আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অতীতের সব রেকর্ড চুরমার, বিহারে দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়ল ৬৭.১৪ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, পটনা: বিহারে সরকার গড়ার নির্বাচনে ‘বাম্পার ভোটিং’। প্রথম দফায় যেখানে ভোট পড়েছিল ৬৫ দশমিক ০৮ শতাংশ সেখানে দ্বিতীয় দফায় বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬৭.১৪ শতাংশ। বহু আসনে যেহেতু সন্ধে ছয়টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হবে, ফলে ভোটের হার আরও বাড়বে তা বলাই নিশ্চিত। ভোট পড়ার হার কোথায় গিয়ে পৌঁছবে তা অনুমান করতে পারছেন না নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। উল্লেখ্য ২০০০ সালে বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ১৯৯৮ সালে লোকসভা নির্বাচনে পড়েছিল ৬৪ দশমিক ৬০ শতাংশ ভোট। বিহারের ইতিহাসে সেটাই ছিল রেকর্ড সংখ্যক ভোটদান।

মঙ্গলবার সকাল সাতটা থেকে বিহারে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়। রাজ্যের ২০ জেলার ১২২ আসনে ভোট দেওয়ার জন্য সকাল থেকেই বুথগুলিতে ভোটারদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথম দু’ঘন্টায় অর্থা‍ৎ সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ১৪.৫৫ শতাংশ। প্রথম দফার নির্বাচনের দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১৩.১৩ শতাংশ। দুপুর ১টা পর্যন্ত  ভোট পড়ার হার ছিল ৪৭.৬২ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে কিশনগঞ্জ এবং গয়ায়। দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই ভোটের হার ইতিমধ্যে ৫০ শতাংশ ছাপিয়ে যায়। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট দানের হার দাঁড়ায় ৬০.৪০ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে কিশনগঞ্জে (৬৬.১০ শতাংশ)। তার পরেই রয়েছে পূর্ণিয়া (৬৪.২২ শতাংশ)। কাটিহারেও ৬৩.৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনেতারাও দাঁড়িয়েছিলেন ভোটের লাইনে। রোহতস জেলার করগহর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট দেন জন সুরাজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোর। পূর্ণিয়ায় ভোট দেন নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব। সুপৌলে ভোট দেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শাহনওয়াজ হোসেন।

প্রথম দফায় লখিসরাইয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বিজয়কুমার সিনহার কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। কনভয় লক্ষ্য করে পাথর-গোবর ও চপ্পল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছিল আরজেডি সমর্থকদের বিরুদ্ধে। প্রথম দফায় সেই অশান্তির কথা মাথায় রেখে দ্বিতীয় দফায় কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্থ করেছিল নির্বাচন কমিশন। চার লক্ষাধিক নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন করা হয়েছিল। চলতি বিধানসভা ভোটে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়া নিয়ে শুরু হয়েছে কাঁটাছেড়া। ভোটের ময়দানে থাকা রাজনৈতিক দলগুলির তরফ থেকে বিপুল ভোটদানের পিছনে কারণ খোঁজা শুরু হয়েছে। সাধারণত প্রচুর পরিমাণে ভোট যদি পড়ে সে ক্ষেত্রে তা ক্ষমতা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। তবে বিহারে আদৌ পরিবর্তনের জন্যই বাম্পার ভোটিং হল কিনা তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত। ওই দিনই ইভিএম খোলা হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মধ্যপ্রদেশে ৩১ যাত্রী নিয়ে মাঝ নদীতে ডুবল ক্রুজ! মৃত অন্তত ৪, নিখোঁজ অনেকে

শুক্র থেকেই মহারাষ্ট্রের রিকশা-ক্যাব চালকদের মরাঠিতে কথা বলা বাধ্যতামূলক

‘তিনি মাদ্রাজ-এর এপস্টিন’, তামিল সুরকারের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ গায়িকার

নিরাপত্তা প্রত্যাহার ইস্যুতে পঞ্জাবের আপ সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হরভজন

মিশন পঞ্জাব, মাদক ইস্য়ুতে আম আদমি পার্টিকে জব্দ করতে ব্লু প্রিন্ট তৈরি শাহের

বাবার বিশাল সম্পত্তির অধিকার নিয়ে লড়াই, করিশ্মার সন্তানদের পক্ষে কী রায় দিল্লি হাইকোর্টের?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ