সৌমিত্রের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি, যোগাযোগ আছে তৃণমূলের সঙ্গে

রাজ্যের এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সৌমিত্র খাঁ স্বীকার করেই নিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর যোগ রয়েছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাতাসে গুজব ছড়িয়েছিল, বাংলার বেশ কিছু নবনির্বাচিত বিজেপি সাংসদ যোগাযোগ রেখে চলেছেন তৃণমূলের সঙ্গে। বুধ সন্ধ্যায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee) দিল্লিতে বিজেপি(BJP) বিরোধী জোট INDIA’র বৈঠকে জানিয়েই দেন, বাংলার ৩জন বিজেপি সাংসদ যোগাযোগ রাখছেন তাঁর সঙ্গে। সেই ৩জনের মধ্যে আছেন কে কে? এই প্রশ্ন যখন ঘুরছে বাংলার আকাশে বাতাসে ঠিক তখনই মুখ খুলেছেন তিনি। মানে সৌমিত্র খাঁ(Soumitra Khan)। বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের ৩ দফার সাংসদ। তবে তৃতীয়বার জিতেছেন ৬ হাজারেরও কম ভোটে। আর জিতেই ভোল বদলাচ্ছেন খুব দ্রুত। এর আগেই মুখ খুলে দলের রাজ্য নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। সেই সঙ্গে প্রশংসা করেছেন অভিষেকেরও। এদিন অর্থাৎ শুক্রবার রাজ্যের এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে স্বীকার করেই নিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর যোগ রয়েছে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও প্রকাশ্যে জানাননি বিজেপির ঠিক কোন কোন সাংসদ তাঁর সঙ্গে বা দলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। তবে সৌমিত্র আগেই মুখ খোলায় অনেকেই নিশ্চিত যে সেই দলবদলের তালিকায় তিনি থাকলেও থাকতে পারেন। সৌমিত্র যাতে দল না ছাড়ে তার জন্য ইতিমধ্যেই তাঁকে কেন্দ্রে মন্ত্রী করার কথা ভাবছে পদ্মশিবির। কিন্তু সৌমিত্র থামছেন না। এদিন তিনি কার্যত স্বীকার করেই নিয়েছেন যে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূলের। ঠিক কী বলেছেন তিনি? জানিয়েছেন, ‘জেলা স্তরের তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে টাচে আছি, রাজ্য স্তরের কারোর সঙ্গে টাচে নেই। জেলা স্তরের লোকেরা বলছেন দাদা তুমি চলে এসো, তাহলে বর্ধমান দুর্গাপুর আসানসোল, পুরো রাঢ় বাংলায় কেউ আর কোথাও থাকবে না।’ জোড়াফুল সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌমিত্র যদি সত্যি করেই তৃণমূলে আসেন তাহলে তাঁকে ইস্তফা দিতে হবে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে। পরিবর্তে তাঁকে তালড্যাঙরা বিধানসভা থেকে তৃণমূল প্রার্থী করে জিতিয়ে আনবে এবং রাজ্যের মন্ত্রীও করা হবে। পরিবর্তে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রে ফের সুজাতা মণ্ডলকেই তৃণমূল প্রার্থী করবে।

এখানেই থেমে যাননি তিনি নাম না করেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা বানিয়েছেন। বলেছেন, ‘লড়াকু মনোভাবের নেতাদের বাংলায় নিয়ে আসতে হবে। উনিশের ভোটে, একুশের ভোটে, মুকুল রায়ের রণনীতি আর দিলীপ দার লড়াকু মনোভাব- এই দুটো স্ট্র্যাটেজি কাজ করেছিল। এরকমই রণনীতি তৈরি করতে হবে। ২৫ জনের যে কোর কমিটি তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যে হয়তো ২০ জনই অযোগ্য লোক। যার ফল দল ভোগ করছে। রাঢ় বাংলায় বিধায়কদের জেতাতে হলে আমাকে দায়িত্ব দিতে হবে। বাংলার লড়াকু নেতাদের দায়িত্ব দিতে হবে। তাহলে বাংলায় বিজেপি খুব ভাল জায়গায় থাকবে। আর যদি তোষামোদি লিডার দেওয়া হয়, তাহলে জেনে রাখুন আমরা বাংলায় ভাল জায়গায় থাকব না।’

জাতিসংঘে পাকিস্তানকে কড়া জবাব ভারতের, কাশ্মীর নিয়ে ‘মিথ্যা প্রচার’ বন্ধের বার্তা

অস্বস্তিকর গরমের মধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস! ভিজবে কোন কোন জেলা?

জুনে আসছে একাধিক স্মার্টফোন, কোন মডেল ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা জানেন?

শেষ চালেই বাজিমাত! নরওয়ে দাবায় খেতাব জিতলেন ২০ বছরের প্রজ্ঞানন্দ

ইবোলা-তে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে মহিলারা, উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আজ রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

ইরানের উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা আমেরিকার, বাড়ছে উত্তেজনা

মাইগ্রেনের সঙ্গে লুকিয়ে আছে বিপাকীয় সমস্যা, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

শেষ রক্ষা হল না, গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা

বিদ্রোহীদের কাছে মাথা নোয়ালেন না মমতা, ফের স্বপদে বহাল অভিষেক

বিরোধী দলনেতা নিয়োগ নিয়ে সোমবার হাইকোর্টে যাচ্ছে তৃণমূল

সুতির শাড়ি থেকে গামছা, তাপপ্রবাহে স্বস্তির ভরসা হোক ভারতীয় পোশাক

স্বাদে ও গন্ধে অনন্য, বিশ্বের সবচেয়ে মিষ্টি আম কোনটি জানেন?

সাবধান! এই ভুলগুলির জন্য আপনার কুলদেবতা রুষ্ট হচ্ছে না তো?