বিল অনুমোদনের জন্য রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতির জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা যাবে না, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি,নয়াদিল্লি : রাজ্যপাল কোনও বিল আটকে রাখতে পারবেন না। কোনও বিলে সম্মতি না দিলে সেটি ফের বিধানসভায় পাঠাতে হবে। ‘প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স’ মামলায় বৃহস্পতিবার এমনই পর্যবেক্ষণের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বিআর গভাইয়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চের। এই বেঞ্চে রয়েছেন প্রধান বিচারপতি বিআর গভাই, বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি পিএস নরসিংহ এবং বিচারপতি এএস চন্দরকর। পাশাপাশি বলা হয়েছে, বিল অনুমোদনের জন্য রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতির জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা যাবে না।

বিধানসভায় যে সকল বিল পাস হয়ে গিয়েছে, সেগুলোতে সম্মতির প্রয়োজন রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতির। এই ক্ষেত্রে সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। তারপরেই দুই পক্ষের ক্ষমতা ব্যাখ্যা নিয়ে ১৪টি প্রশ্ন পাঠিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। গত জুলাই মাস থেকে সেই মামলার শুনানি চলছিল।

নিয়ম অনুযায়ী কোনও রাজ্যের আইনসভায় বিল পাশ হলে সেখানে সম্মতির জন্য রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হয়। রাজ্যপাল একটি নির্দিষ্ট সময়ে ওই বিলে সই করেন। কিন্তু ওই বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে  সংবিধানের ২০০ ধারা অনুসরণ করে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সংবিধানের ২০১ ধারা অনুযায়ী, কোনও বিল রাষ্ট্রপতির কাছে গেলে সেই বিলে সম্মতি জানান বা নাকচ করে দেন। কিন্তু এই বিলে সম্মতি জানানোর জন্য সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে কোনও সময়সীমা দেওয়া হয়নি। তা নিয়েই বার বার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদের অধীনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর করা রেফারেন্সের জবাবে, মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে সংবিধানের ২০০বা ২০১ অনুচ্ছেদের অধীনে বিলগুলিতে সম্মতি দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি এবং রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের জন্য আদালত কোনও সময়সীমা নির্দিষ্ট করতে পারে না। ভারতের প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি পিএস নরসিংহ এবং বিচারপতি এএস চান্দুরকরের সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ দশ দিন ধরে এই মামলার শুনানি করে ১১ সেপ্টেম্বর তাদের মতামত সংরক্ষণ করেছিল। অবশেশে সেই রায় দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবার।

গত ১২ এপ্রিল তামিলনাড়ু সরকারের দায়ের করা এক মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতিকে তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশ নিয়ে আপত্তি তোলেন উপরাষ্ট্রপতি-সহ অনেকেই। রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের আছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। এ বিষয়ে শীর্ষ আদালতের পরামর্শ চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু। তারপর থেকে চলছিল শুনানি।

রেফারেন্সে যেসকল প্রশ্ন উঠেছিল তার মধ্যে বলা হয়েছে, ভারতের সংবিধানের ২০০ অনুচ্ছেদের অধীনে যখন কোনও বিল রাজ্যপালের কাছে পেশ করা হয়, তখন তার সামনে সাংবিধানিক বিকল্প কী কী? উত্তরে বলা হয়েছে বিল উপস্থাপনের পর, রাজ্যপাল বিলটিতে সম্মতি দিতে পারেন, সম্মতি স্থগিত রাখতে পারেন অথবা রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য সংরক্ষণ করতে পারেন। ২০০ অনুচ্ছেদের প্রথম শর্ত অনুসারে সম্মতি স্থগিত রাখার সাথে বিলটি বিধানসভায় ফেরত পাঠানো আবশ্যক।

ভারতের সংবিধানের ২০০ অনুচ্ছেদের অধীনে বিল পেশ করার সময় রাজ্যপাল কি মন্ত্রী পরিষদ সাহায্য ও পরামর্শ দ্বারা আবদ্ধ হন? সেখানে বলা হয়েছে সাধারণত, রাজ্যপাল মন্ত্রী পরিষদের সহায়তা ও পরামর্শের অধীনে কাজ করেন। কিন্তু ২০০ অনুচ্ছেদে, রাজ্যপাল বিচক্ষণতা ব্যবহার করেন। রাজ্যপাল বিলটি ফেরত দেওয়ার বা রাষ্ট্রপতির জন্য বিলটি সংরক্ষণ করতে পারেন।

ভারতের সংবিধানের ২০০ অনুচ্ছেদের অধীনে রাজ্যপাল কর্তৃক সাংবিধানিক বিচক্ষণতা প্রয়োগ কি ন্যায়সঙ্গত? বলা হয়েছে,  ২০০ অনুচ্ছেদের অধীনে রাজ্যপালের কার্য সম্পাদন ন্যায়সঙ্গত নয়। আদালত এইভাবে গৃহীত সিদ্ধান্তের একটি পর্যালোচনা করতে পারে না। তবে, দীর্ঘস্থায়ী, ব্যাখ্যাতীত এবং অনির্দিষ্টকালের নিষ্ক্রিয়তার স্পষ্ট। ২০০ অনুচ্ছেদের অধীনে রাজ্যপালের দীর্ঘ নিষ্ক্রিয়তার ক্ষেত্রে এই আদালত যে সীমিত বিচারক পর্যালোচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে তা অস্বীকার করার জন্য ব্যবহার করা যাবে না। ২০০ এবং ২০১ অনুচ্ছেদের পাঠ্যাংশ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষগুলি তাদের কাজ সম্পাদনের জন্য স্থিতিস্থাপকতার অনুভূতি প্রদান করে, বিভিন্ন প্রেক্ষাপট এবং পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কাজ হয়। রাজ্যপাল কর্তৃক বিল সংরক্ষিত রাখার সময় রাষ্ট্রপতিকে আদালতের পরামর্শ নিতে হবে না।

 

দীপাবলির আগেই রাশি পরিবর্তন করবে দেবগুরু বৃহস্পতি, বিপদ বাড়বে ৩ রাশির জাতকদের

১৫ লাখ ঘুষ নিতে গিয়ে সিবিআইয়ের হাতে পাকড়াও আয়কর ইন্সপেক্টর

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন গুজরাতের জনপ্রিয় ‘রাজা-রানি পরোটা’, রইল রেসিপি

দীপাবলিতে বাড়ি সাজাতে খরচ হবে না হাজার-হাজার টাকা, এই কৌশলেই হবে বাজিমাত

স্পেনে উচ্চগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে মৃত বেড়ে ৬৮, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

‘করবা চৌথ’-এ লক্ষ্মী-নারায়ণ রাজযোগ, ৪ রাশির জাতকদের সুপ্ত ইচ্ছা পূর্ণ হবে

এলাহাবাদ হাইকোর্টে তুলকালাম কাণ্ড, বিচারপতির এজলাসে ভাঙচুর চালালেন আইনজীবীরা

শনির সাড়ে সাতি থেকে মুক্ত হচ্ছন কুম্ভ রাশির জাতকরা, কবে থেকে সুদিন শুরু?

জুতোর মালা গলায় পরে গ্রামছাড়া হতে হয়েছিল, শালীকে তালাক দিলেন নেট প্রভাবী

দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে, এক দিনের দল থেকে ছিটকে গেলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ

৪৮ লক্ষ কৃষকের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ২ হাজার করে টাকা! মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

চুরির পর কিশমিস-খেজুর দিয়ে হুইস্কি পান, চোরের কাণ্ডে চক্ষু চড়ক গাছ পুলিশের

শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য তিরস্কৃত হ্যারিস রউফ, নিষিদ্ধ হওয়ার মুখে পাক ক্রিকেটার

জমি দুর্নীতির পর মাটি চুরির অভিযোগ, অভিষেকের প্রাক্তন পিএ সুমিতকে শোন অ্যারেস্ট পুলিশের