সুপ্রিম কোর্টে খারিজ প্রাথমিকে শিক্ষকতায় B.ED প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সুযোগ

সুপ্রিম রায়ে ফের নিরাশ হতে হল বাংলার কয়েক লক্ষ B.ED প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের। তাঁরা কোনও ভাবেই প্রাথমিক শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার(Bengal) প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক-শিক্ষিকা(Teachers in Primary School) পদের চাকরির জন্য রাজ্যের B.ED বা Bachelor of Education ডিগ্রিধারীরা দীর্ঘদিন ধরেই আবেদন জানিয়ে এসেছেন। অনেকেই এই ডিগ্রির মাধ্যমে রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলে চাকরিও পেয়েছেন। কিন্তু যারা এই ডিগ্রি করে রেখেছিলেন প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি করার জন্য তাঁদের এবার ধাক্কা দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত(Supreme Court)। কার্যত সুপ্রিম রায়ে নিরাশ হতে হয়েছে বাংলার কয়েক লক্ষ B.ED প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের। কেননা বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে তা পরিবর্তন করা হবে না। অর্থাৎ রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক-শিক্ষিকা পদের জন্য কেবলমাত্র তাঁরাই আবেদন জানাতে পারবেন বা পরীক্ষায় বসতে পারবেন যাদের DL.ED বা Diploma in Elementary Education’র প্রশিক্ষণ নেওয়া আছে ও সেই মর্মের সার্টিফিকেট বা ডিগ্রি আছে। 

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১১ আগস্ট সুপ্রিম এক রায় জানিয়েছিল, B.ED প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা প্রাথমিকের শিক্ষক বা শিক্ষিকা পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। সেখানে শুধুমাত্র প্রাথমিকের শিক্ষকতার জন্য DL.Ed বা Diploma in Elementary Education’র প্রশিক্ষণ নেওয়া আছে এমন প্রার্থীরাই আবেদন জানাতে পারবেন। যে মামলায় এই রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট সেই মামলাটি আবার NCET বা National Council for Teacher Education’র একটি বিজ্ঞপ্তির জেরে করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ২৮ জুনের সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, NCET অনুমোদিত কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ B.ED কোর্স পাশ করলে সে তাঁরাও প্রাথমিকে শিক্ষকতার চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করেই বিভিন্ন রাজ্যে মামলা হয়। সেখান থেকে মামলা যায় সুপ্রিম কোর্টে। তার জেরেই সুপ্রিম কোর্ট ২০২৩ সালের ১১ আগস্ট তাঁর রায়ে জানিয়েছিল যে শুধুমাত্র DL.Ed বা Diploma in Elementary Education’র প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাই প্রাথমিকের শিক্ষক বা শিক্ষিকা পদের জন্য আবেদন জানাতে পারবে।

২০২৩ সালের ১১ আগস্টে দেওয়া এই রায়কে পর্যালোচনা করার আবেদন করে মামলা করেছিলেন অর্ণব ঘোষ। দেশের শিক্ষা মন্ত্রককেও সেই মামলায় বিবাদী করা হয়েছিল। আবেদনকারীর আ‌ইনজীবী নেহা রাঠি সুপ্রিম কোর্টের কাছে আর্জি রেখেছিলেন, গত আগস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্টের রায়দানের আগে দেশজুড়ে যেসব B.ED প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা প্রাথমিকে শিক্ষকতার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন, তাঁদের সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু গতকাল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, যে ২০২৩ সালের ১১ আগস্টের রায়ের কোনও অংশেরই বদল করা হচ্ছে না। সেই সঙ্গে NCET’র ২০১৮ সালের ২৮ জুনের বিজ্ঞপ্তি বাতিলের যে রায় সেই সময় দেওয়া হয়েছিল সেটিও বজায় রেখেছেন তাঁরা।

রবি-সোমে শিয়ালদহ ডিভিশনে টানা ৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ট্রেন পরিষেবা

‘কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন অবিলম্বে করতে হবে’, দাবি ঋতব্রতের

রবীন্দ্রনাথকে দায়ী করে আত্মঘাতী বাবা-মা-মেয়ে, চাঞ্চল্য ধনেখালিতে

হাতে রাখি বাঁধা, গলার নলি কাটা, মালদহের বাড়িতে ফিরতেই খুন কলকাতার ব্যবসায়ী

৩ সপ্তাহের মধ্যে আরজি কর মামলার তদন্ত শেষ করতে হবে, CBI-কে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

‘পুলিশ অনুমতি না দিলেও জেলায় জেলায় পায়ে হেঁটে যাব,’ ঘোষণা মমতার

মেসিদের নতুন হেড স্যার হচ্ছেন ক্রিস্টিয়ান কিলি গঞ্জালেস

রাখির উৎসব মুহূর্তে পরিণত হল বিষাদে, ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে নিহত ১ মহিলা, আহত ৩

‘ঘরের শত্রুদের সঙ্গে লড়ব আমরা’, রাখি বন্ধন উৎসবে সংকল্প মুখ্যমন্ত্রীর

চিনে ভূমিকম্পের ফলে তিব্বতে ভাঙল বাঁধ, ফের হড়পা বানের আশঙ্কা নেপালে, বন্ধ উদ্ধারকাজ

ইমরানের ছেলেদের সাক্ষাৎকার বিতর্কে ইংল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট খেলতে নারাজ পাকিস্তান

‘পিঠ বাঁচাতে দল ছেড়েছেন যাঁরা, তাঁদের ছাড় নয়,’ সাফ জানালেন অভিষেক

‘২০ জন দলবদলু সাংসদের পদ খারিজ করে দেখাব,’ কাকলি-সুদীপদের চ্যালেঞ্জ কল্যাণের

অভিষেকের দফতরে সাইনবোর্ড খোলার ঘটনায় কালীঘাট তৃণমূলকে আইনি রক্ষাকবচ দিল না আদালত