জগদ্ধাত্রী পুজোয় উপভোগ করুন নরম তুলতুলে ‘সোনার কণা’

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : জগদ্ধাত্রী শব্দের অর্থ হল জগতের ধারণকারিণী। তিনি মা দুর্গারই এক রূপ। পুরাণ অনুযায়ী, মহিষাসুর বধের পর দেবতারা অহংকারী হয়ে উঠলে মা দুর্গা তাদের অহংকার চূর্ণ করার জন্য জগদ্ধাত্রী রূপে আবির্ভূত হন। আজ হল পুজোর অষ্টমি। আগামীকাল নবমি। এইসময় ভাল মন্দের ছোঁয়া থাকুক পাতে। আর বাঙালির শেষ পাতে মিষ্টি ছাড়া আবার চলে না। আর যদি তা হয় ‘সোনালী মিষ্টি’ তবে তো কোন কথাই নেই। ভাবতে বসে গেলেন তো ? ‘সোনার মিষ্টি’ আবার কি ? তা হল হেমকণা পায়েস। নামেই যেন বাজিমাত। হেম শব্দের অর্থ সোনা। আর হেমকণা হল সোনার কণা। আসলে দুধের মধ্যে কেশরের মিশ্রণে পায়েসের রং হালকা সোনালি হয়ে ওঠে। তাই হয়তো সোনার সঙ্গে তুলনা করে এই পদের নামকরণ করা হয়েছিল হেমকণা।

আসলে অনবদ্য এই মিষ্টান্নটি সৃষ্টি করেছিলেন প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী নিজে।তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা।পুজোর একদিন না হয় পাতে খাকুক ঠাকুরবাড়ির ছোঁয়া।জেনে নিন সহজ পদ্ধতিতে কীভাবে বানাবেন ‘হেমকণা’।

উপকরণ : আধকাপ খোয়া ক্ষীর, চালের মিহি গুঁড়ো, খোসা ছাড়ানো আমন্ড ও কাজু ৬ টেবিল চামচ, মিহি চিনি স্বাদ অনুযায়ী, এক লিটার দুধ ও জাফরান

প্রণালী : প্রথমে খোয়া ক্ষীর মিহি করে গুঁড়ো করে নিন। একইসঙ্গে বাদাম মিহি করে গুঁড়ো করে রেখে দিন। এবার ক্ষীর, বাদাম গুঁড়ো ও সঙ্গে ড্রাই ফ্রুটস ও দিতে পারেন চাইলে। এবার চালের গুঁড়ো এবং এক চামচ মিহি চিনি ভালো করে মেখে নিন। অনেকটা আটা মাখার মতো ডো তৈরি করতে হবে। প্রয়োজন হলে সামান্য জলের ছিটে দিতে পারেন। এবার সেই ডো থেকে খুব ছোটো গোল্লা বের করে পাকিয়ে গোল করে নিন। খেয়াল রাখবেন গোল্লার গায়ে যেন কোনও চিড় না থাকে। গোল্লার গা হবে একেবারে মোলায়েম।

আরও পড়ুন : জগদ্ধাত্রী পুজোয় পাতে পড়ুক ‘মুরগি পোলাও’

এবার দুধ ফোটাতে থাকুন। অল্প আঁচে দুধ ফোটান। দুধকে ফুটিয়ে অর্ধেক করে নিতে হবে। মানে এক লিটার দুধ হলে সেটিকে ফুটিয়ে অর্ধেক লিটার করে নিতে হবে। দুধ ভাল করে ফুটিয়ে ঘন করে নিতে হবে। তাতে দিয়ে দিন চিনি ও কেশর। ভালো করে নাড়তে থাকুন। দুধ আরও ঘন হয়ে গেলে তাতে আস্তে আস্তে ক্ষীরের গোল্লাগুলি দিয়ে দিন। মিনিট পাঁচেক আরও ফোটান। অনেকে হেমকণা পায়েসে এলাচ দিয়ে থাকেন। যদিও সাবেকি রান্নাটিতে এলাচ দেওয়া হত না।বেশি নাড়াচাড়া করবেন না।

পায়েস তৈরি হয়ে গেলে ঠান্ডা করে নিন। হেমকণা পায়েস ঠান্ডাই খেতে হয়। ভোগের জন্য হেমকণা পায়েস রান্না করতে চাইলে গোবিন্দভোগ চালের গুঁড়ো নেবেন। সেক্ষেত্রে মিক্সিতে গোবিন্দভোগ চাল মিহি করে গুঁড়ো করে নিলেই হবে।

আরও পড়ুন : জগদ্ধাত্রী পুজোয় পাত সেজে ওঠুক দক্ষিণী স্টাইলে

সন্ধ্যা থিয়েটারে পদপিষ্ট কাণ্ডে অল্লু অর্জুনকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ

হাসপাতাল চত্বরে খালের জল থেকে বস্তাবন্দি বৃদ্ধর দেহ উদ্ধার, আটক ১

ইরান-আমেরিকা বৈঠক স্থগিত, কারণ নিয়ে জোর জল্পনা

শনি-রবি রাজ্যে বড় দুর্যোগের আশঙ্কা! সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

আরও বিপাকে শওকত মোল্লা, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের

চুপি চুপি বিয়ে সেরে ফেলেছেন অম্বরীশ, তাও এক বছর আগে, পাত্রী কে জানেন?

পর পুরুষের প্রেমে মজেছেন স্ত্রী, অভিমানে ট্রেনের সামনে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যা ‘দুঃখী’ স্বামীর

ডিনার টেবিলে আনুন নতুন স্বাদ, বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন স্পাইসি গ্রিলড চিকেন

শিয়রে সমন, ধর্মতলায় একুশে জুলাইয়ের সভা নিয়ে বিপাকে মমতা-অভিষেক

মেয়র পদে ইস্তফা গৌতম দেবের, শিলিগুড়ি পুরসভাও হাতছাড়া হচ্ছে তৃণমূলের

‘ফিটনেস’-এই নজর, যোগ-ম্যারাথনে যোগ দিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

জামাইয়ের মন জয় করতে চান? বানিয়ে ফেলুন আম কাসুন্দি চিংড়ি

ক্ষমতা হারা হতেই দলের সমস্ত পদ ছাড়লেন খাদ্য দুর্নীতিতে অভিযুক্ত জ্যোতিপ্রিয়

কলকাতা বিমানবন্দরে বাজ পড়ে বিপত্তি, আহত ৩