স্বপ্নাদেশে শুরু জগদ্ধাত্রী পুজো,ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকারে ফাঁকা বেলতলায় রেখে আসা হয় শিবাভোগ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : জগদ্ধাত্রী শব্দের অর্থ হল জগতের ধারণকারিণী। তিনি মা দুর্গারই এক রূপ। পুরাণ মতে, মহিষাসুর বধের পর দেবতারা অহংকারী হয়ে উঠলে মা দুর্গা তাদের অহংকার চূর্ণ করার জন্য জগদ্ধাত্রী রূপে আবির্ভূত হন। ১৮ শতকে নদীয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন করেন। তারপর থেকে বাংলার বিভিন্ন জেলায় এই পুজো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে চন্দননগর, কৃষ্ণনগর, চাঁদপাড়া প্রভৃতি স্থানে জগদ্ধাত্রী পুজো খুব জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়। তেমনই কাটোয়া মহকুমায় একাধিক পারিবারিক জগদ্ধাত্রী পুজো হয়। সবগুলিই বেশ প্রাচীন এবং ঐতিহ্যে মোড়া। নানা অবাক করা রীতিনীতি মেনে হয় সেইসব পুজো। যেমন কেতুগ্রামের গোমাইয়ের চট্টোপাধ্যায় পরিবারের পুজোয় গভীর রাতে ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকারে ফাঁকা বেলতলায় জগদ্ধাত্রীকে শিবাভোগ দেওয়া হয়।

পুরোহিত এই ভোগের (শিবাভোগ) নৈবেদ্য সাজিয়ে দিয়ে আসেন। তবে সঙ্গে কেউ নেই। রাতের অন্ধকারে পুরোহিত একা গিয়ে দিয়ে আসেন। দীর্ঘবছর ধরে এই রীতি চলে আসছে। এই নিয়ে পরিবারের সদস্য অধ্যাপক ডঃ শান্তনু চট্টোপাধ্যায়,সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, গ্রামের সীমানায় একটি বেলগাছতলায় এই শিবাভোগ দেওয়া হয়। এখানে নবমীর দিনই তিন দিনের পুজো করা হয়।

চট্টোপাধ্যায় পরিবারের পূর্বপুরুষ রামতনু চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরেই এই পুজো শুরু হয়। শোনা যায়, তিনি নাকি দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন। সেই থেকে আজও পুরনো রীতি ও নিয়ম মেনেই দেবীর আরাধনা করা হয়। নবমী তিথিতে তিনটি পুজোয় থাকে শাক্ত তন্ত্রাচার মতে নৈবেদ্য, ভোগ, বলি ও কুমারীপুজো। দুপুরে গ্রামের মানুষদের নিয়ে পঙক্তিভোজন করানো হয়।

আরও পড়ুন : ধ্যানরত সারদা দেবীর মধ্যে জগদ্ধাত্রীকে দেখেছিলেন রামহৃদয় ঘোষাল

এই নিয়ে পরিবারের সদস্যরা বলেন, তিনটি পুজোর সমস্ত ভোগই কারণবারি সমেত নিবেদন করতে হয়। দেবী জগদ্ধাত্রী এসে ভোগ গ্রহণ করেন এটা আমাদের বিশ্বাস। ভোগ দেওয়ার সময়ে শেয়াল এসে খেয়ে যায়। তখনই আমাদের পুজো সম্পন্ন হয়। এটাই দীর্ঘবছর ধরে হয়ে আসছে।

‘প্রশ্নফাঁসের ঘটনায়  শুক্রবার আরও কড়া ব্যবস্থা’, গভীর রাতে পড়ুয়াদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তা মোদির

বড় সাফল্য মোদি সরকারের, ২৬ দিনের মাথায় অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষাসচিবকে সরিয়ে দিল মোদি সরকার

‘যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে’, পড়ুয়াদের আন্দোলন গুটিয়ে ফেলার পরামর্শ সলমানের

অর্ধেক মানুষ-আধা জন্তু, চিনের তৈরি নয়া রোবট হয়রান করছে গোটা দুনিয়াকে

কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে ঝাপসা, তারপর সব স্বাভাবিক, জানেন কোন রোগের ইঙ্গিত?

ইতিহাস ও স্থাপত্যের অপূর্ব মেলবন্ধন! একদিনের ছুটিতে ঘুরে আসুন পশ্চিম মেদিনীপুরের কুরুমবেরা দুর্গ

এক যুবকের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন তিন বোন, বিতর্ক উঠতেই বললেন ‘আমরা সুখী’

উল্টোরথের আগে গুপ্তিপাড়ায় জগন্নাথের মাসির বাড়িতে ভাণ্ডার লুঠ, দাঁড়িয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী

বৈভবের তাণ্ডব, জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সাত উইকেটে জয়ী শ্রেয়সরা

ইরানকে গুঁড়িয়ে দিতে বোমারু বিমান, যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

ভয় দেখিয়ে প্রোমোটারের থেকে ৫ লক্ষ ‘তোলা’ আদায়ের অভিযোগ, দল থেকে সাসপেন্ড অভিযুক্ত বিজেপি নেতা

পডুয়াদের আন্দোলনে পাশে নেই, ‘ডিগবাজি’ খেয়ে জানালেন অরিজিৎ

‘বারণ সত্ত্বেও শোনেনি’, সিকিম ধসে ছেলেকে হারিয়ে আক্ষেপ মায়ের