নজিরবিহীন! ১২ বছরের নাবালকের কথা শুনে নিজের ভুল স্বীকার করে রায় বদলাল সুপ্রিম কোর্ট

সম্প্রতি ১২ বছর বয়সী এক নাবালকের হৃদয়স্পর্শী জীবনী শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন বিচারক রা। মাকেই নাবালকের অভিভাবকত্ব দেওয়া হল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: এক সন্তানের কান্না দেখে সুপ্রিম কোর্টও থমকে গেল, মত বদলাতে বাধ্য হলেন বিচারকেরা। কী হয়েছে ঘটনা? সম্প্রতি ১২ বছর বয়সী এক নাবালকের হৃদয়স্পর্শী জীবনী শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন বিচারক রা। মাকেই নাবালকের অভিভাবকত্ব দেওয়া হল। সন্তান থাকা অবস্থায় বাবা-মায়ের ডিভোর্স খুবই মর্মান্তিক। তখন সন্তানের দায়িত্ব কে নেবে, তা নিয়েই টানাটানি শুরু হয়ে যায়। তখন শিশুর উপরেও চরম মানসিক চাপ পড়ে। এরপর আর্থিক দিক দিয়ে যে বা যিনি স্বচ্ছল, তাঁর কাছেই সন্তানের দায়িত্ব পড়ে। সুতরাং হয় মা নয় বাবা, যেকোনও একজনের কাছে সন্তানকে থাকতে হয়। তেমনি ১২ বছর বয়সী একটি নাবালকের হৃদয়স্পর্শী গল্প শুনে মায়ের কাছে তাঁর অভিভাবকত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাবা-মায়ের মধ্যে ঝগড়ার কারণে এই শিশুটি মানসিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। একেবারে ভয়ে ভীত ছিল। শিশুটির অবস্থা দেখে বিচারকরাও নড়েচড়ে বসেন। আসলে প্রায় ১০ মাস আগে আদালত মামলাটির রায় দিয়েছিল। কিন্তু নাবালকের অবস্থা দেখে বিচারক আদেশ পরিবর্তন করে তাঁর হেফাজত মায়ের কাছে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

পাশাপাশি এই মামলায়, বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চ স্বীকার করে নিয়েছে যে, সন্তানের হেফাজত বাবার হাতে দিয়ে তাঁরা খুবই ভুল করেছে। আদালতের আদেশে, এই নাবালকটি এখন ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন। নিজের ভুল বুঝতে পেরে সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে যে, নাবালকটি এখন থেকে তাঁর মায়ের সঙ্গেই থাকবে। যদিও তাঁর মা পুনরায় বিয়ে করেছেন। কিন্তু নাবালকটিকে দেখতে যেতে পারবেন তাঁর বাবা। আসলে ডিভোর্সের সময়ে নাবালকের সঙ্গে কথা না বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সুতরাং আবারও প্রমাণিত, শুধুমাত্র বাবা-মা নয়, আগে সন্তানের কথা শুনে তাঁর হেফাজতের নিষ্পত্তি করতে হবে।

সুপ্রিমকোর্ট স্বীকার করেছে যে, তারা এবং কেরল হাইকোর্ট সন্তানের হেফাজতের দায়িত্ব তাঁর বাবাকে দিয়ে ভুল করেছে, যিনি ১২ বছরে মাত্র কয়েকবার সন্তানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। যা নাবালকের স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলেছে। তাই তাদের আদেশ বাতিল করে নাবালকের হেফাজত মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২০১১ সালে শিশুটির বাবার সঙ্গে তাঁর মায়ের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু বোঝাবুঝি না হওয়ার কারণে শিশুটির বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়ে যায়। বিবাহবিচ্ছেদের চার বছর পর, শিশুটির মা পুনরায় বিয়ে করেন। ২০২২ সালে, তিনি দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে মালয়েশিয়া চলে গিয়েছিলেন। এই যুক্তিতে সন্তানের হেফাজতের জন্য পারিবারিক আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিলেন শিশুটির মা। এরপর শিশুটির দায়িত্ব পায় তাঁর বাবা। নাবালকটি উদ্বেগ এবং ভয়ে ভুগছিল। যাই হোক, আদালতের নির্দেশের পর শিশুটি তার মায়ের কাছে নিরাপদে আছে। শিশুটি তার মা, সৎ ভাই এবং সৎ বাবাকে তার সবচেয়ে কাছের পরিবার হিসাবে বিবেচনা করছে।

ভিডিও কলে বলেছিলেন ‘শেষবারের মতো তাকাও’, তারপর যা ঘটল তা কল্পনারও বাইরে

কিউআর মেনু থেকে নম্বর চুরি, মধ্যরাতে তরুণীর ফোনে এল যে বার্তা…

৪ কোটি টাকায় বিলাসবহুল গাড়ি কিনলেন শাহরুখ খান

ডায়ালিসিস ও ইনসুলিন থেকে মিলতে পারে মুক্তি, নতুন দিশা দেখাল দিল্লির AIIMS

টানা ৭-৮ ঘন্টা পড়াশোনা, কোন মন্ত্রে উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় পুরুলিয়ার সৌমিক?

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে নির্ধারিত শব্দ বিধি মানতে হবে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

উচ্চমাধ্যমিকে মেয়েদের মধ্যে প্রথম শ্রীরামপুরের মেঘা, ভবিষ্যতের জন্য কী পরিকল্পনা?

বিজেপি জেতার আনন্দে মেতেছে কলকাতা, নাইটক্লাবে বাজছে মমতার ‘হাম্বা হাম্বা’ গান

হিমাচল বাদে ১৬ রাজ্য ও তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে SIR, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে স্পিকার পদে রথীন্দ্রনাথ বসু, শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

উচ্চমাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, প্রথম দশে ৬৪ জন

শ্রীলঙ্কায় ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা, ঠাঁই পেলেন বৈভব সূর্যবংশী

মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই সরকারি কর্মচারীদের ২ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন বিজয়

মোদির আর্জিতে সাড়া, দিল্লিতে চালু সপ্তাহে দু’দিন ওয়ার্ক ফ্রম হোম