পুরীর এই মন্দিরে ৯৩৫ বছর ধরে শেকলে বাঁধা শ্রী হনুমান

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায়: বিভিন্ন রহস্যে ঘেরা পুরীর শ্রী জগন্নাথ মন্দির। মহাপ্রভুর ইচ্ছাতেই সব কাজ সম্পন্ন হয় সেখানে। সেই শ্রীক্ষেত্রের টানেই বারবার ছুটে ছুটে যান অগণিত ভক্তপ্রাণ মানুষ। তবে জানেন কি? সেই পুরীতেই রামভক্ত হনুমানের এমন একটি বিশেষ মন্দির রয়েছে, যা  কিন্তু অনেকেরই অজানা। এই হনুমানজি হলেন “বেড়ি হনুমান “।  

কেন এমন নাম ?

এই মন্দিরে হনুমানকে সোনার শিকলে বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। এমন একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, কেন হনুমানকে বেঁধে রাখা হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে অনেক কিংবদন্তি ও কাহিনী প্রচলিত আছে। একটি প্রচলিত কাহিনী অনুসারে, পুরীর জগন্নাথ মন্দির নির্মাণের সময় সমুদ্রদেব ক্রুদ্ধ হয়ে মন্দিরকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। তখন জগন্নাথ দেব হনুমানকে নির্দেশ দেন মন্দির রক্ষা করার জন্য। হনুমান তা করেন এবং সমুদ্রদেবের ক্রোধ শান্ত করেন। কিন্তু মন্দির রক্ষার জন্য হনুমানকে সর্বদা পুরীতে থাকতে হবে বলে শপথ করানো হয় এবং তাই তাকে সোনার শিকলে বেঁধে রাখা হয়। অন্য কাহিনী অনুসারে, হনুমান একবার অধৈর্য হয়ে অযোধ্যায় চলে যান। ফলে সমুদ্রদেব আবার মন্দিরে আক্রমণ করে। তখন জগন্নাথ দেব হনুমানকে ফিরিয়ে আনেন এবং তাকে পুরীতে বেঁধে রাখার নির্দেশ দেন।

জগন্নাথ মন্দিরের দক্ষিণ দুয়ারের কাছে অবস্থিত বেড়ি হনুমানের এই মূর্তিটি সিরুলি মহাবীরের একটি ছোট মন্দিরে থাকে। জানা যায়, হনুমানজির এই মূর্তিটি কালো ক্লোরাইট পাথর দিয়ে তৈরি।  যার উচ্চতা প্রায় ১০ ফুট। আরেকটি একটি পৌরাণিক কাহিনীতে বর্ণিত আছে, দেবী মহালক্ষ্মী হলেন মহাপ্রভু জগন্নাথের স্ত্রী। যেহেতু সমুদ্র মন্থনকালে সমুদ্র থেকে মাতা লক্ষ্মী আবির্ভুত হয়েছিলেন, তাই সাগর রাজা লক্ষীকেই মেয়ে রূপে গ্রহণ করেছিলেন। মেয়ে-জামাইকে অর্থাৎ জগন্নাথকে দেখার জন্যই সমুদ্র দেব বারবার আসতেন এই পুরীধামে। সেই কারণেই একবার মন্দিরের পবিত্র ভূমি ও মূল মন্দিরের পবিত্র ২২ ধাপ প্লাবিত হয়েছিল। সেইবার নোনা জলের প্রবেশের ফলে শ্রী মন্দিরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাই এই ক্ষতির হাত শ্রীমন্দিরকে রক্ষা করার জন্য ও সমুদ্রকে মাঝপথেই আটকে দিতে মহাপ্রভু জগন্নাথ রক্ষক হিসেবে হনুমানকে নিযুক্ত করেন।

এছাড়াও কথিত আছে, সমুদ্রের গর্জনে জগন্নাথ ও বলরামের ছোটো বোন মা সুভদ্রা ভয় পেতেন। তাই সমুদ্রের শব্দ যাতে মন্দিরে প্রবেশ করতে না পারে, তাই মহাপ্রভু হনুমানজিকে পাহারা দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। এই পবিত্র ধামকে হনুমানজি বহুবার জীবন দিয়ে রক্ষা করেছিলেন। সেই কারণেই তিনি বেড়ি হনুমান নামে পরিচিত। এমনকি এই হনুমানজিকে অনেকে দরিয়া হনুমানও বলে থাকেন।

বেড়ি হনুমান মন্দিরের গুরুত্ব:

ধর্মীয় বিশ্বাস : হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই মন্দির অত্যন্ত পবিত্র। অনেকে বিশ্বাস করেন যে এই হনুমান মন্দিরে আসলে সকল ইচ্ছা পূর্ণ হয় ও হনুমানজির আশীর্বাদ পাওয়া যায় ।

পর্যটক আকর্ষণ : এই মন্দির ভক্ত তথা পর্যটকদের কাছেও একটি জনপ্রিয় আকর্ষণ। যারা পুরীতে জগন্নাথ দেবের দর্শন করতে আসেন, তারা এই বেড়ি হনুমানকে দর্শন করতে ভোলেন না।

দীপাবলির আগেই রাশি পরিবর্তন করবে দেবগুরু বৃহস্পতি, বিপদ বাড়বে ৩ রাশির জাতকদের

১৫ লাখ ঘুষ নিতে গিয়ে সিবিআইয়ের হাতে পাকড়াও আয়কর ইন্সপেক্টর

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন গুজরাতের জনপ্রিয় ‘রাজা-রানি পরোটা’, রইল রেসিপি

দীপাবলিতে বাড়ি সাজাতে খরচ হবে না হাজার-হাজার টাকা, এই কৌশলেই হবে বাজিমাত

স্পেনে উচ্চগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে মৃত বেড়ে ৬৮, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

‘করবা চৌথ’-এ লক্ষ্মী-নারায়ণ রাজযোগ, ৪ রাশির জাতকদের সুপ্ত ইচ্ছা পূর্ণ হবে

এলাহাবাদ হাইকোর্টে তুলকালাম কাণ্ড, বিচারপতির এজলাসে ভাঙচুর চালালেন আইনজীবীরা

শনির সাড়ে সাতি থেকে মুক্ত হচ্ছন কুম্ভ রাশির জাতকরা, কবে থেকে সুদিন শুরু?

জুতোর মালা গলায় পরে গ্রামছাড়া হতে হয়েছিল, শালীকে তালাক দিলেন নেট প্রভাবী

দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে, এক দিনের দল থেকে ছিটকে গেলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ

৪৮ লক্ষ কৃষকের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ২ হাজার করে টাকা! মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

চুরির পর কিশমিস-খেজুর দিয়ে হুইস্কি পান, চোরের কাণ্ডে চক্ষু চড়ক গাছ পুলিশের

শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য তিরস্কৃত হ্যারিস রউফ, নিষিদ্ধ হওয়ার মুখে পাক ক্রিকেটার

জমি দুর্নীতির পর মাটি চুরির অভিযোগ, অভিষেকের প্রাক্তন পিএ সুমিতকে শোন অ্যারেস্ট পুলিশের