাসিন্দারা।

তাছাড়া ইয়াসিন পাঠানের দুই মেয়ে তানিয়া পরভিন এবং তামান্না পারভিন। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ৩৭ ও ৩৪। আর তাঁরা বেশ কয়েকবার ভোট দিয়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম ভোটার তালিকায় বিচারাধীন ছিল ওরা। এখনও তাঁরা বিচারাধীন। এই ঘটনা নিয়ে ইয়াসিন পাঠান বলেন, ‘‌আমি ১৯৭৮ সাল থেকে ভোট দিয়ে আসছি‌। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার এবং আমার স্ত্রীর নাম আছে। আমার ছেলের তসবীর পাঠান বাদশার বয়স ৪০। বারবার সব নথিপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় আমরা কী করব বুঝতে পারছি না। ছেলে–মেয়েদের ভোটের অধিকার যদি না থাকে, আমি এবং আমার পরিবারের কেউই এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করব না। ভোট বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিলাম।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বুলডোজার মডেল চলবে না’‌, নির্বাচন কমিশন–বিজেপিকে বিঁধলেন অভিষেক

মালদায় বিএসএফের জালে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

‘বাংলাতেই শুধু বিচারবিভাগের হস্তক্ষেপ’, SIR নিয়ে সুর চড়ালেন শাহ

ফের মেট্রো বিভ্রাট! ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বরগামী ট্রেন থমকে কালীঘাট স্টেশনে,ভোগান্তিতে যাত্রীরা

করিমপুরে প্রচারে জোর তৃণমূলের, গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনসংযোগে অভিনেতা সোহম

তৃণমূলের অভিযোগে সিলমোহর, স্ত্রী বিজেপি নেত্রী হওয়ায় স্বামী পুলিশ পর্যবেক্ষককে সরাল কমিশন

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ