চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

Big Breaking ঝালদা কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুরুলিয়া জেলার ঝালদায়(Jhalda) চারবারের কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু(Tapan Kandu) খুনের ঘটনায় এবার সিবিআই(CBI) তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মূলত তপনবাবুর পরিবারের প্রতি সুবিচারের আস্থা দিতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেহেতু এই ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষ এখনও স্বপদে বহাল রয়েছেন তাই পুলিশ কতখানি এই ঘটনার যথাযথ তদন্ত করতে পারবে তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট(Calcutta High Court)। সেই সঙ্গে বেশ কিছু প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেও এদিনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, এই ঘটনার যাবতীয় তদন্তের নথি এদিনই সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে।

সাম্প্রতিককালে হয়ে যাওয়া পুরনির্বাচনে পুরুলিয়া শহরের ঝালদা পুরসভার ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে কংগ্রেস ও তৃণমূল উভয়েই ৫টি করে আসন পায়। নির্দলরা পায় ২টি আসন। সেই দুই নির্দল প্রার্থীদের সমর্থন নিয়েই সেখানকার চারবারের কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুকে চেয়ারম্যান হিসাবে তুলে ধরে ঝালদায় পুরবোর্ড গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার আগেই ১৩ মার্চ খুন হয়ে যান তপনবাবু। সেই ঘটনায় তপনবাবুর পরিবার প্রথম থেকেই অভিযোগ তুলে আসছিল যে ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষ এই ঘটনায় জড়িত। তিনিই চক্রান্ত করে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেটিং টিম বা সিট গঠন করে। ইতিমধ্যেই সেই ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তপনবাবুর দাদা নরেন কান্দু, নরেনবাবুর ছেলে দীপক কান্দু, ব্যবসায়ী আসিফ খান ও খুনের পরিকল্পনাকারী কলেবর সিং। সেই সঙ্গে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার সেলভা মুরুগন জানিয়ে দিয়েছেন, পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষ জড়িত নন।

কিন্তু তপনবাবুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু প্রথম থেকেই জানিয়ে আসছিলেন তাঁরা সিবিআই তদন্ত চান। তাঁদের মূল অভিযোগই ছিল ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষের বিরুদ্ধে। তাঁকে পদে বহাল রেখেই পুলিশ ও সিট এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছিল। তার জেরে কান্দু পরিবারে তো বটেই, ঝালদাবাসীর মধ্যেও ক্ষোভ ছড়াচ্ছিল। পূর্ণিমা কান্দু নিজেও এবারে কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরেই পূর্ণিমাদেবী আদালতকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে বলেছেন, ‘এবার সঠিক অপরাধীরা ধরা পড়বে। কার নির্দেশে খুনের ঘটনা ঘটেছে, কার কারা তাতে জড়িত সব সামনে আসবে। প্রত্যেকের ফাঁসি চাই। পারিবারিক বিবাদে এই ঘটনা ঘটেনি। পারিবারিক বিবাদ বলে পুলিশ আসল ঘটনা ধামাচাপা দিতে চাইছিল। আইসি সব জানে। ওই সব করিয়েছে। ওর ফাঁসি চাই।’ এদিন আদালত সিবিআইকে গোটা ঘটনার তদন্তের জন্য ৪৫ দিনের সময়সীমা ধার্য করেছে। সেই সঙ্গে জানিয়েছে, অভিযোগকারী এবং মানুষের মনে আস্থা ফেরানোর জন্যই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মালদা টাউন স্টেশন থেকে ২ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার

ভোটের মাঝে আচমকাই অভিষেককে ফোন রাহুলের!

ভোটার লিস্টে শিক্ষিকার নাম নেই, কিন্তু এসেছে প্রিসাইডিং অফিসারের ডিউটির নোটিশ

‘৪ তারিখের পর সব অত্যাচারের হিসেব হবে’, সবং থেকে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

ফের নাকা তল্লাশিতে উদ্ধার ১ কোটি টাকা, চাঞ্চল্য তমলুকে

ক্ষমতায় এলে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের লাথি মেরে তাড়ানোর হুমকি হিমন্তের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ