পঞ্চায়েত সমিতির দখলকে ঘিরে সংঘর্ষ, মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল মহিলা সভাপতির

হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার খানাকুল-১ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতিতে স্থায়ী সমিতি গঠন করাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পঞ্চায়েত সমিতির(Panchayat Samiti) দখলকে ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড হুগলি জেলার(Hooghly District) আরামবাগ মহকুমার(Aarambag Sub Division) খানাকুল-১ ব্লকে(Khanakul-1 Block)। সেখানে তৃণমুলের(TMC) দুই গোষ্ঠীর মধ্যে পঞ্চায়েত সমিতির দখলকে ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সভাপতির মাথা মেরে ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যকে মারধরও করা হয়। গত বছরের পঞ্চায়েত নির্বাচনে খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন করে তৃণমূল। সভাপতি হন শম্পা মাইতি। কিন্তু তাঁকে ওই পদে মেনে নিতে চাননি পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নইমুল হক। কেননা শম্পা খানাকুল ১ ব্লক তৃনমুল সভাপতি দীপেন মাইতির ঘনিষ্ঠ। এদিন ছিল ওই পঞ্চায়েত সমিতিতে স্থায়ী সমিতি গঠন করার দিন। তাই এদিন সকাল থেকেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লোকজন পঞ্চায়েত সমিতি অফিসের বাইরে জমায়েত করতে শুরু করে দেন। জমায়েত হঠাতে লাঠি উচিয়ে পুলিশ জমায়েত হঠানোর চেষ্টা করলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি।

এদিন দুপুরে পঞ্চায়েত সমিতির মিটিং হলে স্থায়ী কমিটি গঠন নিয়ে বৈঠক শুরু হতেই সেখানে দুই গোষ্ঠীর বিবাদ চরম আকার ধারন করে। অভিযোগ ওঠে নইমুল হক পঞ্চায়েত সমিতিকে নিজের হাতের মুঠোয় রাখতে পুরাতন স্থায়ী কমিটি এক রাখার দাবিতে অনড় থাকেন। কিন্তু শম্পা তা আনা মানায় নইমুলের লোকেরা মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয়। বৈঠকে থাকা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা তার প্রতিবাদ করলে তাঁদেরও বেধড়ক মারধর করে নইমুলের লোকেরা। বৈঠকে আক্রান্ত হয়ে মিটিং স্থল থেকে বেরিয়ে আসেন একের পর এক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। তাঁদের দাবি, ‘নইমূল হক ১৫ বছর ধরে করে খাচ্ছে। তোলা তুলছে। মাঝখান থেকে দলের বদনাম হচ্ছে।’ পঞ্চায়েত সমিতির বাইরে দুই গোষ্ঠীর কয়েকশো লোক জমায়েত হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পঞ্চায়েত সমিতির অফিস চত্বরে বিশাল পুলিশবাহিনী ও র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়। বারবার উত্তেজনা সামাল দিতে বেগ পেতে হয় পুলিশকে।

ঘটনা হচ্ছে, তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের জন্যই গত বছরের পঞ্চায়েত নির্বাচনে খানাকুলের ২টি ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির মধ্যে একটি তৃণমূলের দখলে থাকলেও, অপরটি চলে গিয়েছে বিজেপির হাতে। তবে লোকসভা নির্বাচনে তার কোনও প্রভাব পড়েনি। আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র এবারেও তৃণমূল ধরে রেখেছে। প্রায় ১ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে সেখানে তৃণমূল জয়ী হয়েছে। কিন্তু সেই নির্বাচনের পালা মিটতে আবারও প্রকাশ্যে চলে এল তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। এদিকে বছর দুই বাদেই রাজ্যের বিধানসভার নির্বাচন। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল না মিটলে সেই নির্বাচনে যে আরামবাগ মহকুমায় ভাল ফল হবে না সেটা বিলক্ষণ জানেন জোড়াফুলের নেতারা। কিন্তু তারপরেও সেই গোষ্ঠী কোন্দল মেটার কোনও ইঙ্গিত মিলছে না। অন্তত খানাকুল-১ ব্লকের তো নয়ই।

রিলস স্ক্রোল করা বন্ধ করতে পারছেন না? জেনে নিন এই সহজ কৌশল

আঘাতের পর ফের ওয়ার্কআউট! জানুন হাঁটু সুরক্ষিত রাখার সহজ উপায়

সিজারের পর প্রসূতির পেটে তুলো-সুতো থাকার অভিযোগ, কাঠগড়ায় চিকিৎসক

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

শান্তিনিকেতনের পৌষমেলায় এবারও অনলাইনে স্টল বুকিং, থাকছে বিশেষ শর্ত

স্বাদ ও পুষ্টির দারুণ ভারসাম্য! ঘরেই তৈরি করুন জনপ্রিয় বিবিমবাপ

পিচের রাস্তা যেন ক্যানভাস! ফাটাকেষ্টর কালীপুজোয় আলপনা আঁকলেন ১০০ শিল্পী

লুঙ্গি কিংবা বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

দীপাবলির আগে অমিতাভের ‘জলসা’য় বোমা হামলার হুমকি!

কালীপুজোর আগে দুঃসংবাদ, চাকরি হারালেন এক হাজারের বেশি যোগ্য শিক্ষাকর্মী

পুরভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

সর্ষে অতীত, এবার ভাত পাতে রাখুন পোস্ত পাবদা, রইল রেসিপি

অল্প তেলেই বানিয়ে ফেলুন ফুলকপি পাতুরি, ভাত বা পরোটার সঙ্গে জমে যাবে

শনিতে এসআইআরের বিরুদ্ধে পথে নামছেন প্রকাশ রাজ