আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ইউনূসের মদতপুষ্ঠ জিহাদিদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শনিবার সমাবেশের ডাক জাতীয় পার্টির

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: দেশত্যাগী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগী আখ্যা দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের হাতে গড়া দলকে নিশ্চিহ্ন করার ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশের ‘নব্য রাজাকার’ বাহিনীর দুই শীর্ষ নেতা সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ। কিন্তু সেই হুমকিকে মোটেও পাত্তা দিচ্ছেন না জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। উল্টে নব্য রাজাকার ও ইসলামি জিহাদিদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেছেন, ‘শনিবার কাকরাইল চত্বরে দলীয় সমাবেশ হবেই। প্রয়োজনে জীবন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। কিন্তু জঙ্গিদের কাছে মাথানত করব  না।’

গত ৫ অগস্ট দেশত্যাগ করে ভারতে পাড়ি দেওয়ার পরেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী ও ইসলামি জিহাদিরা পুড়িয়ে দিয়েছিল শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়। এমনকি রেহাই পায়নি মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার হিসাবে পরিচিত ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি। আওয়ামী লীগের পরে গতত মাস খানেক ধরেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃত্বের নিশানায় রয়েছে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এরশাদের হাতে গড়া দল জাতীয় পার্টি। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ইসলামি জিহাদিরা। ভাঙচুরের পরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুন নেভাতে এলে দমকলের কর্মীদের ধরেও বেধড়ক মাররধর করা হয়। আর ওই তাণ্ডবের নেতৃত্ব দেন ‘নব্য রাজাকার’ বাহিনীর দুই নেতা সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ। এমনকি জাতীয় পার্টিকে নিশ্চিহ্ন করারও হুমকি দেন দুই পাণ্ডা। আওয়ামী লীগের পরে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন ধরানোর ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দেয়।

ওই ঘটনার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (১ নভেম্বর) সাংবাদিক সম্মেলন করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা শনিবার  (২ নভেম্বর) যে কর্মসূচি দিয়েছি, সেই কর্মসূচি চালু থাকবে। দলীয় নেতা-কর্মীদের বলছি, কেউ ভয় পাবেন না। আমরা মরতে আসছি, আমরা মরতে চাই। কত লোক মারবেন ওনারা, আমরা সেটা দেখতে চাই। মনে রাখবেন, ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা। হাত দিয়ে প্রতিবাদ করতে না পারলে মুখ দিয়ে করো। মুখ দিয়ে না পারলে অন্তর দিয়ে ঘৃণা করো। আমাদের সেটা করতে হবে। তার জন্য আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত রয়েছি।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা দেশ দখলের নোংড়া রাজনীতি শুরু করেছেন বলে অভিযোগ করে কাদের বলেন, ‘বর্তমানে যেটা দেশে দেখতে পাচ্ছি, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। দেশ বিভক্ত হয়ে  গিয়েছে। মনে হচ্ছে, কিছু লোক এসে দেশটা দখল করে ফেলেছে। আমরা যে তাদের সহযোগিতা করেছি, সাধারণ জনগণ যে তাদের সহযোগিতা করেছে, সেটা তাদের কাছে এখন মনে হচ্ছে না। তারা দেশটাকে পবিত্র-অপবিত্র ভাগ করছে। তারা পবিত্র গ্রুপে আছে। তার মধ্যে কে দোষী, কে নির্দোষ —এটা ওনারাই ঠিক করে দেবেন। ঠিক যেভাবে দেশকে বিভক্ত করেছিলেন আমাদের পূর্ববর্তী (প্রধানমন্ত্রী) শেখ হাসিনা।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

জেল খাটতে কেমন লাগে? কৌতুহল থেকে ১১ বছরের নাবালককে খুন ৬ কিশোরের

বাংলাদেশে জঙ্গলরাজ, তারেক জমানার আড়াই মাসে ৪৬৪টি খুন ও ৬৬৬টি ধর্ষণ

বাংলাদেশে ‘জঙ্গি’ আছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, ‘নেই’, উল্টোসুর তারেকের তথ্য উপদেষ্টার

জঙ্গি হামলার আশঙ্কা , ঢাকা সহ বাংলাদেশের ৮ বিমানবন্দরে কড়া সতর্কতা

বাংলাদেশে একই দিনে সাত জেলায় বজ্রাঘাতে ১৩ জনের মৃত্যু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, হিন্দু শিক্ষককে গ্রেফতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ