আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অতিরিক্ত কাজের চাপ সইতে না পেরে নিজেকে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে আত্মঘাতী ব্যক্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি: কাজের চাপ সইতে না পেরে ফের আত্মঘাতী এক ৩৮ বছর বয়সী ব্যক্তির। প্রচণ্ড কাজের চাপে হতাশাগ্রস্ত হয়ে চেন্নাইয়ে নিজের বাড়িতেই আত্মহত্যা করলেন ৩৮ বছর বয়সী একজন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। পুলিশ জানিয়েছে যে, ওই ব্যক্তি নিজেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে আত্মহত্যা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার ওই ব্যক্তির স্ত্রী বাড়িতে এসে একটি বৈদ্যুতিক তারে জড়ানো অবস্থায় দেখতে পান স্বামীকে। ঘটনার দিন, ওই ব্যক্তির স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। তিনি বাপের বাড়ি গিয়েছিলেন দিন কয়েক আগেই। আর বউয়ের অনুপস্থিতিতেই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা শেষ করে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরাই মোটা টাকা বেতনের লোভে বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, নয়ডার মতো জায়গায় একাধিক বেসরকারি সংস্থাগুলিতে কাজে নিযুক্ত হন।

কিন্তু সেখানে মারাত্মক কাজের চাপে অনেকেই চাকরি ছেড়ে দেন। আবার কেউ চাপ সইতে না পেরে নিজের জীবন বলি দেয়। এমন উদাহরণ রয়েছে প্রচুর। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তামিলনাড়ুর থেনি জেলার বাসিন্দা কার্তিকেয়ান। কিন্তু কর্মসূত্রে তাঁর স্ত্রী এবং দুই সন্তানের সঙ্গে চেন্নাইতে থাকতেন তিনি, তাঁর দুই সন্তানের বয়স ১০ এবং ৮ বছর। কার্তিকেয়ান গত ১৫ বছর ধরে একটি সফটওয়্যার ফার্মে কর্মরত। পুলিশ জানিয়েছে, দুই মাস আগেই কার্তিকেয়ান কাজের চাপের কারণে মন খারাপের অভিযোগ করেছিলেন এবং দুই মাস ধরে বিষণ্নতার জন্য চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবশেষে নিজেকে শেষ করেই ফেললেন তিনি। তবে আত্মহত্যা করার দিন বাড়িতে একাই ছিলেন কার্তিকেয়ান। তাঁর স্ত্রী কে জয়রানি সোমবার চেন্নাই থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে থিরুনাল্লুর মন্দিরে গিয়েছিলেন।

তিনি তার বাপের বাড়িতে শিশুদের রেখে তীর্থযাত্রায় গিয়েছিলেন। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে এসে একাধিকবার দরজা ধাক্কা দেওয়ার পরেও কোনও সাড়া না মেলায় অবশেষে তাঁর কাছে থাকা অতিরিক্ত চাবি ব্যবহার করেন এবং দরজা খুলে দেখতে পান কার্তিকেয়নকে তার শরীরের চারপাশে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে মৃত অবস্থায় শুয়ে আছেন। এরপরেই নিহত ব্যক্তির স্ত্রী অপমৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করেছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। গত সপ্তাহেই কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপের কারণে আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং (ইএন্ডওয়াই) এর ২৬ বছর বয়সী চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কাজের চাপে হতাশার কারণে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ ওই তরুণী। এরপর কর্মরত সংস্থাটি তরুণ কর্মচারীর মৃত্যুকে অপূরণীয় ক্ষতি বলে দুঃখপ্রকাশ করেছে। কিন্তু এই ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। তরুণীর মা পরে অভিযোগ করেছিলেন যে, অতিরিক্ত কাজের চাপ অবশেষে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। এই ঘটনার দিন কয়েক কাটতে না কাটতে আবারও বেসরকারি সংস্থায় কাজের চাপে কর্মচারী মৃত্যুর খবর গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘তিনি মাদ্রাজ-এর এপস্টিন’, তামিল সুরকারের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ গায়িকার

নিরাপত্তা প্রত্যাহার ইস্যুতে পঞ্জাবের আপ সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হরভজন

মিশন পঞ্জাব, মাদক ইস্য়ুতে আম আদমি পার্টিকে জব্দ করতে ব্লু প্রিন্ট তৈরি শাহের

বাবার বিশাল সম্পত্তির অধিকার নিয়ে লড়াই, করিশ্মার সন্তানদের পক্ষে কী রায় দিল্লি হাইকোর্টের?

‘মেট্রো থেকে সুইমিং পুল সব বানিয়ে দেব’, আফ্রিকান ছাত্রের প্রতিশ্রুতি ভাইরাল নেটদুনিয়ায়

উঠেছিল চরবৃত্তির অভিযোগও, ২৪ বছরে ১৯৭ দেশ ঘুরে স্বপ্নপূরণ বিহারের যুবকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ