বিরোধীহীন বর্ধমান পূর্বে শর্মিলার জয় নিয়ে নেই কোনও সংশয়

বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের জয় নিয়ে কোনও সংশয়ই নেই কারও। সকলের নজরে তাই জয়ের মার্জিন এবং দ্বিতীয় স্থানে কারা উঠে আসে, সেইদিকেই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একসময়কার লালদুর্গ। এখন সেখানেই বিরোধীহীন আধিপত্য। জেলা পরিষদ তৃণমূলের(TMC) দখলে। জেলার সব পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূলের দখলে। একুশের ভোটে জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রই চলে গিয়েছে তৃণমূলের দখলে। তাই ২৪’র ভোটে(Loksabha Election 2024) জেলার একমাত্র পূর্ণাঙ্গ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের জয় নিয়ে কোনও সংশয়ই নেই কারও। সকলের নজরে তাই জয়ের মার্জিন এবং দ্বিতীয় স্থানে কারা উঠে আসে, সেইদিকেই। নজরে বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্র(Burdwan Purba Constituency)। ২০০৯ সালের আগে অবিভক্ত বর্ধমান জেলায় ছিল ৪টি লোকসভা কেন্দ্র। আসানসোল, দুর্গাপুর, বর্ধমান ও কাটোয়া। সেই সময় এই জেলায় ছিল ২৬টি বিধানসভা কেন্দ্র। কিন্তু পরে সেটায় দাঁড়ায়, ২৫টিতে। জেলা ভাগের পরে পশ্চিম বর্ধমানে চলে যায় ৯টি বিধানসভা কেন্দ্র, পূর্ব বর্ধমানে থেকে যায় ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্র। ২০০৯ সালেই বিলুপ্ত হয় কাটোয়া, বর্ধমান ও দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র। রয়ে যায় শুধুই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র। পাশাপাশি তৈরি হয় বর্ধমান-দুর্গাপুর এবং বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্র।

২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান পূর্ব থেকে বামেরা জয়ী হলেও ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন বাম শিবির থেকে আসা বিধায়ক সুনীল মণ্ডল। ২০১৯ সালের নির্বাচনেও তিনিই জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে। কিন্তু একুশের বিধানসভা নির্বাচনের কিছুদিন আগেই তিনি শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে পা বাড়ান বিজেপির দিকে। তাঁর সেই ‘গদ্দারি’ জেলার কোনও মানুষই মেনে নেননি। মেনে নেননি তৃণমূলের কোনও নেতাকর্মীও। তৃণমূলের তরফে সুনীলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি তোলা হলেও সেই দাবিতে কর্ণপাত করেননি লোকসভার অধ্যক্ষ। সুনীল তাই এখনও সাংসদ হিসাবেই রয়েছেন। একুশের ভোটে বিজেপি বাংলায় হারতেই সুনীল আবারও ১ বছরের মধ্যেই তৃণমূলে ফিরেও আসেন। যদিও দলের নেতাকর্মীরা জেলার জায়গায় জায়গায় দাবি তোলেন, এবারেও সুনীলকে প্রার্থী করা হলে তাঁরা বসে যাবেন। সেই দাবি মেনে নিয়েই সুনীলকে আর ২৪’র ভোটে পূর্ব বর্ধমান থেকে প্রার্থী করেনি তৃণমূল। পরিবর্তে তুলে আনা হয়েছে তরুণ চিকিৎসক তথা জেলারই মেয়ে শর্মিলা সরকারকে(Sharmila Sarkar)।

এই কেন্দ্রে শর্মিলার লড়াই এবার মূলত দুইজনের বিরুদ্ধে। প্রথমজন বিজেপির প্রার্থী তথা নদিয়া জেলার হরিণঘাটার পদ্ম বিধায়ল অসীম সরকার(Ashim Sarkar) এবং দ্বিতীয়জন বাম প্রার্থী নীরব খাঁ। যদিও জেলার অনেকেই মনে করছেন, এবারে বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রে শর্মিলার মূলত লড়াই হবে বাম প্রার্থীর সঙ্গেই। কেননা, বিজেপি(BJP) প্রার্থীর পিছন থেকে মতুয়ারা যেমন সরে দাঁড়িয়েছে, তেমনি সরে গিয়েছে হিন্দুদের একটা বড় অংশই। আবার জেলায় যে সব ভোটার বাম থেকে রামের ঝুলিতে গিয়েছিল, তাঁরাও এখন গাইছেন, ‘ফিরে চল মন নিজ নিকেতনে’। আর তাই এবারের নির্বাচনে শর্মিলার জয় যেমন নিশ্চিত তেমনি বামেরাই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে মরিয়া। রায়না, জামালপুর, কালনা, মেমারি, কাটোয়া, পূর্বস্থলী উত্তর ও দক্ষিণ – এই ৭টি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্র। একুশের ভোটে এই সব কেন্দ্রেই জয়ের মুখ দেখেছে তৃণমূল। পরিসংখ্যান বলছে, উনিশের ভোটে সুনীল এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন প্রায় ৯০ হাজার ভোটের ব্যবধানে। কিন্তু একুশের ভোটে সেই ব্যবধান বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ। তাই তৃণমূল এই নির্বাচনে লড়তে নামছে জয়ের মার্জিন বাড়িয়ে সুনীলকে উচিত শিক্ষা দিতে।

কালীপুজোর আগের দিনেই আগুনে ভস্মীভূত গোটা মণ্ডপ, চোখে জল উদ্যোক্তাদের

ভারতের গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের পাশাপাশি ঘুরে আসুন ‘বেলুম গুহা’ও, রইল খুঁটিনাটি তথ্য

ভরা বাজারে বন্দুকবাজের গুলিতে মৃত্যু হল তিনজনের, আহত ১২

সুজি কিংবা গাজর নয়, আপেল দিয়েই বানান সুস্বাদু স্বাদের হালুয়া! রইল সহজ রেসিপি

গোবর্ধন পুজো উপলক্ষ্যে সোমবারে কমবে মেট্রো পরিষেবা

‘জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে,’ বললেন অভিজিৎ দীপক

আতশবাজির ধোঁয়া থেকে চোখ বাঁচাবেন কীভাবে? সুরক্ষিত থাকতে মানুন এই ৫ নিয়ম

কালীপুজোর আগে স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে DLS নিয়মে জয়ী গিলরা, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত

শর্তের বিনিময়ে দক্ষিণেশ্বরেও রিল শ্যুটের অনুমতি পেলেন ব্লগাররা

‘প্রেসিডেন্সি, যাদবপুর থেকে দেশবিরোধীদের হটাব,’ দৃপ্তকণ্ঠে ঘোষণা শুভেন্দুর

এগরোল-চাউমিনের দাম ১০ টাকা! সস্তায় মুখরোচক ফাস্টফুড খাওয়াচ্ছেন ছায়াদেবী

মাত্র ৫ টাকাতেই চিকেন-ভাত! পেট ভরে খেল শান্তিপুরবাসী

‘কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে গেলেও জব কার্ড বাতিল নয়,’ ঘোষণা দিলীপের